আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধ: গ্রাম আদালতের রায় অবমাননা

মোঃ সিফাত রানা চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :

শিবগঞ্জ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় দায়েরকৃত অভিযোগ গ্রাম আদালতের বিচারের রায়কে অবমাননা করেছেন প্রতিপক্ষ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ আদালতে পিরোজপুর গ্রামের গাজলুর রহমানের ছেলে মো. আজমীর শরীফ গ্রাম আদালতের সমাধান চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে গ্রাম আদালতের বিচারকদের বিচক্ষুন্নতার বিশ্লেষণ শেষে রায় ঘোষণা করা হলে প্রতিপক্ষ মৃত সমুরুদ্দিনের ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন দিং অমান্য করে গ্রাম আদালতের রায় অবমাননা করেন। এর প্রেক্ষিতে অমিমাংসিত সালিশ রেখেই বিচারকার্য শেষ করেন এবং একতরফা প্রতিবেদন প্রদান করেন সালিশি বোর্ড।
জানা গেছে ৭ মার্চ উভয় পক্ষ বিরোধীয় জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য উভয় পক্ষে সার্ভেয়ার দ্বারা জমি জরিপের জন্য শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং সদস্য মো. আব্দুস সালাম কে সালিশি সভার সভাপতি করা হয়। জমি জরিপ শেষে উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে ৭ সদস্য বিশিষ্ট সাব কমিটি গঠন করা হয়। সালিশি সাব কমিটি বিচার বিশ্লেষণ শেষে বিরোধীয় জমির সীমানা নির্ধারণা করা হয়। এবং তাদের নিজ নিজ সীমানা বুঝিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে বাদি পক্ষ বিচার মেনে নিলেও বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বার তাদের সার্ভে কে মেনে না নিয়ে গ্রাম আদালতকে অবমাননা করায় সালিশি সভার সভাপতি অমিমাংসিতভাবে সালিশি সভা শেষ করেন।
অভিযোগকারী আজমীর শরীফ জানান, আমাদের পৈতৃক সম্পতি বণ্টন করা হয়েছে। কিন্তু সীমানা নিয়ে প্রতি নিয়ত বিরোধ করছেন আলাউদ্দিনের মেয়ে জামাই আঃ জাব্বার। তিনি সমাজের সালিশি মানেন না। তিনি তাঁর শ^শুরকে দিয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন। আমাদের পৈতৃক সম্পতিতে তাঁর এতো কেন নাক গলা? তিনি জামাই, জামাইয়ের মত হয়ে থাকবেন।
এদিকে, বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে বাসায় পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজামুল হক রানা জানান, মো. আজমীর শরীফ তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আমার কাছে সমাধানের জন্য আবেদন করেছিলেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশি সভায় বসা হয়েছিল। কিন্তু বিবাদী পক্ষের আঃ জাব্বার তাদের সার্ভে কে মেনে না নিয়ে গ্রাম আদালতকে অবমানন করায় অমিমাংসিতভাবে সালিশি সভা শেষ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ