আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

জয়পুরহাট:

আনসার সদস্যর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

মো: গোলাম মোর্শেদ প্রতিনিধি পাঁচবিবি জয়পুরহাট।

পাঁচবিবি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় আনসার ভিডিপি’র কোম্পানি কমান্ডার মিঠু কবিরাজের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতী ও বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী জয়পুরহাট জেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এদিকে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জয়পুরহাট জেলা কমান্ড্যান্ট মির্জা সিফাত ই খোদা বলেন এঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অভিযুক্ত মিঠু কবিরাজ হলেন পাঁচবিবি উপজেলার রতনপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামের নাসির কবিরাজের ছেলে।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, বিভিন্ন সময়ে উপজেলায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ডিউটির তালিকায় নাম দেওয়ার অজুহাতে ওই নারীর সঙ্গে সর্ম্পক গড়ে তোলেন মিঠু কবিরাজ। কিন্তুু ওই নারীর আনসার ও ভিডিপির কোন প্রশিক্ষণ সনদ না থাকায় ৬ হাজার টাকায় তাকে একটি ভুয়া সনদ ( যার নং ৪০২১৮৯৭) তৈরী করে দেন মিঠু। এরপর সেই সনদ দিয়ে বিভিন্ন সময় ডিউটিও করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। এরপর সুযোগ বুঝে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে মিঠু।

সম্প্রতি গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ডিউটিতে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রশিক্ষণ সনদ, কাগজ পত্র বাবদ তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকাও নেয় মিঠু কবিরাজ। তবে নির্বাচন উপলক্ষে সদস্য যাচাই বাছাইয়ের সময় সনদটি জাল হওয়াই নির্বাচনী ডিউটিতে বাদ পড়েন ওই আনসার নারী সদস্য। আর এতেই দেখা দেয় আপত্তি। পরে এ নিয়ে তার সাথে বাকবিতন্ডাও হয়। একপর্যায়ে এ বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ভুক্তভোগী ওই নারীকে ভয় ভীতি ও প্রাণ নাশের এমন হুমকি দেয় মিঠু কবিরাজ। একারনে ওই নারী জেলা ও উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

এবিষয়ে মিঠু কবিরাজ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সঠিক নয়।

পাঁচবিবি উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা তৃপ্তি রাণী বলেন, এঘটনায় আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। তবে মেয়েটি মৌখিক ভাবে জানায় যে মিঠু তাকে জাল সনদ তৈরি করে দেয় এবং তার সঙ্গে খারাপ সম্পর্কের কথা বলেন।

জয়পুরহাট জেলা কমান্ড্যান্ট মির্জা সিফাত ই খোদা জানান, অভিযোগ পেয়েছি , এব্যাপারে ৩ সদস্যদের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাচনের কারনে তদন্ত হয়নি । এখন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ