আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

জলবায়ু সংরক্ষণে ধর্মীয় সম্প্রীতি” শীর্ষক আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সেমিনার-২০২৪ অনুষ্ঠিত

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

“জলবায়ু সংরক্ষণে ধর্মীয় সম্প্রীতি” শীর্ষক
আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সেমিনার-২০২৪ অনুষ্ঠিত
খ্রিস্টিয় ঐক্য ও আন্তঃধর্মীয় সংলাপ কমিশন, চট্টগ্রাম আর্চডাইয়োসিস এবং কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ১২ জুন ২০২৪ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম নগরীর হোটেল সৈকতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সেমিনার-২০২৪’। উক্ত সেমিনারের মূলসুর নির্ধারণ করা হয়েছে: ‘জলবায়ু সংরক্ষণে ধর্মীয় সম্প্রীতি’। কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ম্যানেজার মি. জনি রোজারিও উক্ত সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন। খ্রিস্টিয় ঐক্য ও আন্তঃধর্মীয় সংলাপ কমিশন, চট্টগ্রাম আর্চন্ডাইয়োসিসের সমন্বয়কারী মি. এমরোজ গোমেজ স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় তিনি বলেন- “সৃষ্টিকর্তা আমাদের সৃষ্টি করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেছিলেন উত্তম হয়েছে। এরপর তিনি মানুষকে সমস্ত সৃষ্টির যত্নের কথা ভুলে গিয়েছি।” উপর কর্তৃত্ব প্রদান করেন এবং সৃষ্টির যত্ন নিতে উপভোগ করতে বলেন। কিন্তু আমরা মানুষ সৃষ্টিকে উপভোগ করে যাচ্ছি। আরেফিন রিয়াদ ও ইউজিন শুভর সঞ্চালনায়, সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কাথলিক আর্চডাইয়োসিসের প্রধান ধর্মগুরু ও সংলাপ কমিশনের চেয়ারম্যান পরম শ্রদ্ধেয় আর্চবিশপ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার, সিএসসি। প্রধান অতিথি পরম শ্রদ্ধেয় আর্চবিশপ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার, সিএসসি তার বক্তব্যে বলেন, “জলবায়ুর সংরক্ষণ করতে সৃষ্টিকর্তা, সৃষ্ট প্রকৃতি ও সৃষ্ট মানব সমাজের মধ্যে ত্রিমাত্রিক সম্পর্ক জোরদার করা প্রয়োজন। ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে এই সম্পর্কের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে তা ধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতির মাধ্যমে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। সকল ধর্মের ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় সাধু-সন্তদের জীবনাদর্শ থেকে সংযমী হওয়া, পারস্পরিক মর্যাদা প্রদান করা এবং যেসব ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে তার জন্যে বিনম্রতার সাথে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষতিপূরণের মনোভাব গড়ে তোলা প্রয়োজন যাতে প্রকৃতির যত্নে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হতে পারে” এছাড়া ‘জলবায়ু সংরক্ষণে ধর্মীয় সম্প্রীতি’ উপর সামগ্রিক আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্সেস বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন। তিনি তাঁর সহভাগিতায় বলেন “বাংলাদেশে গত দুই দশক ধরে জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব সুস্পষ্ট। ভৌগলিক কারণে বাংলাদেশ দূর্যোগপ্রবণ দেশ, এর পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণায়ন দূর্যোগের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এমতাবস্থায় আমাদের সুন্দর পৃথিবী বিনির্মাণ করতে হলে আমাদের প্রয়োজন সম্মিলীত প্রচেষ্টা।” এছাড়া মূলসুরের আলোকে স্ব স্ব ধর্মের শিক্ষার আলোকে যথাক্রমে, খ্রিস্টধর্মীয় শিক্ষার আলোকে ব্যবসা শিক্ষা বিভাগ, নটর ডেম কলেজ ঢাকা এর প্রভাষক ফাদার ড. লিটন হিউবার্ট গোমেজ সিএসসি, ইসলাম ধর্মের শিক্ষার আলোকে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুন্নবী আজহারী, সনাতন ধর্মের শিক্ষার আলোকে ইংরেজী বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য্য, বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার আলোকে লতিফা সিদ্দীক ডিগ্রী কলেজ এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক শিমুল বড়ুয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। চার ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে উপস্থাপিত বিদগ্ধ বক্তাগণের জ্ঞানগর্ভ বক্তব্যের আলোকে উপস্থিত সুধী সমাবেশ আলোচনায় অংশ নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন ও অনুভূতি ব্যক্ত করেন। অতঃপর উপস্থিত অংশগ্রহণকারী জলবায়ু সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে জলবায়ু সংরক্ষণে একযোগে প্রধান অতিথি ঘোষনা পত্র পাঠ করেন। উক্ত সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির সদস্য- তানভীর হোসাইন, দিলীপ বড়ুয়া, লায়ন ডা: বরুণ কুমার আচার্য, উইলিয়াম গমেজ, আক্রোফিন রিয়াদ, শ্যামল নন্দী, ইউজিন শুভ গোলদার, যোসেফ ডি’সিলভা, সি. মমতা পালমা এলএইচসি, ফ্লেভিয়ান ডি’কস্তা ও জুলিয়ান ডি’কস্তা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০ জুন ২০২৬খ্রি. বুধবার বাদ মাগরিব গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফ এর ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল-২০২৬ উপলক্ষে ২য় প্রস্তুতি সভা কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচ্য বিষয় ছিল মাহফিল এর অতিথি ও বক্তা নির্ধারণ, অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও প্রচার, সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে, বিবিধ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ ছালেহ সুফিয়ান, কাজী হাবিবুল হোসাইন, মো.ফজলুল হক, মো. শওকত হোসাইন, মো. খোরশেদ আলম, মো.রুকুনুজ্জামান টুটুল, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, এসএম জাবেদ হোসাইন, হারুনুর রশিদ, কাজী আশরাফ হোছাইন, মো. জিয়াউল হাসান সাইফ, মো. শাহীন মুরাদ রাজা, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব, মো. আকতার মিঞা সমন্বয়কারী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিমন, দিদারুল আলম লোকমান, মো. মুজিবুর রহমান রাসেল, লায়ন ডা.বরুণ কুমার আচার্য বলাই, বাবু প্রবোধপাল, দেবরাজ পাল, সৈযদ আবু আহমদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. নুরমিয়া, মো. রানা সরকার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. কামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান মনজু, মো. ইদ্রিস আলী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, মু. আমান উল্লা খান চৌধুরী লিটন প্রমূখ।

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি ঈদের খুতবা প্রদান করেন এবং কোরবানির তাৎপর্য, ত্যাগের শিক্ষা ও মাংস বণ্টনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান তুলে ধরেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির নেতা সোলায়ামান আলম শেঠসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ