আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

মিমকে জড়িয়ে ধরে পরীমণি বললেন, ‘আমি সরি, ওসব কথা মনে রাইখো না’

বিনোদন ডেস্ক:

তারকা খবর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপরের ছবিটি তাকিয়ে দেখুন, কী মনে হচ্ছে? বিদ্যা সিনহা মিম আর পরীমনির প্রাণখোলা হাসির মুহূর্তটি যেন বলে দিচ্ছে, তারা দু’জন বহুদিনের পুরোনো বান্ধবী, হরিহর আত্মা। মজার কোনো বিষয় নিয়ে তাদের একসঙ্গে এভাবে হাসিতে ফেটে পড়তে আগে কখনও দেখা যায়নি। এমন দৃশ্য অনেকে কল্পনাও করতে পারেনি।

কারণ, একটাই, স্বামী অভিনেতা শরিফুল রাজের প্রেম চলছে–এমন সন্দেহের বশে মিমের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন পরীমণি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও একে পর এক পোস্টের মধ্য দিয়ে বাক্যবাণে জর্জরিত করেছিলেন। সে কারণেই রাজ-মিম জুটি ভেঙে গেছে সহজেই। দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা ‘পরাণ’ ও ‘দামাল’ সিনেমার পর আর কখনোই তারা একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াননি। তাই আবার একমঞ্চে মিম, পরীকে একসঙ্গে দেখতে পাওয়া, কাঁধে হাত রেখে হাসিতে ফেটে পড়তে দেখা–যে কাউকে অবাক করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে, পেশাদারিত্বের খাতিরে মিথ্যা অভিনয়?

নাকি এর পেছনে আছে অন্য গল্প? এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মিম সোজাসাপ্টা স্বীকার করেছেন, পরীর সঙ্গে তাঁর যে মনোমালিন্য ছিল, তা সহজেই দূর হয়ে গেছে ‘ঢাকা ফ্যাশন ডে’ অনুষ্ঠানের মঞ্চে। মিম বলেন, মিম বলেন, ‘দুই বছর আগে পরীমনি আমার জন্মদিনের রাতে ফেসবুকে একটি মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়ে আমাকে সবার সমানে অপমান করেছিল, হেয় করেছিল। আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। এর পর থেকে আমি এড়িয়ে চলি তাকে। এদিন স্টেজে ওঠার আগে মঞ্চের পেছনে সবার সঙ্গে আমিও দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ পরীমনি এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলতে থাকে, “এই তুমি আমার ওপর রাগ করে আছো? আমি সরি, ওসব কথা আর মনে রেখো না। ওসব ভুলে যাও। এই তুমি আমার বাচ্চাকে ভালোবাসা না?” এ ধরনের নানা কথা বলতে থাকে। আমি তো অপ্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই এসে জড়িয়ে ধরার বিষয়টি আমি প্রস্তুত ছিলাম না। ওই সময় সাবিলা নূর, তানজিন তিশাসহ অনেকেই বিষয়টি দেখেছেন।’

মিম জানালেন, মঞ্চে ওঠার আগে, এমনকি অনুষ্ঠান শেষে চলে আসার সময়ও আরও দুবার একইভাবে জড়িয়ে ধরে ওই সব কথাই বলতে থাকেন পরীমনি মিম আরও বলেন, ‘প্রতিবার ওই একই কথা। আমার বাচ্চাকে ভালোবাসা না? আমার ওপর রাগ রাইখো না। যা হওয়ার হয়েছে, ভুলে যাও। সবকিছুর জন্য আমি সরি।’

তখন পরীমণিকে আপনি কী বলেছিলেন, জানতে চাইলে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি, অবশ্যই বাচ্চাকে ভালোবাসি। তার বাচ্চাকে দেখতে তার বাসায়ও গিয়েছিলাম একসময়, সেটাও বলেছি তাকে। তবে আমি যখন পরীকে উল্টো জিজ্ঞাসা করেছিলাম এই বলে “পরী, আমার তো কোনো দোষ ছিল না, তাহলে তুমি কেন এ ধরনের মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়ে পুরো দেশবাসীর কাছে আমাকে ছোট করেছ। সে সময় আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম?” তখন পরী বলেছে, “আরে ওসব ভুলে যাও। আমি সরি ওসবের জন্য। আমাকে ক্ষমা করে দাও। ওসব কথা মনে রাইখো না, কষ্ট নিয়ো না প্লিজ।”’

তাহলে আপনি পরীমনিকে কি ক্ষমা করে দিয়েছেন, এ ব্যাপারে মিম বলেন, ‘যেভাবে আমাকে বারবার জড়িয়ে ধরে নিজের ভুল স্বীকার করল, অনুতপ্ত হলো, মানুষমাত্রই তো ভুল হয়, আমার আর কী করার আছে। ক্ষমা করে দিয়েছি।’

এ ব্যাপারে পরীমনির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনে পাওয়া যায়নি তাঁকে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়েনে আয়োজিত ‘ঢাকা ফ্যাশন ডে’-এর মঞ্চে মিম, পরীমনি ছাড়াও দেখা মিলেছে চলচ্চিত্র সুপারস্টার শাকিব খান, অভিনেত্রী পূজা চেরী, টিভি তারকা সাবিলা নূর প্রমুখ। তবে এদিন সবকিছু ছাপিয়ে গেছে মঞ্চে মিম-পরীর হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্তটি। তাদের হৃদ্যতা সহজেই মন ছুঁয়ে গেছে উপস্থিত দর্শকদের। সেই মুহূর্তের ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আলোচনার খোরাক জুগিয়ে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের একুশের বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল রফিকের বিয়ের দিন। বিয়ে বাড়িতে কনে সেজে অপেক্ষায় ছিল তার প্রিয় মানুষ। কিন্তু রফিক গিয়েছিলেন মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে। ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিলে নামেন তিনি। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন রফিক। তার বুকের রক্তে রঞ্জিত হলো বাংলার রাজপথ। অন্যদিকে, বিয়ে বাড়িতে ফুলে ফুলে সাজানো আসরে কনে তখনও পথ চেয়ে বসে। সে জানে না—তার বর আর ফিরবে না। ফিরবে শুধু রক্তে ভেজা এক শহীদের নিথর দেহ। জীবন দিয়ে রফিক প্রমাণ করে গেলেন— মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়াই সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।

অমর একুশে উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’। নাটকে ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মদানের ইতিহাস আবেগঘনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নাটকটি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রচার করা হবে ২১ ফেব্রুয়ারি।

টানা তিনদিন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া এলাকার মনোরম লোকেশনে নাটকের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। মো. ইমাম হোসাইনের কাহিনী ইকবাল খন্দকারের চিত্রনাট্যে নির্মিত রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা নাটকটি প্রযোজনা করেছেন উম্মে হাবিবা দিনা। মহসিন চৌধুরীর পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সরোজ আহমেদ, সোহেলী, দেবাশীষ চৌধুরী, মীর জুবেদ, রমিতা ভৌমিক, মো. সেলিম, আফরোজা ইমা, সীমান্ত বড়ুয়া, ধীমান, অসিত নন্দী, সৌভিক দাশ প্রমুখ।

বাংলাদেশের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড, আবারও তহবিল পেল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড, আবারও তহবিল পেল। ইতালির ফ্যাশন হাউস প্রাডার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ফন্ডাজিওনে প্রাডা থেকে এই তহবিল পেল সিনেমাটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, এ বছর বাংলাদেশের সিনেমাটিসহ ১৪টি দেশের সিনেমার প্রকল্প এই অনুদান পাচ্ছে।সব কটি সিনেমা ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার সহায়তা পাবে। এই তালিকায়
ইতালির ফ্যাশন হাউস প্রাডার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ফন্ডাজিওনে প্রাডা থেকে দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড পাবে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার তহবিল (৮০ হাজার ইউরো)। ইতিপূর্বে একক ভাবে দেশের কোনো সিনেমা এত বড় অঙ্কের সহায়তা কোনো সিনেমা পায়নি।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ