আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

ফ্যাসিবাদের দোসররা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

গোলাম মাওলা মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক, Strongest প্রেস ক্লাব।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটিকে বিভিন্নভাবে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা এবং ক্লাবের ঐতিহ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর ও উস্কানিমূলক প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

আজ শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের, চট্টগ্রামে সম্পাদক পরিচয়ে পরিচিত এক ব্যক্তির প্ররোচনায়, তার ফেসবুক পেজে একপেশে ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এটি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের বিভিন্ন মহলকে বিভ্রান্ত করার একটি অপচেষ্টা।

বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অপকর্ম এবং দুর্নীতি নিয়ে সাহসিকতাপূর্ণ প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে পরিচিতি লাভ করেছেন, তা আমাদের নিকট প্রশংসিত ছিল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণ একপেশে, উসকানিমূলক এবং সত্যের অপলাপ মাত্র। আমরা মনেকরি চট্টগ্রামে ফ্যাসিবাদের দোসররা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সম্পর্কে উনাকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য সরবরাহ করছে।
উক্ত বিভ্রান্তি নিরসনে এবং প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বক্তব্য হচ্ছে-

বিনোদনমূলক কর্মসূচি (হাউজি) সংক্রান্ত বিভ্রান্তি
“””””””””””””””””””””””””””””””””””
জুলকারনাইন সায়ের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের একটি সামাজিক সমাবেশ (হাউজি) নিয়ে আপত্তি তুলে বর্তমান কমিটিকে দায়ী করছেন। অথচ তিনি খোঁজ নিলে জানতে পারবেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলোতে দীর্ঘকাল ধরে নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই ধরনের বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ক্লাবের সদস্যদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়। পূর্ববর্তী সকল কমিটির আমলেও এটি সচল ছিল, অথচ বর্তমান কমিটিকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

ফ্যাসিবাদের দোসরদের পৃষ্ঠপোষকতা
==========================
গত ১৭ বছর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকে ফ্যাসিবাদী সাংবাদিক গোষ্ঠী কুক্ষিগত করে রেখেছিল। সেখানে ফ্যাসিবাদের অনুগত সাংবাদিক ছাড়া অন্য সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। জুলকারনাইন সায়ের সম্ভবত জানেন না যে, এই ফ্যাসিবাদী সাংবাদিকরাই জুলাই বিপ্লবের সময় রাজপথে থাকা ছাত্র-জনতা এবং নারী শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে, এমনকি গোয়েন্দা সংস্থাকে তথ্য দিয়ে মুক্তিকামী মানুষের ওপর নির্যাতন চালাতে সহায়তা করেছে। আজ যখন সেই বঞ্চিত সাংবাদিকরা তাদের অধিকার ফিরে পেয়েছেন, তখন সায়ের সাহেবের পোস্টগুলো কার্যত সেই পলাতক ফ্যাসিবাদের দোসরদেরই সমর্থন যোগাচ্ছে।

প্রকৃত অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন করুন
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে যে, আওয়ামী আমলের লুটপাটের টাকা এবং ইয়াবা ব্যবসার অবৈধ অর্থে যারা সংবাদপত্র খুলে বসেছেন এবং জুলাই আন্দোলনে খুনের সাথে যারা পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত, তারাই এখন সংঘবদ্ধভাবে বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি শহীদ আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার আসামিদের পৃষ্ঠপোষকতায়ও এই গোষ্ঠীর নাম উঠে আসছে।

বর্তমান কমিটির মানবিক অবস্থান
++++++++++++++++++++++++
জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতার পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে এই ফ্যাসিবাদী সাংবাদিকদের রক্ষা করেছিলেন বর্তমান কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকরাই। অথচ সেই সাংবাদিক গোষ্ঠী এখন অনুশোচনার পরিবর্তে পুনরায় দখলদারিত্বের স্বপ্নে বিভোর হয়ে লবিং ও প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছে।

আমাদের আহ্বান: আমরা সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সাহেবকে অনুরোধ করব, আপনি প্রকৃত সত্য যাচাই না করে অগণতান্ত্রিক এবং লুটপাটকারী চক্রের ক্রীড়নক হবেন না। যারা সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে ইয়াবা ব্যবসা, লুটপাট এবং ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতনে লিপ্ত ছিল, তাদের মুখোশ উন্মোচন করাই হবে আপনার মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিকের প্রকৃত কাজ। আমরা আপনাকে বর্তমান কমিটির সাথে সরাসরি কথা বলার এবং প্রকৃত চিত্র সরেজমিনে দেখার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সবসময় স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় আপসহীন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ