শিল্প-সাহিত্যে অবদানের জন্য জিজেইউএস সম্মাননা ২০২৪ পেলেন কবি আমেনা ফাহিম ♦️♦️

রিপন শান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপজেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে উজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভোলার দৌলতখান উপজেলার চারগুণীকে সম্মানিত করেছে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা – জেজেইউএস । সংস্হাটির নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মুহিন স্বাক্ষরিত সম্মাননা স্মারক, সনদ ও অর্থসম্মানী এক প্রাণবন্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে দৌলতখান জেজেইউএস মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেয়া হয়েছে নির্বাচিত চার গুণীজনের হাতে । উপজেলার শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে মূল্যবান ভূমিকার জন্য জেজেইউএস সম্মাননা ২০২৪ লাভ করেছেন- জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলার সদস্য ও দৌলতখান উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কবি আমেনা ফাহিম ।

বিবি ফাহিমা। আমেনা ফাহিম নামেই সমধিক পরিচিত- আমেনা ফাহিম একাধারে একজন কবি, গীতিকার, ছড়াকার, গল্পকার ও বাচিক শিল্পী। তিনি পেশায় বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের গর্বিত একজন শিক্ষক।

বাংলাদেশেের বৃহত্তম দ্বীপজেলা ভোলার দৌলতখান উপজেলার সন্তান কবি আমেনা ফাহিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম এবং মা জাকিয়া বেগম।
তিন বোন দুই ভাই সহ মোট পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে তিনি প্রথম সন্তান। ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতিপ্রেমী পরিবারে তার বেড়ে ওঠা। মা বাবা দু’জনেই তাকে সকল কাজে উৎসাহ উদ্দীপনা যুগিয়েছেন।

দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে, দৌলতখান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন ২০০৪ সালে। ভোলার দৌলতখান সরকারি আবি আবদুল্লাহ কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন ২০০৬ সালে । এইচএসসি পাশের পর মামা মোশাররফ হোসেন সেলিমের কাছে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্যে বাড়ি থেকে চলে যান চট্রগ্রাম। আমেনা ফাহিম এর জীবনের সফলতায় তার মামা সেলিম এর অবদান তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। চট্রগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ থেকে অনার্স করে ঢাকা ইডেন কলেজ থেকে মাষ্টার্স সম্পন্ন করেন। পরে বিএড ও ডিপিএড প্রশিক্ষণও গ্রহণ করেন।
২০১৪ সালে তিনি তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের অধীনে আইসিটি ট্রেনিং কোর্স সম্পন্ন করেন এবং সার্টিফিকেট অর্জন করেন। চাকুরির পূর্বে তিনি ঢাকায় সেল এন্ড কর্নেল নামক একটি সফটওয়্যার কম্পানিতে প্রায় দুবছর কন্টেন্ট ডেভলপার পদে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে দক্ষতা ও সুনামের সাথে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।
তিনি করোনা কালীন সময়ে অনলাইন পাঠদানের জন্য করোনা যোদ্ধা শিক্ষক সম্মাননা পান শিক্ষার আলো ডট কম সংগঠন থেকে। শিক্ষক বাতায়নের একজন নিবেদিত শিক্ষক। মুক্তপাঠ এর বিভিন্ন কোর্সে অংশগ্রহণ করে সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন।
তিনি মাইক্রোসফট এডুকেটর সেন্টার এবং উই স্কুল টিচ ফর গুড থেকে মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর সার্টিফিকেট অর্জন করেন। এছাড়াও লিড ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন সহ করোনাকালীন সময়ে দেশ বিদেশের বিভিন্ন সংগঠন থেকে ট্রেনিং গ্রহন করেন এবং সার্টিফিকেট অর্জন করেন। শিক্ষক বাতায়ন ও শিক্ষক সংস্কৃতি আয়োজিত যৌথ অনুষ্ঠানে তিনি সেরা আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে সম্মাননা পান। ভোলা পিটিআইতে ডিপিএড প্রশিক্ষণ কালীন সময়ে তিনি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে নজরুল সঙ্গীতে প্রথম স্হান, নৃত্যে প্রথম স্থান এবং আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের জাতীয় আর্কাইভস ও গ্রন্হাগার অধিদপ্তরের তিনি একজন নিবন্ধিত কবি। গীতিকার হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশন বিটিভিতে প্রকাশিত তার প্রথম গান রুপকথার গল্প। গানটি ভীষণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
কলকাতার বই মেলায় হার্টবিটে কবিতার আনাগোনা নামক একটি যৌথকাব্যে তার ‘ভালোবাসি’ কবিতাটি প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে। ২০১৯ সালেও কলকাতা বই মেলায় হার্টবিটে কবিতার আনাগোনা ২ বইতে তার আরও একটি কবিতা প্রকাশিত হয়। এছাড়া অসংখ্য যৌথ কাব্য এবং ম্যাগাজিনে তার প্রকাশিত হয়েছে অসংখ্য কবিতা।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২ এ প্রকাশিত হয়েছে আমেনা ফাহিম-এর প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ “গোধূলীর আত্মকথন।” বইটিতে ৪৭ টি কবিতা রয়েছে। কবিতায় প্রকৃতি, প্রেম, দেশাত্মবোধ, সমসাময়িক এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রচিত লেখাগুলো স্থান পেয়েছে। ইতিমধ্যে বইটি পাঠক মহলে স্থান করে নিয়েছে। কলকাতা বইমেলা ২০২৪ প্রকাশিত হয়েছে দ্বিতীয় একক ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ অন্তদর্শন। একুশে বইমেলা ২০২৪ ছোটদের সময় প্রকাশনি থেকে প্রকাশিত হয়েছে শিশুতোষ ছড়ার বই “ঙ গেলো ব্যাঙের বাড়ি।”

আমেনা ফাহিম এর লেখা অন্যান্য কাব্যগুলো হলো- বঙ্গবন্ধু একটি মানচিত্র, আমি সেই মহাকাল, নারী তুমি রক্তাক্ত সেই পতাকা, একটা দ্রোহের কবিতা লিখলাম, আমিও মানুষ..।

শিক্ষক আমেনা ফাহিম দৌলতখান উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ২০২২ ও ২০২৩ নির্বাচিত হয়েছেন।
ভোলা জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ২০২৪ নির্বাচিত হয়ে কবিকূলের সম্মান বাড়িয়েছেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের শাশ্বত মূল্যবোধে উজ্জীবিত শিল্পী কবি আমেনা ফাহিম দেশ ও দশের কল্যাণে লিখে যেতে চান আজীবন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত রেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেছেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আমরা মাঠে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

কার্পেটিং কাজ শেষ হলে অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার পাশাপাশি নগরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

চট্টগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, অস্বস্তিতে ক্রেতারা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্রগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে চলছে অস্থিরতা। চাল-ডাল-তেলসহ সব ধরনের শাক-সবজির বাজারে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। বাজারে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে সীমিত আয়ের মানুষের।নগরীর কর্ণফুলী মার্কেট, রিয়াজ উদ্দিন বাজার, কাজির দেউড়ি, চকবাজার ও ২ নম্বর গেইট কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বরবটির দাম গত সপ্তাহের ৮০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ১২০ টাকা হয়েছে, কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। বেগুন গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ১৪০ টাকা, অর্থাৎ ২০ টাকা বেড়েছে। শিমের কেজি ২০০ থেকে ২১০; যা কিছুদিন আগেও ১৮০ থেকে ২০০ ছিল। কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। গত সপ্তাহে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৮০ টাকা। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙে ও করলার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পটলের দামও গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের সবজি বিক্রেতা শামসুল আলম বলেন, সবজির দাম প্রতিদিন একরকম থাকে না। পাহাড়তলী আড়তে সরবরাহ ও কেনা দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা বাজারে দাম কিছুটা ওঠানামা করে।
বহদ্দারহাট বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, বাজারে সবজির দাম এখনও পুরোপুরি সহনীয় পর্যায়ে আসেনি। একসঙ্গে কয়েক ধরনের সবজি কিনতে গেলে মোট খরচ বেশ বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের মাছ বিক্রেতা জুয়েল শেখ বলেন, আড়তে মাছের দাম বেশি থাকায় আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও অন্যান্য খরচও রয়েছে। তাই খুচরা বাজারে মাছের দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে বাজারে অনেকটা চড়া দামে ফার্মের মুরগি ও ডিম বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা।

চকবাজারের ডিম বিক্রেতারা জানান, ডিমের দাম কয়েকদিন ধরে প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম খুব একটা কমছে না। গত পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমে অনেক খামারে ডিম পাড়া ও ব্রয়লার মুরগির সংখ্যা কমেছে। এতে সার্বিকভাবে সরবরাহে ঘাটতি থাকায় ডিম-মুরগির দাম কমছে না।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ