আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

সুনামগঞ্জ:

তাহিরপুরে বাগলি চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের নতুন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত 

মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর সুনামগঞ্জ:

তাহিরপুর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাগলী চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের নব নিযুক্ত পরিচালনা কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার রাত নয়টায় বাগলী বাজারস্থ আমদানি কারক  গ্রুপের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য বিগত ০২/০৬/২০২৪ ইং তারিখে বাগলি চুনাপাথর আমদানি কারক গ্রুপের ২১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা কমিটির অনুমোদন দেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট রনজিত চন্দ্র সরকার। 

গ্রুপের সভাপতি শাহজাহান খন্দকারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সকল আমদানি কারক ও লেবার সর্দারগন অংশগ্রহণ করেন। 

এ সময় আমদানি কারকদের সমসাময়িক সমস্যাগুলো তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন গ্রুপের সহ-সভাপতি এবং ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন, অর্থ সম্পাদক ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহিদুল হায়দার লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুরজামাল, হক ট্রেডিংয়ের প্রতিনিধি এরশাদ আলী, লেবার সর্দার সমিতির সভাপতি আক্কাস আলী, সাধারণ সম্পাদক রুকন উদ্দিন প্রমুখ।

আলোচনা সভায় শুল্ক স্টেশনের রাস্তা মেরামত এবং চুনাপাথর  পরিবহনের সময় নির্ধারনের উপর গুরুত্বারোপ করেন ব্যবসায়ীগন।  সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ভোর ৫টা থেকে চুনাপাথর পরিবহন শুরু করে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলমান রাখার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

বাগলী চুনাপাথর আমদানি কারক গ্রুপের সভাপতি শাহজাহান খন্দকার জানান, আমাদের শুল্ক ষ্টেশনের সমস্যাগুলো স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে আমরা সকল ব্যবসায়ী এবং লেবার সর্দারদেরকে নিয়ে একটি জরুরি সভা আহ্বান করেছিলাম। সভায় সকল ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে  কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত গুলো ব্যবসায়ীদের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে। আমরা কার্যকরি কমিটির সদস্যরা বাগলী আমদানি কারক গ্রুপের সকল ব্যবসায়ীদের স্বার্থে ভারতীয় রপ্তানি কারকদের সাথে শীঘ্রই আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত  নিয়েছি। কারন অনেক রপ্তানি কারক আছেন যারা একমাসের মধ্যে মাল ডেলিভারি দেবার কথা বলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এলসি নিয়ে মাল দিতে ছয় মাস/এক বছর অতিক্রম করে ফেলে। যার দরুন মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয় আমাদের আমদানি কারকরা।এই আলোচনার মাধ্যমে আমদানি কারকদের চুনাপাথর আমদানি সংক্রান্ত সকল জটিলতার নিরসন হবে বলে আশা প্রকাশ করছি।  সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে কোনো সমস্যাই সমস্যা না। অনেক কঠিন কাজ সহজে করা সম্ভব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মৌলভীবাজারে যুব ইউনিয়নের বিক্ষোভ;দেশীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন জেলা কমিটির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি আয়কর আইনজীবী আবু রেজা সিদ্দিকি ইমন এবং পরিচালনা করেন যুবনেতা অ্যাডভোকেট আবুল হায়দার মোঃ তরিক।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ড. মুহাম্মদ ইউনুছের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করেছে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময়ে তেল আমদানি করতে দেশকে মার্কিন অনুমতির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুক মিয়া, জেলা কমিটির সদস্য জহরলাল দত্ত, যুবনেতা অ্যাডভোকেট সুকান্ত নন্দি এবং ছাত্রনেতা জ্যোতিষ মোহন্ত। এছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি, যুব ইউনিয়ন ও ছাত্র ইউনিয়নের জেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা চুক্তিটি বাতিলের দাবি জানান এবং সতর্ক করে বলেন,যদি তা না হয়, কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্য আজীবন বহিস্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্যকে আজীবন বহিষ্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটির অনুষ্ঠিত ৮ম সভায় জানানো হয়, বহিষ্কৃত সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে বিতাড়িত ও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নাম ব্যবহার করে বর্তমান নির্বাচিক ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় আজীবন বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

একই সঙ্গে প্রেস ক্লাবের শৃংঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকা এবং প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে নানাবিধ সুবিধা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে বহিস্কৃত সদস্য মনজুর কাদের মনজুর বিরুদ্ধে। আর বিগত সময়ে তার বিরুদ্ধে বেশকিছু স্কুলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে। এসব অপকর্মের কারণে প্রেস ক্লাবের ঐহিত্য ও সুনাম নষ্ট করায় প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কৃত মনজুর কাদের মনজুকেও আজীবন বহিষ্কার করা হয়। এবং বহিষ্কৃত এই দুই সদস্যকে প্রেস ক্লাব ও প্রেস ক্লাবের আশপাশের এলাকায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপ খুলে সাংবাদিকদের সম্মানহানিকর তৎপরতার বিরুদ্ধে সভা থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। এবং যারা এ ধরনের তৎপরতার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ব্যবস্থাপনার কমিটির নেতৃবৃন্দরা জানান, বহিষ্কৃত এই দুইজনের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ বা লেনদেন না করার জন্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের প্রতি বিনীতি অনুরোধ জানানো হয়।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সিএমইউজের সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম ও সাইফুল ইসলাম শিল্পী এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ