আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধ: গ্রাম আদালতের রায় অবমাননা

মোঃ সিফাত রানা চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :

শিবগঞ্জ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় দায়েরকৃত অভিযোগ গ্রাম আদালতের বিচারের রায়কে অবমাননা করেছেন প্রতিপক্ষ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ আদালতে পিরোজপুর গ্রামের গাজলুর রহমানের ছেলে মো. আজমীর শরীফ গ্রাম আদালতের সমাধান চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে গ্রাম আদালতের বিচারকদের বিচক্ষুন্নতার বিশ্লেষণ শেষে রায় ঘোষণা করা হলে প্রতিপক্ষ মৃত সমুরুদ্দিনের ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন দিং অমান্য করে গ্রাম আদালতের রায় অবমাননা করেন। এর প্রেক্ষিতে অমিমাংসিত সালিশ রেখেই বিচারকার্য শেষ করেন এবং একতরফা প্রতিবেদন প্রদান করেন সালিশি বোর্ড।
জানা গেছে ৭ মার্চ উভয় পক্ষ বিরোধীয় জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য উভয় পক্ষে সার্ভেয়ার দ্বারা জমি জরিপের জন্য শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং সদস্য মো. আব্দুস সালাম কে সালিশি সভার সভাপতি করা হয়। জমি জরিপ শেষে উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে ৭ সদস্য বিশিষ্ট সাব কমিটি গঠন করা হয়। সালিশি সাব কমিটি বিচার বিশ্লেষণ শেষে বিরোধীয় জমির সীমানা নির্ধারণা করা হয়। এবং তাদের নিজ নিজ সীমানা বুঝিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে বাদি পক্ষ বিচার মেনে নিলেও বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বার তাদের সার্ভে কে মেনে না নিয়ে গ্রাম আদালতকে অবমাননা করায় সালিশি সভার সভাপতি অমিমাংসিতভাবে সালিশি সভা শেষ করেন।
অভিযোগকারী আজমীর শরীফ জানান, আমাদের পৈতৃক সম্পতি বণ্টন করা হয়েছে। কিন্তু সীমানা নিয়ে প্রতি নিয়ত বিরোধ করছেন আলাউদ্দিনের মেয়ে জামাই আঃ জাব্বার। তিনি সমাজের সালিশি মানেন না। তিনি তাঁর শ^শুরকে দিয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন। আমাদের পৈতৃক সম্পতিতে তাঁর এতো কেন নাক গলা? তিনি জামাই, জামাইয়ের মত হয়ে থাকবেন।
এদিকে, বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে বাসায় পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজামুল হক রানা জানান, মো. আজমীর শরীফ তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আমার কাছে সমাধানের জন্য আবেদন করেছিলেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশি সভায় বসা হয়েছিল। কিন্তু বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বার তাদের সার্ভে কে মেনে না নিয়ে গ্রাম আদালতকে অবমানন করায় অমিমাংসিতভাবে সালিশি সভা শেষ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ