আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

রূপগঞ্জে সংখ্যালঘুর ও ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও ৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণবাগ গ্রামের সুখেন সরকারের ও ব্যবসায়ী জাকির হোসেনের বাড়িতে পূর্ব শত্রæতার জের ধরে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে। গত ৬জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ২০/২১ সদস্যের একদল সন্ত্রাসী রামদা, চাপাতি, লোহার রড, লাঠিসোঁটাসহ দেশীও অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দরজা ভেঙ্গে প্রথমে সুখেন সরকারের বসত ঘরে ও পরে তার পাশের বাড়ি ব্যবসায়ী জাকির হোসেনের বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায় । হামলাকারীরা তাদের বসত ঘরের আসবাপত্র ভাংচুর করে লুটপাট চালায়। এ সময় তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও ৯৯৯এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদের ব্যবহৃত নম্বরপ্লেট বিহীন চারটি মোটরসাইকেল রেখে বাড়ির লোকজনদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
হামলার ঘটনায় গৃহকর্তা জাকির হোসেন ভুঁইয়া(৪৬), তার স্ত্রী আফসানা আক্তার লাবনী(৩৫), ভাইয়ের স্ত্রী আরবিনাস আক্তার(৪৫) আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সন্ত্রাসীরা বাড়ির মহিলাদের শ্লীলতাহানী করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ ৫লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।
পুলিশ মোটরসাইকেল চারটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় সুখেন সরকার ও জাকির হোসেন বাদী হয়ে মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাসেল(৩৪), ফালান মিয়া(৩৫), এরশাদ(৩৫), সুজন ভুঁইয়া(৩০), বাবু মিয়া(২৫), এনামুল(২১), আব্দুল্লাসহ(২৩) ১১জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত আরো ১০/১২জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় পৃথক দুইটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রূপগঞ্জ থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পৃথক দুইটি অভিযো পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল দুই পেট্টোল পাম্প, ওজন কম ও হালনাগাদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে দুইটি পেট্টোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়। বুধবার বিএসটিআইয়ের পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জরিমানা করা হয়। দুটি পেট্টোল পাম্পকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরীক্ষক প্রিময় মজকুরী জয়। অভিযানে নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদের বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স পেট্টোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করে দেখা যায়, ডিজেল সরবরাহে প্রতি ৫ লিটারে ১২০ মিলিলিটার কম দেওয়া হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মন্ডল অপু।

একইদিন, কাতালগঞ্জ এলাকার হাজি ইউনুস অ্যান্ড কোং নামের পেট্টোল পাম্পের ভেরিফিকেশন সনদ হালনাগাদ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে তাদের ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপের যথার্থতা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এছাড়া একই এলাকায় খান ব্রাদার্স সিএনজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিমাপ সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সব সনদ হালনাগাদ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ