আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

অমিতাভ বচ্চন ভারতীয় চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় অভিনেতা, প্রযোজক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাবেক রাজনীতিবিদ

বিনোদন রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অমিতাভ বচ্চন জন্ম: অক্টোবর ১৯৪২। তিনি হলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাবেক রাজনীতিবিদ। ১৯৭০-এর প্রথম দিকে তিনি বলিউড চলচ্চিত্র জগতে “রাগী যুবক, হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। অমিতাভের পুত্র অভিনেতা অভিষেক বচ্চন, এই জন্য অমিতাভ ‘বিগ বি’ বা বড় বচ্চন নামেও পরিচিত। বলিউডের শাহেনশাহ ও সহস্রাব্দের সেরা তারকা হিসেবে পরিচিত বচ্চন তাঁর পাঁচ দশকের অধিক সময়ের কর্মজীবনে ২০০টির অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁহাকে ভারতীয় চলচ্চিত্র তথা বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর একচ্ছত্র আধিপত্যের জন্য ফরাসি চলচ্চিত্র সমালোচক ও পরিচালক ফ্রঁসোয়া ত্রুফো তাঁকে “একক-ব্যক্তি চলচ্চিত্র শিল্প” বলে অভিহিত করেন। বচ্চন তাঁর কর্মজীবনে অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন; তন্মধ্যে রয়েছে ৪টি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ১৫টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ফিল্মফেয়ারে অভিনয়ের জন্য প্রদত্ত পুরস্কারের বিভাগে তিনি সর্বাধিক মনোনয়ন পাওয়ার রেকর্ড করেছেন। অভিনয় ছাড়াও তাঁকে নেপথ্য গায়ক, চলচ্চিত্র প্রযোজক, টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও দেখা গেছে। তিনি গেম শো ফ্র্যাঞ্চাইজ হু ওয়ান্টস টু বি আ মিলিয়নিয়ার-এর ভারতীয় সংস্করণ কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানের কয়েকটি মৌসুমের সঞ্চালনা করেন। ১৯৮০-এর দশকে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত ভারতীয় সংসদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছিলেন।শিল্পকলায় তাঁর অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে ভারত সরকার তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী, ২০০১ সালে তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ, এবং ২০১৫ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণে ভূষিত করে। বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অনন্য কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৭ সালে ফ্রান্স সরকার তাঁকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা লেজিওঁ দনরের নাইট উপাধিতে ভূষিত করে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম সিআরবি’র বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনে সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাঙা মাটির রঙে চোখ জুড়ালো, সাম্পান মাঝির গানে মন ভরালো, রুপের মধু সুরের যাদু কোন সে দেশে, মায়াবতী মধুমতি বাংলাদেশে, এই অনুভূতি বুকে ধারণ করে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করেছে “সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী” সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সুজন মজুমদার এর পরিচালনায় এ দলীয় সংগীত পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। এসময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা রূপ নেয় এক মিলনমেলায়। যেখানে সকাল থেকেই গান, কবিতা, নৃত্য আর আলপনার রঙে ভরে ওঠে ছিলো পুরো সিআরবি প্রাঙ্গণ। যেখানে মিলেছে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের সুর আর গানে, কবিতায় ও নৃত্যের তালে তালে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নেয় বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা।

সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মঞ্চে একের পর এক পরিবেশিত হয় দেশাত্মবোধক গান, লোকসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা। এসময় বৈশাখী সাজে সেজে আসা মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবের রঙ ছড়িয়ে ছিলো চারদিকে। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই নানা বয়সী মানুষের ঢল নামে সিআরবি প্রাঙ্গণে। ঢাক-ঢোলের তাল, রবীন্দ্র-নজরুলের গান, আর রঙিন পোশাকে দর্শনার্থীর পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে চট্টগ্রামের শিরীষ তলা খ্যাত সিআরবি। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এখানেই যেন মিলেছে উৎসব, ঐতিহ্য আর বাঙালিয়ানা।

ঈদ ছুটিতে পর্যটক পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ ছুটিতে পর্যটক পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো।
বিভিন্ন পর্যটন স্পটের পাশাপাশি কাপ্তাই হ্রদে ট্যুরিস্ট বোট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।
রাঙামাটির পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে গিয়ে দেখা যায়, পর্যটকদের পদচারণায় ঝুলন্ত সেতুটি। ঝুলন্ত সেতুর পাশ থেকেই ট্যুরিস্ট বোট ভাড়া নিয়ে কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।

এছাড়া পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের সানরাইজ ইকো পার্কেও অবকাশযাপন করছেন ভ্রমণপ্রেমীরা। অন্যান্য সময়ের তুলনায় ঝুলন্ত সেতু এলাকাটি এখন আরো বেশি মুখর হয়ে উঠেছে। এছাড়া রাঙামাটির পলওয়েল পার্ক, ডিসি বাংলো পার্ক, শিশু পার্ক, আসামবস্তি ব্রিজ,আসামবস্তি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কে পর্যটক
ও স্থানীয়দের উপস্থিতি অনেকটা বেড়েছে।
তবে এবারের ঈদে রাঙামাটির অন্যতম নতুন আকর্ষণ সড়ক বিভাগের সওজ লেকভিউ গার্ডেন। প্রায় শত প্রজাতির ফুলের এই বাগানে পর্যটকদের থেকেও স্থানীয়রা বেশি ভিড় জমাচ্ছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তায় স্থানীয় পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি।

এদিকে, ঈদকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির মেঘ-পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালিতেও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। সাজেকের শতাধিক রিসোর্ট-কটেজ শতভাগ বুকিং বলছে সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি। রাঙামাটি সদর, কাপ্তাই উপজেলার রিসোর্টগুলোও প্রায় শতভাগই বুকিং। ভিড় বেড়েছে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও।রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক বলেন-আমাদের মোটেলের ৮০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে। ঈদের দিন থেকেই পর্যটকরা রাঙামাটি এসেছেন । ঝুলন্ত সেতুর পাশাপাশি সানরাইজ ইকো পার্কে বেড়াচ্ছেন।

ঝুলন্ত সেতুর টিকেট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক জানান- রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার পর্যটক টিকেট কেটে পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে প্রবেশ করেছেন।সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মণ বলেন-আজকে (রোববার) থেকে পর্যটকরা সাজেক আসা শুরু করেছেন। আমাদের রিসোর্ট কটেজগুলো ২৮ মার্চ পর্যন্ত শতভাগ বুকিং রয়েছে। আজকে প্রথম দিনে কতজন পর্যটক এসেছে তা সন্ধ্যার পরে জানাতে পারব। তবে কেউ যদি রুম না পেয়ে থাকলে তাদের জন্যও থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ