প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৬ষ্ঠ-১০ম গ্রেডে চাকরি, নেবে ২৭ জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের শূন্যপদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ১১টি পদে ২৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

এক নজরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

প্রতিষ্ঠানের নাম

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর

চাকরির ধরন

সরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ

১১ জুলাই ২০২৩

পদ ও লোকবল

১১টি ও ২৭ জন

চাকরির খবর

ঢাকা পোস্ট জবস

আবেদন করার মাধ্যম

অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ

উল্লেখ নেই

আবেদনের শেষ তারিখ

২০ আগস্ট ২০২৩

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

https://dmlc.gov.bd/

আবেদন করার লিংক

অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

১। পদের নাম: জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন)। পদ সংখ্যা: ০১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস পাস অথবা বিএমডিসি স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বিএমডিসি থেকে নিবন্ধনভুক্ত হতে হবে।

সহকারী সার্জন হিসেবে ০৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অথবা ডিপ্লোমা অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকবে হবে।

বেতন: গ্রেড-৬ষ্ঠ (৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা)

২। পদের নাম: জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি)। পদ সংখ্যা: ০১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস পাস অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বিএমডিসি থেকে নিবন্ধনভুক্ত হতে হবে।

সহকারী সার্জন হিসেবে ০৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অথবা ডিপ্লোমা অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকবে হবে।

বেতন: গ্রেড-৬ষ্ঠ (৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা)

৩। পদের নাম: জুনিয়র কনসালটেন্ট (পেডিয়েট্রিক)। পদ সংখ্যা: ০১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস পাস অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বিএমডিসি থেকে নিবন্ধনভুক্ত হতে হবে।

সহকারী সার্জন হিসেবে ০৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অথবা ডিপ্লোমা অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।

বেতন: গ্রেড-৬ষ্ঠ (৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা)

৪। পদের নাম: জুনিয়র কনসালটেন্ট (অ্যানেস্থেসিয়া)। পদ সংখ্যা: ০১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস পাস অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বিএমডিসি থেকে নিবন্ধনভুক্ত হতে হবে।

সহকারী সার্জন হিসেবে ০৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অথবা ডিপ্লোমা অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।

বেতন: গ্রেড-৬ষ্ঠ (৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা)

৫। পদের নাম: জুনিয়র কনসালটেন্ট (রেজিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং)। পদ সংখ্যা: ০১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস পাস অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বিএমডিসি থেকে নিবন্ধনভুক্ত হতে হবে।

সহকারী সার্জন হিসেবে ০৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অথবা ডিপ্লোমা অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকবে হবে।

বেতন: গ্রেড-৬ষ্ঠ (৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা)

৬। পদের নাম: ডেন্টাল সার্জন। পদ সংখ্যা: ১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত ডেন্টাল কলেজ থেকে বিডিএস পাসসহ বিএমডিসি সনদপ্রাপ্ত হতে হবে এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন হিসেবে ০৫ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বেতন: গ্রেড-৬ষ্ঠ (৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা)

৭। পদের নাম: মেডিকেল অফিসার। পদ সংখ্যা: ৭টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সরকার অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস পাসসহ বাংলাদেশ মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল থেকে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হতে হবে।

বেতন: গ্রেড-৯ (২২০০০-৫৩০৬০ টাকা)

৮। পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার। পদ সংখ্যা: ১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স/কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং/ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রোনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম ২.২৫ সিজিপিএসহ স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

বেতন: গ্রেড-৯ম (২২০০০-৫৩০৬০ টাকা)

৯। পদের নাম: সিনিয়র স্টাফ নার্স। পদ সংখ্যা: ১০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা-ইন-নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি অথবা বিএসসি ইন নার্সিং ডিগ্রি এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল কর্তৃক রেজিস্টার্ড হতে হবে।

বেতন: গ্রেড-১০ম (১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা)

১০। পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)। পদ সংখ্যা: ১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং (সিভিল) ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বেতন: গ্রেড-১০ম (১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা)

১১। পদের নাম: কঞ্জারভেন্সী অফিসার। পদ সংখ্যা: ০২টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং (সিভিল) / এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সম্পন্ন।

বেতন: গ্রেড-১০ম (১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা)

বয়সসীমা: ১১ জুলাই তারিখে সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর।

আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা https://job.shmrmi.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও নিয়মাবলি https://job.shmrmi.gov.bd ও www.dmlc.gov.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

আবেদন ফি: ক্রমিক নং- ১-৮ এর ক্ষেত্রে ৬০০ টাকা এবং ৯-১১ এর ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা (চার্জ প্রযোজ্য)।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ আগস্ট, ২০২৩।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আরেকটি অত্যাধুনিক বাস টার্মিনাল ১৬০টি বাস-ট্রাকের পার্কিংয়ের ব্যবস্থা


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে আরেকটি অত্যাধুনিক বাস টার্মিনাল চালু হতে যাচ্ছে। প্রায় ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে জালালাবাদ ওয়ার্ডের কুলগাঁও বালুচরা এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ৮ দশমিক ১০ একর জায়গার উপর টার্মিনালটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কদমতলী ও বহদ্দারহাটে দুটি বাস টার্মিনালের পর নগরীর এটি হবে তৃতীয় বাস টার্মিনাল।

জানা গেছে, ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম নগরীর প্রথম বাস টার্মিনাল নির্মিত হয় কদমতলীতে। দ্বিতীয় টার্মিনাল নির্মিত হয় বহদ্দারহাটে ১৯৯৩ সালে। এরপর দীর্ঘ ৩৩ বছরেও নির্মাণ হয়নি কোনো বাস টার্মিনাল। সিটি বাস টার্মিনাল প্রকল্পটি ২০১৮ সালের অক্টোবরে অনুমোদন হয়। নানা জটিলতায় প্রায় আট বছরেও প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারেনি চসিক। প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের জন্য ব্যয় হয়েছে ১০৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এছাড়া, ভূমি উন্নয়নে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, অবকাঠামো উন্নয়নে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ইয়ার্ড নির্মাণ বাবদ ২৫ কোটি টাকাসহ মোট ৩৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সর্বমোট এই প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণসহ ব্যয় হয়েছে ১৩৯ কোটি টাকা।

এখানে বাসের পাশাপাশি ট্রাকের জন্য আলাদা জায়গা থাকবে। টার্মিনালটি চলতি মাসে উদ্বোধনের পর পুরোদমে চালু হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এই টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার ও আন্তঃনগর উভয় ধরনের বাসই ছাড়বে। টার্মিনালটিতে মোট ১৬০টি বাস-ট্রার্ক পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান সোহেল বলেন, কুলগাঁও বালুচরা বাস টার্মিনালসহ বেশকিছু প্রকল্পের কাজ আমাদের শেষ পর্যায়ে। মেয়র দু’এক দিনের মধ্যেই দেশে ফিরলে এগুলো চালু বা উদ্বোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমরা আশা করছি খুব শীঘ্রই বাস টার্মিনালটি চালু করা হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইতোমধ্যে প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্তমানে টার্মিনালের মূল ভবনের ফিনিশিং ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। যা চলতি মাসের মধ্যেই শেষ করা হবে। টার্মিনালের প্রবেশ পথে একটি তিন তলা ভবন রয়েছে। এছাড়া, একটি সিটি বাস টার্মিনাল, একটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল, ২৫টি যাত্রী বোর্ডিং লেন, ১৪টি অতিরিক্ত ওয়েটিং লেন, একটি বড় খোলা হল রুম এবং তথ্যকেন্দ্র, পুরুষ ও নারীদের জন্য টয়লেট, ২২টি টিকিট কাউন্টার, যাত্রীদের বসার জায়গা, ওয়াইফাই সুবিধা, লাগেজ রুম, ট্যাক্সি বুকিং রুম, ফাস্ট এইড স্টেশন, রেস্তোরাঁ, এসি বাসের যাত্রীদের বসার জায়গা, বাস-ট্রাক মালিকদের জন্য অফিস এবং বাস কর্মচারীদের আবাসন কক্ষ রয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক ও চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসীম উদ্দিন বলেন, মূল ভবনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্তমানে ভবনের ফিনিশিংয়ের কাজ, বাগান ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। আমরা আশা করছি চলতি মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। টার্মিনালটির ব্যবহার শুরু হলে সুবিধা পাবে দেশের দুই পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির লাখো বাসিন্দা। এতে চট্টগ্রাম নগরীর প্রবেশমুখ অক্সিজেন এলাকার নিত্যদিনের যানজটের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম জেলার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি অভিমুখী বাস-ট্রাকের জন্য কোন টার্মিনাল নেই। টার্মিনাল না থাকায় এসব সড়কের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার উপর যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় কুলগাঁও এলাকায় বাস-ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় চসিক। টার্মিনালটি চালু হলে চট্টগ্রামের উত্তরাঞ্চলের যানজট অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি বাস মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কে অক্সিজেন হয়ে প্রতিদিন রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি বাদেও উত্তর জেলার বিভিন্ন রুটে ৫০০ থেকে ৬০০ বাস চলাচল করে।

চট্টগ্রাম-নাজিরহাট-খাগড়াছড়ি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, রাঙামাটি-খাগড়াছড়িসহ উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন রুটে দৈনিক নিয়মিত পাঁচ শতাধিক বাস চলাচল করে। কিন্তু স্থায়ী টার্মিনাল নেই। তাই মুরাদপুর কিংবা অক্সিজেন এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী নিতে হয় বাসগুলোতে। এতে নগরীর অন্য রুটে চলাচলকারী যানবাহনকে দুর্ভোগে পড়তে হয়। নতুন টার্মিনাল চালু হলে উত্তরের রুটগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। অক্সিজেনসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি রুটে যানজট কমে আসবে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার সাথে নিরাপদ খাবার পানির এটিএম বুথ স্থাপনে চুক্তি


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে পানি সরবরাহ বিশেষ করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী, পানি সংকটাপন্ন এলাকা এবং নিরাপদ খাবার পানির সীমিত সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য এটিএম বুথ স্থাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম ওয়াসার বোর্ড কক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। চুক্তিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম এবং ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এর পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির আওতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হচ্ছে পানির এটিএম বুথ স্থাপন। মহানগরীর যেসব এলাকায় পানির সংকট রয়েছে এবং যেখানে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী খাবার পানির প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে পানির এটিএম বুথ স্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ পানি আরও সহজলভ্য করাই হলো এই চুক্তির মুল উদ্দেশ্যে।

চুক্তি অনুযায়ী ওয়াটারএইড বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ওয়াসার পাম্প বা সরবরাহ লাইনের পানির গুণগত মান মূল্যায়ন করবে এবং পানির গুণগত মানের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত পানি শোধন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। চট্টগ্রাম ওয়াসার সহায়তায় পাইলট সময়কালে এটিএম বুথগুলোর জন্য কেবল জমি প্রদান করবে; সমস্ত ক্যাপিটাল ইকুইপমেন্ট (মূলধনী যন্ত্রপাতি) ওয়াটারএইড বাংলাদেশ দ্বারা অর্থায়ন করা হবে। জায়গা প্রাপ্তিতে সমস্যা হলে আলোচনা সাপেক্ষে সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে জায়গা গ্রহণের বিষয়ে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অনুমতি ব্যতীত সরাসরি খুচরা পানি বিক্রি এবং বিতরণ করতে পারবে না; বুথগুলোতে সমস্ত পানি বিক্রি অবশ্যই সরাসরি ওয়াটারএইড বাংলাদেশ অনুমোদিত কর্মী বা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত করতে হবে। আনুমানিক ১০০টি ওয়াটার এটিএম বুথ চালু না হওয়া পর্যন্ত পাইলট পর্যায়টি চলবে।

ওয়াটার এইড বাংলাদেশ একটি সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট (এসএলএ) গ্যারান্টি দিবে যার অধীনে যেকোনো অপ্রত্যাশিত যান্ত্রিক ত্রুটি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদি কোনো বুথ ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকে, তবে জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ একটি বিকল্প সাময়িক পানি বিতরণ ব্যবস্থা চালু করতে হবে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশ শুধু একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করছে না, বরং চট্টগ্রাম নগরীর পানি সেবাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে আগামী তিন বছরের একটি যৌথ পথচলার সূচনা করছে। নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী, পানি সংকটাপন্ন এলাকা এবং নিরাপদ খাবার পানির সীমিত সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর এই অংশীদারিত্ব চুক্তি অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমি মনে করি, পানির এটিএম বুথ শুধু পানি সরবরাহের একটি ব্যবস্থা নয়। এটি মানুষের প্রয়োজনের জায়গায় নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর উদ্যোগ।

বিশেষ করে যেসব মানুষ প্রতিদিন পানির জন্য অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করেন, তাদের জন্য এই উদ্যোগ বাস্তব উপকার বয়ে আনবে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পরবর্তীতে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন এবং যেসব এলাকায় লবণাক্ততার কারণে নিরাপদ খাবার পানির সংকট রয়েছে, সেখানে রিভার্স অসমোসিস (আরও) প্রযুক্তির মাধ্যমে পানি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। চট্টগ্রাম ওয়াসার বিলিং সিস্টেমকে উন্নত ও গতিশীল করতে বিলিং অ্যাপস তৈরি, ওয়াসার পানির লাইন সম্প্রসারণ সহ আরো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এতে ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এর পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী বলেন, আজকের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশের -এর মধ্যে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং এর সুফল সরাসরি চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) শারমিন আক্তার বলেন, পানি সেবা শুধু অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় নয়। এর সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য, জীবনযাত্রার মান এবং সামাজিক নিরাপত্তা সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই পানি সংকটাপন্ন ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। ওয়াটার এইড বাংলাদেশের চট্টগ্রাম নগরীর পানি ও স্যানিটেশন খাতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ের কাজ এবং কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা ওয়াসার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগালে জনগণ সরাসরি উপকৃত হবে বলে আমি আশাবাদী।

আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) শারমিন আলম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশল) বিষ্ণু কুমার সরকার, সচিব শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সাজিয়া পারভীন, প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, প্রধান রজাস্ব কর্মকর্তা রুমন দে সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর পার্থ হেফাজ সেখ, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর মোঃ তাহমিদুল ইসলাম, জোনাল লিড বাবুল বালা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ