আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ঈদুল আজহা উপকরনে কিনতে ব্যস্থ কোরবানিরা

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদুল আজহা একেবারে শেষ মুহূর্তে দিন শেষে জমে উঠেছে কাঠের গুঁড়ি-চাটাইয়ের কেনাবেচা রাত পোহালেই কোরবানির ঈদ। ঈদ সামনে রেখে কাঠের গুঁড়ি, চাটাইসহ কোরবানির আনুষঙ্গিক উপকরণ বেচাকেনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। এসব সামগ্রী নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর জেলা উপজেলার মোড়ে মোড়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসেছেন। নগরীর কোরবানি দাতাদের অনেকেরই কোরবানির পশু কেনা হয়ে গেছে। আর যারা এখনো কেনেন নি তাদের চলছে শেষ সময়ের ব্যস্ততা। কোরবানির পশু জবাই আর ভাগবাটোয়ারার জন্য প্রয়োজন দা,চুরির পাশাপাশি, কাঠের গুঁড়ি ও চাটাই। সাময়িক এই প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে দুই তিন দিন আগ থেকেই নগরীর পশুর হাটগুলোর আশপাশে এবং বিভিন্ন মোড়ে এসব সামগ্রী পসরা সাজিয়ে বসেছে অস্থায়ী দোকানগুলো। চট্টগ্রাম নগরীর মুরাদপুর এলাকায় বাসিন্দার সরওয়ার মাংস কাটার কাঠের গুঁড়ি বিক্রি করছেন । তিনি জানান, গাছের গুঁড়ি গুলো সাধারণত তেঁতুল গাছের হয়। তবে কেউ কেউ কড়ই গাছের গুঁড়িও কেনেন। যদিও কড়ই গাছের গুঁড়ি থেকে কাঠের গুঁড়া বেরিয়ে তা মাংসের সঙ্গে লেগে যায়। তবে বেল গাছের গুঁড়িও ভালো। সরওয়ার বলেন, ‘তেঁতুল ও কড়ই কাঠের গুঁড়ি নিয়ে এসেছি বাঁশখালী থেকে। তেঁতুল কাঠ হলে তিনশ থেকে চারশ, কড়ই কাঠ হলে দেড়শ থেকে দুইশ টাকায় বিক্রি করছি। নতুন ব্রীজ এলাকায় চাটাই বিক্রি করছেন কাদের ।

 

এক সপ্তাহ আগে পর্যন্তও একই জায়গায় ফুটপাতে তিনি কাঁঠালের ব্যবসা করতেন। এককথায় তিনি একজন মৌসুমি ব্যবসায়ী। কাদের বলেন, ‘যখন যেটা পাই সেটা করি। প্রতিবছর কোরবানিতে চাটাই নিয়ে আসি নোয়াখালী থেকে। এসব চাটাই তৈরি হয় হোগলা পাতা দিয়ে। ছয় হাত চাটাইয়ের দাম রাখছি ৪০০ টাকা। আশপাশের দোকানের আর ও পাবেন তবে সেগুলো পরিষ্কার না। আর বাঁশের চাটাইয়ে শরীর কেটে যায়। কাঠের গুঁড়ি আর চাটাইয়ের পাশাপাশি জমে উঠেছে কুড়া, খড়, ভুসি বেচাকেনাও। গম বা ছোলার ভুসি ছাড়াও গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন ভুসি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে। শুকনা খড়ের আটি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৫০ টাকায়। কাঁচা ঘাস বিক্রি হচ্ছে কম-বেশি ৫০ টাকা আঁটিতে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চবির নতুন উপাচার্য। 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।তিনি  দীর্ঘ তিন দশকের বেশি  শিক্ষকতা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে আসীন হচ্ছেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে  আজ সোমবার ১৬ মার্চ  এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চবির নতুন উপাচার্যের নাম ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

 ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ড. ফোরকানকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানশি

ক্ষকতা জীবনের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার।

******************************

ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অধ্যাপক। তিনি চবির উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৯৩ সালে একই বিভাগের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং ২০০৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। তিনি যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্ডিকা ধানের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক গবেষণার ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলে তেলবীজের গুণগত মান উন্নয়ন নিয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।

এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসে ভিজিটিং প্রফেসর ও গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য তিনি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (IDB)-এর মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি লাভ করেন।

২০০৪ সালে তাঁর উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর উদ্যোগে বিভাগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফাংশনাল জেনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স ল্যাবরেটরি (FGPL) এবং অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত গ্রিনহাউস।

 

এই ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ সিকোয়েন্সার, আরটি-পিসিআর, জিন পালসারসহ অত্যাধুনিক গবেষণা যন্ত্রপাতি রয়েছে। ফলে উদ্ভিদ টিস্যু কালচার ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, প্রোটিওমিক্স, জেনোমিক ও ট্রান্সক্রিপ্টোমিক বিশ্লেষণ, মানব ও অন্যান্য রোগের গবেষণা, মাইক্রোবায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্সসহ জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নত গবেষণা পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

 

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের করোনা মহামারির সময় তিনি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কার্যক্রমে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। ৩১ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে ড. আল-ফোরকানের প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৫১টি। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন।

গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি ইউএসডিএ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিসিসিটিসহ (BCCT), শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গারেই (GARE), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পসহ দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য সংস্থা থেকে ৫০টিরও বেশি গবেষণা অনুদান অর্জন করেছেন। গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে তিনি ৩৯ জন এমএস শিক্ষার্থীর থিসিস, সাতজন এম.ফিল গবেষক এবং একজন পোস্টডক্টরাল গবেষকের গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন।

এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত আছেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আঞ্জুমানে খুদ্দামুন নাস শারজাহ্ শাখার উদ্যােগে পবিত্র শোহাদায়ে বদর ও ইফতার মাহফিলের সমর্পণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আঞ্জুমানে খুদ্দামুন নাস শারজাহ শাখার উদ্যােগে পবিত্র শোহাদায়ে বদর শীর্ষক আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। গত (১৩ই মার্চ২৫ইং) শুক্রবার বাদে আসর ৪নং সানাইয়া পাকিস্তান সিগ্নেল পবিত্র শোহাদায়ে বদর দিবস শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিলে মুহাম্মদ একান্দর আলমের সঞ্চালনায়, অত্র শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল হক সাহেবের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে নূরানী ত্বকরীর পেশ করেছেন চট্টগ্রাম থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগত মেহমান, রাউজান উরকিরচর গাউছিয়া মোহাম্মদীয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও আল্লামা আব্দুল মালেক শাহ (রহঃ) কমপ্লেক্স ট্রাস্ট’র সম্মানিত চেয়ারম্যান আলা হযরত-এর রুহানি সন্তান, অধ্যক্ষ আল্লামা হাসান রেজা আল-কাদেরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আব্দুল মালেক শাহ (রহঃ) কমপ্লেক্স ট্রাস্ট’র সেক্রেটারি শাহজাদা মহিউদ্দীন মোহাম্মদ তৌসিফ রেজা আল কাদেরী,এতে আরো বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার গোলামোর রহমান,মাওলানা আব্দুস ছামাদ,মুহাম্মদ ওসমান, মুহাম্মদ আব্দুস সবুর,,মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, মুহাম্মদ কাজী মাসুদ,মুহাম্মদ শফিউল ইসলাম,মুহাম্মদ নাঈম উদ্দীন,মুহাম্মদ আবু বক্কর,মুহাম্মদ ওমর ফারুক, প্রমুখ,এতে বক্তারা আঞ্জুমানে খুদ্দামুন নাস বাংলাদেশের উদ্যোগে দেশে এবং প্রবাসে সংগঠনিক ভিবিন্ন বৃহত্তর মানবিক কর্ম ও কাজের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় তুলে ধরেন,এবং রমদ্বানের গুরুত্ব ও শোহাদায়ে বদর দিবসের যে শিক্ষা তার উপর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতার মাধ্যমে মুসলিম মিল্লাতের কি করনীয় শ্রোতাদের মাঝে আলোকপাত করেন, সর্বশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ