আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

পিবিআইয়ের দৃঢ়তায় মানবপাচারকারী’র হাত থেকে ভিকটিম উদ্ধার! আটক-৩

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ নরসিংদী।

নরসিংদী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লিবিয়া থেকে রোমেল নামে একব্যক্তিকে মানবপাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, নরসিংদী (পিবিআই)।
উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগী হলেন, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি থানার বাগরাইট গ্রামের আসাদ মিয়ার ছেলে রোমেল মিয়া (৩৪)।
মঙ্গলবার (৪ জুন) বিকালে পিবিআই নরসিংদী পুলিশ সুপার (ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ এনায়েত হোসেন মান্নান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি’র মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আটকৃতরা হলেন, ঢাকা জেলার দোহার থানার নারিশা (পশ্চিমচর) গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে ওয়াসিম হোসেন (২৮), একই এলাকার মৃত ওয়াহাব খানের ছেলে সোহেল (২৪) এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার মৌটুপি গ্রামের মৃত আঃ মান্নানের ছেলে আকারিছ মিয়া (৫৪)। এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ দেড় লক্ষ টাকা, ৯টি মোবাইল সেট ও বিকাশ সিম সহ মোট ২২টি সিম উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, ভুক্তভোগী রোমেলের চাচাতো ভাই লিবিয়ায় থাকার সুবাদে পরিচয় হয় মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য রহমত উল্লাহর সাথে। সে সুবাদে রোমেল এর বড়ভাই বাবুলের সাথে পাচারকারী চক্রের সদস্য রহমত উল্লাহ’র মুঠোফোনে একাধিকবার কথা হয়। একপর্যায়ে বাবুলের ছোটভাই রোমেলকে লিবিয়ায় আনতে রহমতউল্লাহ’র সাথে ৪ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়। পরে রোমেলকে দুবাই মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে যায়। লিবিয়া পৌছার পর রহমত উল্লাহ তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ করে দেয়। বেশকিছু দিন পর পাচারকারী চক্রের অজ্ঞাত সদস্য রোমেলের বড়ভাই বাবুলের ইমু নম্বরে ভিডিও কলে রোমেলকে বদ্ধ অন্ধকার একটি কক্ষে আটক করে মারধর করতে থাকে এবং আরও ১২ লক্ষ টাকা দাবি করে। পরে পাচারকারীরা বাবুলের চাচাতো ভাইয়ের মোবাইলে ব্যাংকের একাউন্ট নম্বর ও ১২টি বিকাশ নম্বর দিয়ে টাকা পাঠাতে বলে। পরে রোমেল এর বড়ভাই বাবুল চলতি বছরের ১০ এপ্রিল পিবিআই নরসিংদীতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পিবিআই পুলিশ সুপার মোঃ এনায়েত হোসেন মান্নান (ডিআইজি পদোন্নতি প্রাপ্ত) বিষয়টি আমলে নিয়ে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্হা নিতে নির্দেশ প্রদান করেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান। পরে পিবিআইয়ের একাধিক দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মানব পাচারকারী চক্রের ৩ সদস্যকে ৯টি মোবাইল সেট, নগদ দেড় লক্ষ টাকা এবং বিকাশ সিম সহ ২২টি সিম উদ্ধার করা সহ আটক করেন। আরও জানা যায় যে, রোমেলকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পিবিআই লিবিয়ান এ্যাম্বাসিতে যোগাযোগ করলে লিবিয়ার পুলিশ রোমেলকে মানবপাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠায়। পরে গত ২৪ মে পিবিআই নরসিংদী’র একটি দল ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছে ভিকটিম রোমেলকে রিসিভ করে পরিবারের হাতে তুলে দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

ইরানে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ১৬ ব্যক্তি ও তিনটি সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইরানের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

যখন ইরানে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের  যুদ্ধ

চলছে, ঠিক তখনই এঘোষণা দেয়া হলো।

 আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ১৬ ব্যক্তি ও তিনটি সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ।

ইইউ কাউন্সিল জানিয়েছে-  ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে রাস্তায় বিক্ষোভ দমনে সরাসরি ভূমিকা রেখেছিল। সেই দমন-পীড়নে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়।এই নতুন নিষেধাজ্ঞার   তালিকায় ২৬৩ ব্যক্তি এবং ৫৩টি সংস্থা রয়েছে•।

খবর আলজাজিরার।

[email protected]

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ