আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন- মেয়র রফিকুল ইসলাম রফিক

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন আগামী ২৬ জুন কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে উপলক্ষে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠক, আলোচনা সভা,নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে জনগণের কাছে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌরসভার বিরাবো খালপাড় o৩নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন হাট বাজার গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে ভোট চান রফিকুল ইসলাম রফিক ও তার সমর্থকরা।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আমিনুল হক খোকন, কাঞ্চন পৌর আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নবিউল হাসান শান্ত, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের কার্যকরী সদস্য হাজী শফিকুল ইসলাম শফিক, রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ার পারভেজ টিপু, ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ খান, দেওয়ান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, মোঃ শুক্কুর আলি, মোঃ ইদ্রিস আলি, আব্দুল আউয়াল, মোঃ খলিল মিয়া, শাহজালাল, ইব্রাহিম, শরিফ, আরিফ, আল আমিন, আব্দুর রহিম মোল্লা, মহিলা লীগের নেত্রী পারভীন আক্তার, নিলুফা আক্তার, রোকেয়া বেগম, মায়া আক্তারসহ আরো অনেক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, বিপ্লব উদ্যান, বধ্যভূমি, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থান সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে।বুধবার দুপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে নগরীর পাহাড়তলীর জাকির হোসেন রোডে অবস্থিত বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর নির্মম গণহত্যা চালায়। সে সময় দিকনির্দেশনাহীন একটি জাতিকে চট্টগ্রাম থেকেই সাহস জুগিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার আহবানে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বিপ্লব উদ্যান এলাকা থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ইতিহাস আমাদের গর্বের অংশ।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। আমরা এখনও সঠিকভাবে জানতে পারিনি কতজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, কতজন শহীদ হয়েছেন। একটি নির্ভুল গেজেট প্রকাশ করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিভ্রান্ত না হয়।

ডা.শাহাদাত হোসেন অভিযোগ করেন, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি এবং অযোগ্য ব্যক্তিরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছে। যারা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ করেছেন, যাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে আমরা কাজ করছি। তবে অনেক স্থাপনা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়ায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যাতে সিটি কর্পোরেশনও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এসব ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা দায়মুক্ত হতে পারব না।


এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা সহ বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও স্থানীয় জনগণ।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ) উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্মসূচির প্রথম দিন ২৫ মার্চ বিকাল ৩টায় রয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর, জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও মহানগরী জামায়াতের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখবেন।

২৬ মার্চ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সংগঠনের সর্বস্তরের জন্য আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে, ২৬ মার্চ সকালে জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান এমপি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ