আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বানিজ্যিক রাজধানী:

হামলাকারী ইউপি সদস্যকে গ্রেফতারে সাংবাদিকদের আল্টিমেটাম, দায়িত্বে অবহেলা করলেই কঠোর আন্দোলন

চট্টগ্রাম অফিস:

বাঁশখালী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ভয়—ভীতি প্রদর্শনপূর্বক সাংবাদিকের স্বাধীনতা হরণ, হামলা, মামলা ও নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলাকারী ইউপি সদস্য মোঃ আনোয়ারুল ইসলামসহ তার সহকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থা (চসাস) ও চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকরা প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার (২০জুন) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চসাস সভাপতি সৈয়দ দিদার আশরাফীর সভাপতিত্বে ও রাজীব দাস তুষারের সঞ্চালনায় আন্দোলনকারী সাংবাদিকরা হামলাকারী ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। বাঁশখালী থানা পুলিশ ভুক্তভোগীর পক্ষে বারবার মামলা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও মামলা না নেওয়ায় আন্দোলনরত সাংবাদিকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। তারা বলেন, মামলা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সময় অতিবাহিত করা হয়েছে। এমনটা উচিত নয়। যদি আগামী শুক্রবারের মধ্যে থানা পুলিশ মামলা না নেয় তাহলে আমরা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করব। সেই সাথে মামলা নেয়ার কথা বলে সময় বিলম্বের কারণে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে ওসিসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আমরা আদালতে মামলা করব। কে কোথায় অনিয়ম করছে আমাদের সব জানা আছে। প্রয়োজনে আমরা থলের বিড়াল খুঁজে বের করব।

চসাস সাধারণ সম্পাদক ওসমান এহতেসাম বলেন, বাঁশখালী উপজেলার ৩নং খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দীন হায়দারের চাল চুরির দুর্নীতি গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় সাংবাদিক গাজী গোফরানের বড় ভাই মোঃ বোরহান উদ্দিনের উপর অভিযুক্ত ইউপি সদস্য চেয়ারম্যানের নির্দেশে হামলা করে। এমনকি সাংবাদিকের মায়ের শাড়ি ধরে টানা হেচড়া করে। উল্টো তিনিই আবার টাকা ও মদদদাতাদের সুপারিশে সরকারি কাজে বাধার অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে। যা ইউপি সদস্য নিজে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন। এমন অন্যায় হতে দেয়া যায় না। আমরা এই অপরাধের শাস্তি চাই। আমরা একদিনের আল্টিমেটাম দিলাম। যদি এই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা না হয় আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামব।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে সাংবাদিক গাজী গোফরান বলেন, তাদের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পরের দিন আমার ভাই বাজারে যাওয়ার সময় ওই ইউপি সদস্য তার পথ আটকে দেয়। জানতে চান, তোর ভাই কেন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিউজ করেছে। আমার বড় ভাই এ বিষয়ে আমার সাথে কথা বলতে বললেই, তাকে বেধরক থাপ্পড় ও কিল ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আত্ম রক্ষার্থে আমার ভাই ছুটাছুটি করলে তার গালে থাপ্পড় লাগে। আমার মতে, নিজেকে আত্মরক্ষা করা দোষের না। সবাই বাঁচতে চায়।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চসাস’র অন্যতম সংগঠক প্রণবরাজ বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মানবকন্ঠ প্রতিনিধি ওমর ফারুক, সহ-সাংগঠনিক পলাশ কান্তি নাথ, অনুষ্ঠান সম্পাদক ঈসা মোহাম্মদ, বাংলাদেশ কৃষক আম জনতার মহাসচিব সাংবাদিক মনজুরুল আলম, দৈনিক জনবাণী প্রতিনিধি আইয়ুব মিয়াজী, সাংবাদিক মোঃ জাহিদুল ইসলাম, চসাস সদস্য জিয়াউল ইসলাম জিয়া, সদস্য সেলিম রেজা, ক্রাইম রিপোর্টার আব্দুল মোমিন, কবি অভিলাষ মাহমুদ, সংগঠক মীর বরকত হোসেন, সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর, হাফেজ আহমেদ, সাংবাদিক আব্দুল সাত্তার টিটু, চসাস সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ জামশেদ ও মোঃ সাজ্জাদ।

উল্লেখ্য, বাঁশখালী উপজেলার জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল সঠিকভাবে বন্টন করা হচ্ছে কিনা তা দেখতে গত ১২ জুন সকালে খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে যান চট্টগ্রাম বাঁশখালী—১৬ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান সিআইপি। যেখানে ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ে। এই অনিয়মের তথ্য পেয়ে গত ১৩ জুন সংবাদ প্রকাশ করে সরকার নিবন্ধিত জেএ টিভি প্রতিনিধি সাংবাদিক গাজী গোফরান। উক্ত সংবাদ প্রকাশের জের ধরে গত শুক্রবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় খানখানাবাদ জেলেপাড়া বাজার এলাকায় ইউপি সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা মিলে গাজী গোফরানের বড় ভাই মোঃ বোরহান উদ্দিনের উপর হামলা করে। এমনকি ঘন্টা দুইয়ের ব্যবধানে পুরুষ শূন্য বাড়িতে প্রবেশ করে নিরুপায় নারীদের শাড়ি ধরে টানা হেচড়া করে ওই ইউপি সদস্য ও তার লোকজন। কিন্তু এ ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করতে সরকারি কাজে বাঁধা দেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ এনে উল্টো ওই ভুক্তভোগী পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। পরে আবার সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নানা জনের তদবিরে রচিত মামলার কথাও স্বীকার করেন ওই ইউপি সদস্য। দাবি করেন, আরেকটু সময় পেলে অবস্থা খারাপ হতো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতেই নিচু এলাকা প্লাবিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মাত্র ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতে অনেক নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। রাস্তা প্লাবিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরীর নিচু এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকাতে সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। এসব এলাকার রাস্তাগুলো নোংরা পানিতে ডুবে আছে। ফলে চলাচল করা কঠিন হয়ে উঠে। কোথাও হাঁটু, কোথাওবা কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি। ছুটির দিনেও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিট স্থায়ী এই বৃষ্টিতেই নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়।

এসব এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকালের মাত্র আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার সড়কগুলো দ্রুত পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহনগুলো মাঝপথেই আটকে যাচ্ছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া সাধারণ মানুষের গন্তব্যে পৌঁছাতে যেমন দীর্ঘ সময় ব্যয় হচ্ছে, তেমনি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তায় জমে থাকা হাঁটু সমান পানি মাড়িয়েই পথচারীদের কষ্ট করে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

তবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার জন্য চিরচেনা এলাকা প্রবর্তক মোড়ে অবশ্য এবার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মেগা প্রকল্পের আওতায় সেখানকার হিজড়া খালের মুখে বাঁধ দিয়ে চলমান কাজের সুবাদে প্রবর্তক মোড়ে আগের মতো পানি জমেনি। তবে প্রবর্তক মোড় রক্ষা পেলেও এর আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো ঠিকই পানিতে ডুবে ছিল। ফলে সামগ্রিক ভোগান্তি খুব একটা কমেনি।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের বিএফও মাহবুবুল আলম বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে মাত্র ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে মেঘের ঘনত্বের কারণে অল্প সময়ে তীব্র বৃষ্টি হওয়ায় নিচু এলাকায় পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নগরবাসীর অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক তদারকি ও খালগুলোর সংস্কার কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামকে এখনো ডুবতে হচ্ছে।

কাতালগঞ্জের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বহু বছর ধরে আমরা একটু বৃষ্টি হলেই পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছি। একের পর এক মেগা প্রকল্প আসে, কিন্তু আমাদের কষ্টের কোনো শেষ নেই। আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতে যদি এই অবস্থা হয়, সামনের দিনগুলোতে কী হবে?
ভোগান্তিতে পড়া রিকশাচালক মো. জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বহুদিন ধরে আমরা এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। ছুটির দিন হলেও আমাদের তো আয়ের আশায় বের হতে হবে। কিন্তু রাস্তায় পানি উঠে যাওয়ায় রিকশা চালানো যাচ্ছে না। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ