আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

মুন্সিগঞ্জ:

গজারিয়ায় বখাটের হামলার শিকার চার বছরের শিশু; ৩দিনেও আসামি আটক না হওয়ায় স্বজনদের ক্ষোভ

মো: দুলাল সরকার গজারিয়া মুন্সিগঞ্জ:

গজারিয়া:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ৫ বখাটেদের হামলার শিকার হয়েছে চার বছরের এক শিশু। স্থানীয় লোকজন ওই পাঁচ তরুণের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় এ হামলা হতে পারে বলে ধারণা ওই শিশুর স্বজনদের। তবে ঘটনার তিন দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত কেউ আটক না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

হামলায় আহত ওই শিশুর নাম নাম তাহসিন (৪)। সে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের দত্তেরচর গ্রামের হান্নান মুন্সীর ছেলে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও হামলার শিকার শিশুটির মা রূপালী বেগম বলেন, স্থানীয় ৫ বখাটে শুভ, রমজান, শাকিল, জিহাদ ও রিমন প্রায় বিকেলে আমাদের বাড়ির সামনে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায়। রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তারা বিভিন্ন মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে বলে আমরা জানতে পেরেছি। স্থানীয় লোকজন সবাই তাদের এই কর্মকাণ্ডে বিরক্ত। গত মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে আটটার দিকে এরা পাঁচজন আরো কিছু লোকজন নিয়ে আমাদের মহল্লায় হামলা করে। এ সময় তারা আমার ঘরে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় এক লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে। আমি তাদের বাধাঁ দিতে গেলে আমাকে মারধর করে। এ সময় আমার চার বছরের শিশু পুত্র তাহিসন তাদের সামনে চলে আসলে তাকেও লোহার রড এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে তারা। আহত তাহসিনকে আমরা প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাদের ঢাকা পাঠিয়ে দেন।

তিনি আরো বলেনন, ‘আমার স্বামী বিদেশ থাকে, কোনদিন ওই বখাটে ছেলেদের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়নি। কেন তারা আমাদের বাড়িঘরে হামলা চালানো তা আমার জানা নেই। এ ঘটনায় আমি থানাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি তিন দিন হয়ে গেলো। এখনো পর্যন্ত কোনো আসামি আটক না হওয়ায় আমরা হতাশ’।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ মিয়া বলেন,’ ছেলেগুলো বখাটে স্বভাবের। প্রায় সময় দেখি রাস্তা দিয়ে হেটে তারা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে। এলাকাবাসীর বিভিন্ন কারণে তাদের উপর বিরক্ত’।

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাজিব খান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ