আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

লিভার সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে যেসব খাবার 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নানা অনিয়মের কারণে আধুনিক জীবনে মানুষের শরীরে বাসা বাঁধছে বিভিন্ন রোগ। এর মধ্যে লিভারের রোগ অন্যতম। 

বেশ কিছু খাবার আছে, যেগুলো লিভার সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। 

হলুদ লিভার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। সে কারণে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ-হলুদ রাখা যেতে পারে। সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদ আর মধু খেলেও উপকার পাবেন।

লিভারের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো রসুন। প্রতি দিন দুই থেকে তিনটি রসুন দিয়ে রান্না করা খাবার খান। সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাসও শুরু করতে পারেন। 

আঙুরও লিভারকে টক্সিনমুক্ত করতে দারুণ কাজ করে। এতে থাকে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও বেশ উপকারী। 

লিভার ভালো রাখতে সাহায্য করে গ্রিন টি। লিভারে দূষিত পদার্থ জমা হওয়ায় স্থূলতা রোগ দেখা যায়। গ্রিন টি সেই দূষিত পদার্থ দূর করে। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে দুধ চা কিংবা কফি না খেয়ে গ্রিন টিতে চুমুক দিতে পারেন। 

আপেলও লিভার সুস্থ রাখে। তাই প্রতি দিনের টিফিনে কয়েক টুকরো আপেল রেখে নিতে পারন। খিদেও মিটবে আর লিভারও চাঙ্গা থাকবে। 

লিভার পরিষ্কার রাখতে ব্রকোলিও ভীষণ উপকারী। এই সবজির নিজস্ব কোনও স্বাদ নেই বলে অনেকেই এই সবজি খেতে চান না। কিন্তু সালাদ হিসাবে বা সবজিতে দিয়ে ব্রকোলি খেতে পারলে খুব উপকার পাবেন।  

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এডিসের প্রজনন দুর্গ খুঁজতে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিশেষ কীটতাত্ত্বিক ও ডেঙ্গু জরিপ


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


প্রতি বছর জুলাই মাস এলেই চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে ৪ থেকে ৫ গুণ বেড়ে যায়। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট ২০৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের মে মাসে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১৬ জন, সেখানে চলতি বছরের মে মাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ জন। এছাড়া গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৮৬৪ জন। যদিও আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি ছিল। গত বছর চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তারের মূলে ছিল এডিস মশার অস্বাভাবিক প্রজনন।

বিগত বছরের সেই বিষাদ অভিজ্ঞতা ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এবার ডেঙ্গুর মূল মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই মাঠে নেমেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মশার বংশবিস্তার চিহ্নিত করতে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে একযোগে শুরু হয়েছে বিশেষ কীটতাত্ত্বিক ও ডেঙ্গু জরিপ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১০ দিনব্যাপী এই বিশেষ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে জরিপকারী দলের সদস্যরা কোতোয়ালীর পাথরঘাটা, ফিরিঙ্গি বাজার, আন্দরকিল্লা, মোমিন রোড, নন্দনকাননসহ আশপাশের এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া বায়েজিদ এলাকার শেরশাহ ও আশপাশের এলাকাতেও মশার লার্ভা শনাক্তে ল্যাব-নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। একই সাথে কাজির দেউড়ি, ব্যাটারি গলি ও বাগমনিরাম এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনেও পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের এই বিশেষ টিম।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চলতি বছরের ৮ জুন থেকে মাঠপর্যায়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে কীটতাত্ত্বিকদের বিশেষ টিম এই জরিপ পরিচালনা করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই জরিপের মাধ্যমে নগরের কোন কোন ওয়ার্ডে এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব (ব্রেটো ইনডেক্স) বেশি, তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগাম প্রস্তুতি হিসেবে আমরা কাজ শুরু করেছ।

এদিকে, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত বছর (২০২৫) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৮৬৪ জন। যদিও আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি ছিল। যারা বাসায় থেকে চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন।

এদিকে, সিভিল সার্জন দপ্তর থেকে পাওয়া গত ছয় মাসের পরিসংখ্যান (১১ জুন ২০২৬ পর্যন্ত) বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট ২০৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের মে মাসে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১৬ জন, সেখানে চলতি বছরের মে মাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ জন। আর চলতি জুনের প্রথম ১১ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। আক্রান্তের এই চিত্র গত বছরের তুলনায় বেশ স্বস্তিদায়ক মনে হলেও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এখনই নিশ্চিন্ত হতে নিষেধ করছেন।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি বছর জুলাই মাস এলেই চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে ৪ থেকে ৫ গুণ বেড়ে যায়। ২০২৩ সালের জুন মাসে যেখানে আক্রান্ত ছিল ২৮৩ জন, জুলাইয়ে তা এক লাফে পৌঁছায় ২ হাজার ৩১১ জনে। একইভাবে ২০২৫ সালের জুনে ১৭৬ জনের বিপরীতে জুলাইয়ে আক্রান্ত হয় ৪৩০ জন। যার চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে।

চিকিৎসকদের মতে, জুলাই মাস থেকেই চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর আসল ‘পিক সিজন’ বা বিপজ্জনক সময় শুরু হয়। আর সেই হিসাব অনুযায়ী ডেঙ্গু বিস্তার ঠেকানোর জন্য নগরের এডিসের প্রজনন দুর্গগুলো খুঁজতে জুনের আগাম এই জরিপ।

এদিকে, স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠপর্যায়ে জরিপ করে ‘এডিসের হটস্পট’ বা রেড জোনগুলো চিহ্নিত করে দিলেও, মশক নিধনের মূল দায়িত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক)। স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া এই ‘বৈজ্ঞানিক গাইডলাইন’ বা ম্যাপ ব্যবহার করে চসিক এবার কতটা সফলভাবে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালাতে পারে, তার ওপরই নির্ভর করছে চলতি বছরের ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি বলেন, ইতিমধ্যে মশক নিধনের জন্য বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নেয়া হয়েছে। এর বাইরে স্বাস্থ্য বিভাগের জরিপের ফলাফল হাতে আসলে, তাদের মতামতের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যক্রম চালানো হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বছর যে অস্বাভাবিক প্রজননের কারণে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছিল, এবার মৌসুমের শুরুতেই মাঠপর্যায়ে জরিপ ও লার্ভা চিহ্নিতকরণের এই উদ্যোগ এবং চসিকের ক্রাশ প্রোগ্রাম শতভাগ কার্যকর হলে চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব ঠেকানো সম্ভব হবে।

চট্টগ্রামে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এমআরআই মেশিন উদ্বোধন


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামে ১ম বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ১৮০ চ্যানেলের থ্রি তেসলা এমআরআই মেশিন নিয়ে এসেছে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড চট্টগ্রাম শাখা। চট্টগ্রামবাসীর চিকিৎসাসেবায় বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তির আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সমৃদ্ধ ম্যাগনেটম লুমিনা প্রো এডিশন থ্রি তেসলা এমআরআই মেশিনের কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বুধবার (৩ মে) সকালে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এমআরআই মেশিনের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পপুলার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান সিআইপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে মানুষের জীবনধারণে পরিবর্তনের কারণে রোগ-ব্যাধিও বাড়ছে। সঠিক রোগ নির্ণয়ে বিজ্ঞানের আবিষ্কার আধুনিক যন্ত্রপাতি। রোগ নির্ণয় করা গেলে চিকিৎসাও সহজ হয়। এক্ষেত্রে থ্রি তেসলা এমআরআই মেশিন রোগীদের উপকারে আসবে। চট্টগ্রামবাসীর চিকিৎসা সেবায় অত্যাধুনিক এমআরআই মেশিন সংযোজন করার জন্য পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. মোস্তাফিজুর রহমান সিআইপি বলেন, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার হতে আন্তর্জাতিকমানের সেবা গ্রহণ করার জন্য চট্টগ্রামের চিকিৎসকসমাজ ও চট্টগ্রামবাসীর প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি নতুন এই এমআরআই মেশিন সম্পর্কে বলেন, রোগীরা এখন ৩/৪ মিনিটের মধ্যে ব্রেইন এবং স্পাইনের সকল এমআরআই করতে পারবেন। এছাড়াও শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গের এমআরআই আগের চেয়ে অর্ধেক সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারবেন। চট্টগ্রামবাসীর সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে আসা আরো নতুন ও অত্যাধুনিক মেশিন চট্টগ্রামবাসীর চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধিতে সংযোজন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে পপুলার গ্রুপে প্রায় ২৬ হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারী মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড চট্টগ্রাম শাখার সিনিয়র ব্যবস্থাপক ওয়ালী আশরাফ খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক নিউরোসার্জন ডা. মঈনউদ্দিন মো. ইলিয়াছ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড শান্তিনগর শাখার ডিজিএম মো. শাহী মাহমুদ, চট্টগ্রাম শাখার সহকারি ব্যবস্থাপক সুজন কান্তি দে, সহকারি ব্যবস্থাপক উজ্জ্বল বড়ুয়া, সহকারি ব্যবস্থাপক (মার্কেটিং) মো. বেলাল হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে পপুলারের সর্বস্তরের কনসালটেন্ট, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ