আজঃ শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬

নীলফামারী:

উজানের ভারী বর্ষনে বুড়ি তিস্তা নদীর বাঁধ ভেঙে দুই গ্রাম প্লাবিত’ পানি বন্দি ২শ পরিবার

আনোয়ার হোসেন ডিমলা নিলফামারী:

ডিমলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নীলফামারীর ডিমলায় বুড়ি তিস্তা নদীর বাঁধ ভেঙে দুই গ্রাম প্লাবিত। দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে সহস্রাধিক বিঘা আবাদি জমি।

স্থানীরা জানান, উজানের ঢল আর ভারি বৃষ্টিপাতে বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের নিজ সুন্দর খাতা গ্রামে বুড়ি তিস্তা নদীর মূল বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। এসময় বাঁধের অন্তত ২০০ মিটার অংশ বিধ্বস্ত হয়ে পানি প্রবেশ করে উত্তর সুন্দরখাতা, নিজ সুন্দরখাতা, মাঝিয়ালীর ডাঙ্গা গ্রামের ১০টি এলাকায় । এতে করে এসব গ্রামে শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। পানিতে তলিয়ে গেছে ৩০০ একর আবাদী জমি। এসব জমির আমন বীজতলা, মরিচ ও পাটসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হয়েছে।

নিজ সুন্দরখাতা গ্রামের গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান জানান, গ্রামের বুড়ি তিস্তা নদীর মূল বাঁধটি নির্মিত হয় ষাটের দশকে। এরপর থেকে আর সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্ন স্থান দুর্বল হয়ে পড়ে। এ কারণে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে বাঁধটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিল।

এরইমধ্যে উজানের ঢল আর ভারি বৃষ্টিপাতে বৃহস্পতিবার ভোরে বাঁধের ২০০ মিটার অংশ ভেঙে গিয়ে উত্তর সুন্দর খাতার খালপাড়া, নিজ সুন্দরখাতার মাঝিয়ালীর ডাঙ্গা গ্রামসহ ১০টি এলাকা প্লাবিত হয়। এতে দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। এ ছাড়াও পানিতে তলিয়ে গেছে ৩০০ একর আবাদী জমি। এসব জমির আমন বীজতলা, মরিচ ও পাটসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হয়েছে।

উত্তর সুন্দর খাতা খালপাড়া এলাকার শিক্ষক সত্যেন্দ্রনাথ রায় বলেন, অনেক পুরোনো ওই বাঁধটি শুধু সংস্কার করলেই হবে না। গ্রামতে একটি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে উত্তর সুন্দর খাতা খালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,নিজসুন্দর খাতার মাঝিয়ালির ডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ গ্রামের মানুষের ঘরবাড়ি, ফসল ক্ষেত, আবাদী জমি ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারের সুদৃষ্টি চাই আমরা গ্রামবাসী।

একই গ্রামের ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘শুধু বাঁধ ভেঙেই নয়, নদীতে ঢলের পানি আসায় বিভিন্ন স্থানে বাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করছে গ্রামে। দ্রুত মেরামত করা না হলে পানি জমে থাকা জমিতে আবাদ করা সম্ভব হবে না। আবাদ করতে না পারলে অনেক কৃষক পরিবার সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়বে’।

ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার আলী জানান, বুড়ি তিস্তার নদীর বাঁধ ভেঙে উত্তর সুন্দর খাতা, নিজ সুন্দর খাতা গ্রামের প্রায় এক হাজার বিঘা আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে মাঠে থাকা আমন ধানের বীজতলা, পাট ও মরিচসহ অন্যান্য ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণে কাজ চলছে।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌমলী মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিনা সে বিষয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় ভাঙা অংশসহ বাঁধ উপচে গ্রামে পানি প্রবেশ করছে। এতে করে ৩০০ একর আবাদী জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বিষটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ভাঙা অংশে পানির স্রোতে বেশি থাকায় মেরামত করা যাচ্ছে না এই মুর্হুতে। পানির স্রোত কমলেই বালির বস্তা ফেলে ভাঙা অংশ মেরামত কাজ শুরু হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় আজাদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে খুশি গ্রাম-পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। এসময় উপহার পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম, জয়নাল আবেদীন, হারুন রশীদ, পারভেজসহ অন্যান্য সদস্যরা।

জানা যায়, স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত উদ্যোগে গ্রাম পুলিশদের মাঝে এ ঈদ উপহার বিতরণ করেন। উপহার হিসেবে দেওয়া হয় পাঁচ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ।

উপহার গ্রহণকালে গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম বলেন, “ঈদের আগে এ ধরনের সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এতে আমাদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ আরও বাড়বে।”

এসময় স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, “গ্রাম পুলিশরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে ঈদের আগে সামান্য উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

ফেব্রুয়ারি ৪৪৮ দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত—যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ ০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার :বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের গণমাধ্যমে ৪৪৮ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত, ১১৮১ জন আহতের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই সময়ে রেলপথে ৩৪ টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত, নৌ পথে ০৬ টি দুর্ঘটনায় নিহত ০৪ জন ও আহত ০৫ জন হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৪৮৮ টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জন নিহত এবং ১১৯৭ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ১৫১ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৭ জন নিহত, ১৩৭ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৭০ শতাংশ, নিহতের ৩৭.৩৬ শতাংশ ও আহতের ১১.৬০ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১১৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছে, সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে ২২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে সংগঠনটি। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৫৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৯৩ জন চালক, ৭৬ জন পথচারী, ২০ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৮ জন শিক্ষার্থী, ০৪ জন শিক্ষক, ৬৩ জন নারী, ৫৫ জন শিশু, ০২ জন সাংবাদিক, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ০৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ০৩ জন পুলিশ সদস্য, ০৩ জন সেনা সদস্য, ০১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ০২ জন আনসার সদস্য, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৮৫ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭২ জন পথচারী, ৪৩ জন নারী, ৪১ জন শিশু, ৪৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৪ জন শিক্ষক ও ০৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৬৮৭ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৬.৩৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩.৭২ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫.২৮ শতাংশ বাস, ১৪.২৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৪.৮০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ৮.৮৭ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.৪৭ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪১.৭৪ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ৩৩.২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭.১৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৬.৪৭ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.২২ চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ১.১১ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪২.৬৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৫.৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩.৩৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৪৪ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.১১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে, ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় অনভিজ্ঞতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, নীতি ও কৌশলগত দুর্বলতা।
২. সারাদেশে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিক্সা ও নসিমন-করিমন সড়ক-মহাসড়কে অবাধে চলাচল।
৩. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা।
৪. সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধবাঁেকর সৃষ্টি।
৫. মহাসড়কের নির্মাণ ক্রটি, যানবাহনের ক্রটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৬. উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
৭. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন।
৮. বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় উন্নত বিশ্বের নীতি ও কৌশল অনুসরন করা।
২. দক্ষ চালক তৈরির জন্য চালকদের ইনক্লুসিভ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা।
৩. সিসি ক্যামরা পদ্ধতিতে ট্রাফিক আইনের প্রসিকিউশন পদ্ধতি চালু করা।
৪. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা।
৫. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৬. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৭. সড়ক পরিবহন আইন উন্নত বিশ্বের আদলে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রয়োগ করা।
৮. সারাদেশে উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৯. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
১০. মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন ও দীর্ঘদিন যাবত ফিটনেসহীন যানবাহন স্ক্যাপ করার উদ্যোগ নেওয়া।
১১. মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা আমদানী ও নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ করা ।
১২. বিআরটিএ ও ট্রাফিক বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
১৩. রাজধানীসহ দেশের সকল নগরীতে করিডোর ভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা।
১৪. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশী-বিদেশী দক্ষ ও অভিজ্ঞ, বিশেষজ্ঞ লোকজনদের সমন্ময়ে একটি বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্স গঠন করা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ