আজঃ মঙ্গলবার ৩ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চক্ষু চিকিৎসা সেবা পেল ৬৩০ জন।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের উত্তর কাট্টলীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা উপলক্ষে উক্ত ক্যাম্পে হিন্দু, মুসলিম ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ মোট ৬৩০ জন মানুষ চক্ষু ও সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

সোমবার দিনব্যাপী শ্রীশ্রী সেবাখোলা ও বৈকুন্ঠ ধাম উৎসব উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে উত্তর কাট্টলী সেবাখোলা মন্দির প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে আগত সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চক্ষু চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা করে লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট। ওষুধ সরবরাহে সহযোগিতা করে এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম। তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণে ধর্মীয় সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসাসেবা মানুষের মৌলিক চাহিদা। এ ধরনের বিনামূল্যের ক্যাম্প সাধারণ মানুষের জন্য বড় সহায়তা।সভাপতিত্ব করেন শ্রীশ্রী সেবাখোলা ও বৈকুন্ঠ ধামের আহ্বায়ক সলিল সেন। এছাড়া এন্টন দাশ, ইকবাল, জুয়েল শীল, বিরাজ মণি আচার্য্য ও আশীষ দাশ বক্তব্য দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহিলা সংরক্ষিত আসনে ত্যাগী ও যোগ্য নেত্রী গোলতাজ বেগমকে চট্টগ্রাম মহানগর থেকে মনোনীত করার আহ্বান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চট্টগ্রাম নগরে গত ৩৮ বছরে ধরে ত্যাগী ও যোগ্য নেত্রীদের তালিকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও কেন্দ্রীয় মহিলা দল নেত্রী গোলতাজ বেগমের নাম উল্লেখযোগ্য। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অনেক জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৮ সালের মহানগর বিএনপির কমিটিতে তার বাবা ২৮নং ওয়ার্ডের বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সে সময় থেকে তার পরিবার বিএনপির আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত তার ধারাবাহিকতায় গোলতাজ বেগম চট্টগ্রাম কলেজে ১৯৮৮ থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে শুরু করে অদ্যবধি অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। তার স্বামী বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম।

১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ২৮নং ওয়ার্ডের কমার্স কলেজ এলাকায় আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের আক্রমণে তার বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অগ্নি সংযোগ করা হয়েছিল। জীবন ঝুকি নিয়ে গোলতাজ বেগম, তার ভাইদের সহযোগিতায় সে নির্বাচনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও পরবর্তীতে উপ-নির্বাচনে আমির খসরু মাহমুদকে নির্বাচিত করার জন্য প্রান্তিক পর্যায়ে সাংগঠনিক কাজ করেন। ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ২৮নং ওয়ার্ডে নিজ বসতবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ছত্র ছায়ায় তার বাড়ি ঘর এবং সামনের দোকান দখল করে রাখে। ২০২০ এর করোনা কালীন সময়ে এলাকার মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করার স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর স্বাক্ষরিত স্বীকৃতি পত্র প্রদান করেন। একজন শিক্ষিত, মার্জিত এবং উদ্যোক্ত পরিচালক হিসেবে সমাজে তার অবদান অনশীকার্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জন্য সকল ওয়ার্ডে গণসংযোগ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। গোলতাজ বেগম ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ সাড়ে সতের বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় ঢাকায় জাতীয় রাজনীতিতে এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক রাজনীতিতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সুখে দুঃখে পাশে ছিলেন। তাই তার উল্লেখযোগ্য কাজ বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত চট্টগ্রাম মহানগর আসন থেকে গোলতাজ বেগমকে মনোনীত করার জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি নগরের ১৫টি থানার এবং ৪১টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের প্রান্তিক মহিলা নেত্রীবৃন্দ সহ সামাজিক, ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতি দাতারা হলেন যথাক্রমে, রাহেলা সুলতানা, কামরুন্নেছা, খাদিজা বেগম, তানিয়া আক্তার, কমলা বেগম, তানজিনা আলম, সুইটি আক্তার, বেনু রানী শীল, ঋতুপর্ণা বড়ুয়া, সৃষ্টি গোমেজ, শাহনাজ আক্তার, পারভীন সুলতানা, সাহানা সিদ্দিকা, বৃষ্টি বড়ুয়া, মরিয়ম বেগম, পারভিন খাতুন, হেনা বেগম, মালা আক্তার, সাবিহা সুলতানা, কুসুম আক্তার, কামরুন্নাহার ডলি, সাহানুর সুলতানা, রেজিয়া বেগম, হাসনা বানু, জুলেখা আক্তার, মরিয়ম বেগম, মনি আক্তার, মুক্তা বেগম, রাশেদা বেগম, ইশরাত জাহান, উম্মে কুলসুম, হাবিবা আক্তার, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলোড়ন ক্লাবের কার্যকরী কর্মকর্তাবৃন্দ আল হেরা সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, খাতুনগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বৃহত্তর চট্টগ্রামের গার্মেন্টস্ কর্মকর্তা-কর্মচারী নেতৃবৃন্দ উল্লেখযোগ্য।

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার বাদে জুমা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্স উন্নয়ন ও মুসল্লি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে সাবেক মন্ত্রী মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক অবিচল যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তার সাহসী ভূমিকা অবিস্মরণীয়। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয়। চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসনীয়।তিনি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, ইস্ট ডেল্টা ইউনির্ভাসিটি, স্বৈরাচার বিরোধী ৯০ গণ আন্দোলনে শহীদের স্মৃতি রক্ষায় প্রতিষ্ঠা করেন এন এম জে মহাবিদ্যালয়। জনগণের কল্যাণে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ আজও চট্টগ্রামের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

দোয়া মাহফিলে মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। এছাড়া শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। মুসল্লি পরিষদের সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে মরহুম আব্দুল্লাহ আল নোমানের অবদান চট্টগ্রামবাসী আজীবন মনে রাখবে। তিনি এ অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বিশেষ করে বিভিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগ আজও স্মরণীয়।চট্টগ্রামসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থাপনায় তাঁর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান অনস্বীকার্য। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই মসজিদটিকে ঘিরে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান সেই স্বপ্নের সার্থক রূপ দিয়েছেন।

বিশেষ অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অনন্য এক নেতা। তিনি কেবল চট্টগ্রাম নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে এক কিংবদন্তি পুরুষ। তিনি শুধু নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি ছিলেন নেতাদের নেতা, আমাদের সবার অভিভাবক। চট্টগ্রামে ৮০’র দশকে যখন শহীদ জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পরে বিএনপি অনেকটা দূর্বল হয়ে গিয়েছিল। তখন বিএনপিকে পুনর্জাগরণ করেছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। নোমান ভাই শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা। তাঁর সাহস, সততা এবং দেশপ্রেম আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মো. মহসিন, মো. কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মুসল্লি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুর রহমান, বিএনপি নেতা মন্জুর রহমান চৌধুরী, জাকির হোসেন, নুর হোসাইন প্রমুখ।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ