ফ্যাসিবাদের দোসররা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

গোলাম মাওলা মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক, Strongest প্রেস ক্লাব।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটিকে বিভিন্নভাবে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা এবং ক্লাবের ঐতিহ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর ও উস্কানিমূলক প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

আজ শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের, চট্টগ্রামে সম্পাদক পরিচয়ে পরিচিত এক ব্যক্তির প্ররোচনায়, তার ফেসবুক পেজে একপেশে ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এটি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের বিভিন্ন মহলকে বিভ্রান্ত করার একটি অপচেষ্টা।

বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অপকর্ম এবং দুর্নীতি নিয়ে সাহসিকতাপূর্ণ প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে পরিচিতি লাভ করেছেন, তা আমাদের নিকট প্রশংসিত ছিল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণ একপেশে, উসকানিমূলক এবং সত্যের অপলাপ মাত্র। আমরা মনেকরি চট্টগ্রামে ফ্যাসিবাদের দোসররা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সম্পর্কে উনাকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য সরবরাহ করছে।
উক্ত বিভ্রান্তি নিরসনে এবং প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বক্তব্য হচ্ছে-

বিনোদনমূলক কর্মসূচি (হাউজি) সংক্রান্ত বিভ্রান্তি
“””””””””””””””””””””””””””””””””””
জুলকারনাইন সায়ের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের একটি সামাজিক সমাবেশ (হাউজি) নিয়ে আপত্তি তুলে বর্তমান কমিটিকে দায়ী করছেন। অথচ তিনি খোঁজ নিলে জানতে পারবেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলোতে দীর্ঘকাল ধরে নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই ধরনের বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ক্লাবের সদস্যদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়। পূর্ববর্তী সকল কমিটির আমলেও এটি সচল ছিল, অথচ বর্তমান কমিটিকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

ফ্যাসিবাদের দোসরদের পৃষ্ঠপোষকতা
==========================
গত ১৭ বছর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকে ফ্যাসিবাদী সাংবাদিক গোষ্ঠী কুক্ষিগত করে রেখেছিল। সেখানে ফ্যাসিবাদের অনুগত সাংবাদিক ছাড়া অন্য সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। জুলকারনাইন সায়ের সম্ভবত জানেন না যে, এই ফ্যাসিবাদী সাংবাদিকরাই জুলাই বিপ্লবের সময় রাজপথে থাকা ছাত্র-জনতা এবং নারী শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে, এমনকি গোয়েন্দা সংস্থাকে তথ্য দিয়ে মুক্তিকামী মানুষের ওপর নির্যাতন চালাতে সহায়তা করেছে। আজ যখন সেই বঞ্চিত সাংবাদিকরা তাদের অধিকার ফিরে পেয়েছেন, তখন সায়ের সাহেবের পোস্টগুলো কার্যত সেই পলাতক ফ্যাসিবাদের দোসরদেরই সমর্থন যোগাচ্ছে।

প্রকৃত অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন করুন
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে যে, আওয়ামী আমলের লুটপাটের টাকা এবং ইয়াবা ব্যবসার অবৈধ অর্থে যারা সংবাদপত্র খুলে বসেছেন এবং জুলাই আন্দোলনে খুনের সাথে যারা পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত, তারাই এখন সংঘবদ্ধভাবে বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি শহীদ আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার আসামিদের পৃষ্ঠপোষকতায়ও এই গোষ্ঠীর নাম উঠে আসছে।

বর্তমান কমিটির মানবিক অবস্থান
++++++++++++++++++++++++
জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতার পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে এই ফ্যাসিবাদী সাংবাদিকদের রক্ষা করেছিলেন বর্তমান কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকরাই। অথচ সেই সাংবাদিক গোষ্ঠী এখন অনুশোচনার পরিবর্তে পুনরায় দখলদারিত্বের স্বপ্নে বিভোর হয়ে লবিং ও প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছে।

আমাদের আহ্বান: আমরা সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সাহেবকে অনুরোধ করব, আপনি প্রকৃত সত্য যাচাই না করে অগণতান্ত্রিক এবং লুটপাটকারী চক্রের ক্রীড়নক হবেন না। যারা সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে ইয়াবা ব্যবসা, লুটপাট এবং ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতনে লিপ্ত ছিল, তাদের মুখোশ উন্মোচন করাই হবে আপনার মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিকের প্রকৃত কাজ। আমরা আপনাকে বর্তমান কমিটির সাথে সরাসরি কথা বলার এবং প্রকৃত চিত্র সরেজমিনে দেখার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সবসময় স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় আপসহীন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এদেশের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার মধ্যে দিনাতি পাত করছে। ঐ সমস্ত মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আইনগত সহায়তা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। দ্রুত সময়ে প্রান্তিক বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ হরতে হবে। সরকারি আইনি সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমের প্রচার বৃদ্ধি করতে হবে যাতে করে দেশের কোন অসহায় বিচারপ্রার্থী আইনের আশ্রয় বঞ্চিত না হয়”।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বুধবার বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় জেলা জজ আদালত চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব কাজী আবদুল হান্নান। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) জনাব সুব্রত দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এজিএম মনিরুল হাসান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সোহাগ তালুকদার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জনাব মোঃ আরফাতুল রাকিব, যুগ্ম জেলা জজ জনাব মুমিনুন্নেছা খানম,

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সিভিল জজ জনাব লাবণী শর্মা ও জনাব মোঃ জোবায়ের রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব রাসেল পিপিএম (বার), ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মৌনম বড়ুয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এড. মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, বিজ্ঞ সরকারি কৌসুলী (জিপি) জনাব মোহাম্মদ কাসেম চৌধুরী, বিজ্ঞ জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এড. আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, বিজ্ঞ মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর জনাব এড. মফিজুল হক ভূঞা, বিজ্ঞ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, লিগ্যাল এইড প্যানেল আইনজীবীবৃন্দ, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের সদস্যবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ প্রমূখ। সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার জানান বিগত ০৮ মাসে ১৪৩৬টি আবেদনে (মামলায়) আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তৎমধ্যে ২৭৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। উক্ত সময়ে ৮০৬টি প্রি-কেইস এডিআর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং এডিআরের মাধ্যমে ৮৮৪ বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আদালত হতে পোস্ট কেইস বিরোধ মিমাংসার জন্য ৬৩টি মামলা রিসিভ হয়েছে এবং ৭৫টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে (বিগত বছরের জেরসহ)। বিরোধ মিমাংসার মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রন্থ পক্ষকে প্রদান করা হয়েছে।

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ