আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধ: গ্রাম আদালতের রায় অবমাননা

মোঃ সিফাত রানা চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :

শিবগঞ্জ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় দায়েরকৃত অভিযোগ গ্রাম আদালতের বিচারের রায়কে অবমাননা করেছেন প্রতিপক্ষ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ আদালতে পিরোজপুর গ্রামের গাজলুর রহমানের ছেলে মো. আজমীর শরীফ গ্রাম আদালতের সমাধান চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে গ্রাম আদালতের বিচারকদের বিচক্ষুন্নতার বিশ্লেষণ শেষে রায় ঘোষণা করা হলে প্রতিপক্ষ মৃত সমুরুদ্দিনের ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন দিং অমান্য করে গ্রাম আদালতের রায় অবমাননা করেন। এর প্রেক্ষিতে অমিমাংসিত সালিশ রেখেই বিচারকার্য শেষ করেন এবং একতরফা প্রতিবেদন প্রদান করেন সালিশি বোর্ড।
জানা গেছে ৭ মার্চ উভয় পক্ষ বিরোধীয় জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য উভয় পক্ষে সার্ভেয়ার দ্বারা জমি জরিপের জন্য শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং সদস্য মো. আব্দুস সালাম কে সালিশি সভার সভাপতি করা হয়। জমি জরিপ শেষে উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে ৭ সদস্য বিশিষ্ট সাব কমিটি গঠন করা হয়। সালিশি সাব কমিটি বিচার বিশ্লেষণ শেষে বিরোধীয় জমির সীমানা নির্ধারণা করা হয়। এবং তাদের নিজ নিজ সীমানা বুঝিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে বাদি পক্ষ বিচার মেনে নিলেও বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বার তাদের সার্ভে কে মেনে না নিয়ে গ্রাম আদালতকে অবমাননা করায় সালিশি সভার সভাপতি অমিমাংসিতভাবে সালিশি সভা শেষ করেন।
অভিযোগকারী আজমীর শরীফ জানান, আমাদের পৈতৃক সম্পতি বণ্টন করা হয়েছে। কিন্তু সীমানা নিয়ে প্রতি নিয়ত বিরোধ করছেন আলাউদ্দিনের মেয়ে জামাই আঃ জাব্বার। তিনি সমাজের সালিশি মানেন না। তিনি তাঁর শ^শুরকে দিয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন। আমাদের পৈতৃক সম্পতিতে তাঁর এতো কেন নাক গলা? তিনি জামাই, জামাইয়ের মত হয়ে থাকবেন।
এদিকে, বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে বাসায় পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজামুল হক রানা জানান, মো. আজমীর শরীফ তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আমার কাছে সমাধানের জন্য আবেদন করেছিলেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশি সভায় বসা হয়েছিল। কিন্তু বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বার তাদের সার্ভে কে মেনে না নিয়ে গ্রাম আদালতকে অবমানন করায় অমিমাংসিতভাবে সালিশি সভা শেষ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আজ বুধবার চারঘাট মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন এই দম্পতি। পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলার ওই দম্পতি প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার বিকেলে ট্রেনে পপকর্ন বিক্রির জন্য বাড়ি থেকে বের হন।

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি শেষে রাত প্রায় ১টার দিকে তারা সরদহ স্টেশনে নামেন। পরে স্টেশনসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে বিস্কুট খাচ্ছিলেন তারা। এ সময় এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারী প্রথমে স্বামীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং তাকে একটি পরিত্যক্ত দোকানের পাশে বেঁধে রাখে। এরপর তার স্ত্রীকে স্টেশনসংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় তাদের পপকর্ন বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী স্বামী জানান, তিনি চিৎকার করলে প্রায় ৪৫ মিনিট পর আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তিনি জঙ্গল থেকে তার স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে অভিযুক্তের নাম আশরাফুল ইসলাম বলে জানতে পারেন। আশরাফুল চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

চট্টগ্রামের আবাসিক হোটেলে অভিযানে গ্রেফতার-১১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকায় মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে রাজাখালীর ইউনিপার্ক হোটেলে এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. শাহীন (২০), মো. কামাল উদ্দীন (২৫), মো. নয়ন (২৬), শারমিন আক্তার (১৯), রিনা আক্তার (৩৮), বিউটি আক্তার (২০), শারমিন আক্তার (২০), মো. ইউসুফ (৩২), মনি আক্তার (২৫), মো. শাহাদাত হোসেন (২৫) এবং মনি আক্তার (১৯)।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, এদের বিরুদ্ধে সিএমপি অধ্যাদেশের ৭৬ ধারায় নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নম্বর মূলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ