আজঃ রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

মুগদা মেডিকেলে নিত্যদিনের ‘যুদ্ধ’ লিফটে ওঠা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মো. গফুর মিয়া। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে যাবেন তিনি। লিফটের সামনে লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছেন আরও অনেক রোগী ও তাদের স্বজনরা।

লিফট নিচ থেকে উপরে গিয়ে আবার ফিরে আসতে সময় লেগে গেল প্রায় পাঁচ মিনিট। এরপর নিচে এসে দরজা খুলতেই হুড়োহুড়ি করে ভেতরে উঠতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন সবাই। এক পর্যায়ে লিফটটি পূর্ণ হয়ে গেল। গফুর মিয়া ও তার স্বজনরা উঠতে পারল না। জ্বরে কাবু গফুর মিয়া বসে পড়ল হাসপাতালের মেঝেতে।

পাঁচ মিনিট পর আবারও লিফট নিচে আসল। এবার জায়গা হলো গফুর মিয়ার।

হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসা বেশিরভাগ রোগীকেই লিফটে ওঠার এমন ‘অকারণ যুদ্ধে’ জয়ী হয়ে ডাক্তারের কাছে কিংবা ওয়ার্ডে যেতে হয় বলে জানা গেছে।

সোমবার (১০ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান করে লিফটে ওঠার জন্য রোগী ও স্বজনদের কষ্ট করার নানা চিত্র দেখতে পায় ঢাকা পোস্ট।

উপস্থিত রোগীরা বলছেন, লিফটের এ ভোগান্তি এখানকার নিয়মিত চিত্র। অথচ এই হাসপাতালে বড় বড় ৫টি লিফট আছে। কর্তৃপক্ষ এটা দেখেও না দেখার ভান করে আছে।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মো. গফুর মিয়া। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে যাবেন তিনি। লিফটের সামনে লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছেন আরও অনেক রোগী ও তাদের স্বজনরা।

লিফট নিচ থেকে উপরে গিয়ে আবার ফিরে আসতে সময় লেগে গেল প্রায় পাঁচ মিনিট। এরপর নিচে এসে দরজা খুলতেই হুড়োহুড়ি করে ভেতরে উঠতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন সবাই। এক পর্যায়ে লিফটটি পূর্ণ হয়ে গেল। গফুর মিয়া ও তার স্বজনরা উঠতে পারল না। জ্বরে কাবু গফুর মিয়া বসে পড়ল হাসপাতালের মেঝেতে।

পাঁচ মিনিট পর আবারও লিফট নিচে আসল। এবার জায়গা হলো গফুর মিয়ার।

হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসা বেশিরভাগ রোগীকেই লিফটে ওঠার এমন ‘অকারণ যুদ্ধে’ জয়ী হয়ে ডাক্তারের কাছে কিংবা ওয়ার্ডে যেতে হয় বলে জানা গেছে।

সোমবার (১০ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান করে লিফটে ওঠার জন্য রোগী ও স্বজনদের কষ্ট করার নানা চিত্র দেখতে পায় ঢাকা পোস্ট।

উপস্থিত রোগীরা বলছেন, লিফটের এ ভোগান্তি এখানকার নিয়মিত চিত্র। অথচ এই হাসপাতালে বড় বড় ৫টি লিফট আছে। কর্তৃপক্ষ এটা দেখেও না দেখার ভান করে আছে।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মো. গফুর মিয়া। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে যাবেন তিনি। লিফটের সামনে লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছেন আরও অনেক রোগী ও তাদের স্বজনরা।

লিফট নিচ থেকে উপরে গিয়ে আবার ফিরে আসতে সময় লেগে গেল প্রায় পাঁচ মিনিট। এরপর নিচে এসে দরজা খুলতেই হুড়োহুড়ি করে ভেতরে উঠতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন সবাই। এক পর্যায়ে লিফটটি পূর্ণ হয়ে গেল। গফুর মিয়া ও তার স্বজনরা উঠতে পারল না। জ্বরে কাবু গফুর মিয়া বসে পড়ল হাসপাতালের মেঝেতে।

পাঁচ মিনিট পর আবারও লিফট নিচে আসল। এবার জায়গা হলো গফুর মিয়ার।

হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসা বেশিরভাগ রোগীকেই লিফটে ওঠার এমন ‘অকারণ যুদ্ধে’ জয়ী হয়ে ডাক্তারের কাছে কিংবা ওয়ার্ডে যেতে হয় বলে জানা গেছে।

সোমবার (১০ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান করে লিফটে ওঠার জন্য রোগী ও স্বজনদের কষ্ট করার নানা চিত্র দেখতে পায় ঢাকা পোস্ট।

উপস্থিত রোগীরা বলছেন, লিফটের এ ভোগান্তি এখানকার নিয়মিত চিত্র। অথচ এই হাসপাতালে বড় বড় ৫টি লিফট আছে। কর্তৃপক্ষ এটা দেখেও না দেখার ভান করে আছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে আরো ২৩ শিশু হাসপাতালে : হামের উপসর্গ


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ২৩ শিশুকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া দুই শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে শনিবার পর্যন্ত চট্টগ্রামের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে ৯২ শিশু চিকিৎসাধীন। আর হাম শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে।এরমধ্যে সম্প্রতি এক শিশু মারা গেছে।
শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার হাম শনাক্ত ও সন্দেহজনক ৯২ শিশু ভর্তি আছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছে ১৯ শিশু।নতুন করে এদিন হাম পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে কেউ না এলেও এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে ৪১৩টি। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত ৪১ জনের হাম শনাক্ত হয়।

চট্টগ্রাম মহানগরে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৩ লাখের বেশি শিশু।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৩ লাখের বেশি শিশু। বৃহস্পতিবার লালদীঘির পাড়ে চসিক পাবলিক লাইব্রেরি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।

এ সময় মেয়র নগরের শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত মাসব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে বলে জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন। বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) শেখ ফজলে রাব্বী, সিভিল সার্জন ড. জাহাঙ্গীর আলম, চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ডা. হোসনে আরা, ডা. তপন কুমার, ডা. খাদিজা আহমেদ, ডা. আব্দুল মজিদ শিকদার, ইউনিসেফের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর ডা. ইমং প্রো চৌধুরী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক ফাহমিদা বেগম।

মেয়র আরো বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় এবং পরবর্তীতে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি এমনকি মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি।তিনি জানান, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

চসিক সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পেইনে ৭টি জোনের ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৪৮টি স্থায়ী টিম, ২০৫টি অস্থায়ী টিম, ৪১টি মপ-আপ টিম এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন চালু থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টিকা গ্রহণের জন্য অভিভাবকদের ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধন না থাকলেও কোনো শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হবে না। বিশেষ করে বস্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।

মেয়র আরও জানান, ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতকরণ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় সভা, মাইকিং ও গণসচেতনতা কার্যক্রম।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচি সফল করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সাংবাদিক, শিক্ষক, ইমাম, পেশাজীবীসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই আমরা একটি সুস্থ, নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে পারবো।
আগামী ২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে এ টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন হবে।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ