আজঃ বুধবার ১৩ মে, ২০২৬

ডেঙ্গুতে রেকর্ড ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হাজার ছাড়াল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সর্বোচ্চ ১০৫৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬২৮ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২৬ জন।

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৩৩০৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঢাকার ৫৩ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ২৩০৬ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৯৯৭ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৮৯৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ১০ হাজার ২৯২ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪ হাজার ৬০৫ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ হাজার ৫১১ জন। ঢাকায় ৭ হাজার ৯২১ এবং ঢাকার বাইরে ৩ হাজার ৫৯০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত (১১ জুলাই) ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

টিআই/এমজে

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু ৪৬ বছরে পা রাখলো মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো মনিরুজ্জামান। এতে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ.এম. রায়হান উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম। হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.ইয়াছিন আরাফাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেবুন নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান (মিজান) এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সেমিনারে বক্তারা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত ও রক্তজাত উপাদানের সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তারা বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুজনিত জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. তাহমিদ জুনায়েদ মাহমুদ, ডা. সাফওয়ান মাহমুদ, মার্কেটিং ম্যানেজার রতন কুমার নাথ, বিডিএম ম্যানেজার গোলাম রব্বানী, সার্ভিস ম্যানেজার লুৎফুর রহমান, আই টি ম্যানেজার মোঃ উছা, সহকারী ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমানসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

স্বাস্থ্যসেবা জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় ১৫ উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চলছেনা জেনারেটর


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: তীব্র লোডশেডিংয়েও জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর থাকলেও তা চালু করা যাচ্ছে না।যার ফলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

লোডশেডিংয়ের মধ্যে জ্বালানি বরাদ্দ প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, জেনারেটরের জন্য একেবারে জ্বালানি বরাদ্দ নেই-এমন নয়। দুটি খাতে জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হয়-একটি যানবাহনের জন্য, অন্যটি হাসপাতালের গ্যাস বাবদ। তবে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে জ্বালানির চাহিদা বেড়ে গেছে, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্তভাবে বিবেচনায় নিচ্ছে না। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

জানা গেছে, জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রামে বন্ধ রয়েছে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র। তীব্র লোডশেডিংয়ে নাকাল পুরো দেশ। এর প্রভাব পড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ঘাটতির কারণে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এতে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এদিকে, গত এক সপ্তাহে নগরীর তুলনায় উপজেলাগুলোতে লোডশেডিংয়ের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা। কোথাও কোথাও দিনে-রাতে মিলিয়ে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জরুরি বিভাগ, ল্যাব পরীক্ষা ও অন্যান্য সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষ করে রাতের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। এতে শিশু ও বয়স্ক রোগীরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জ্বালানির জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) থেকে আলাদা কোনো বরাদ্দ থাকে না। ফলে কর্মকর্তারা হাসপাতালের অন্যান্য খাতের বরাদ্দ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে জেনারেটর চালু রাখার চেষ্টা করেন। তবে দিনে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং হওয়ায় জ্বালানি অপ্রতুল হয়ে পড়ছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব বলেন, সারা দেশের মতো লোডশেডিংয়ের প্রভাব আমাদের হাসপাতালেও পড়েছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় রোগীদের সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। তারপরও আমরা সাধ্যমতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি।রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. টিপলু কান্তি বলেন, আমরা জেনারেটর চালাতে পারছি না। লোডশেডিং বেশি হওয়ায় আইপিএস ব্যবহার করছি।

এদিকে হাসপাতালের জ্বালানি সংকট নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার নুর মোহাম্মদ বলেন, লোডশেডিং এখন সারা দেশের সমস্যা। তারপরও আমরা হাসপাতাল ও জরুরি সেবাকেন্দ্রগুলোতে লোডশেডিং কম রাখার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে নতুন নির্দেশনা এসেছে, যাতে জরুরি স্থাপনাগুলোতে পৃথক লাইন চালুর কথা বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ