আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ির নিচু এলাকায় প্লাবন, বাঘাইছড়ি-লংগদু যোগাযোগ বন্ধ

জেলা সংবাদ দাতা:

জীবনধারা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা বৃষ্টির কারণে জেলার নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। গঞ্জপাড়া, শান্তি নগর, কালডেবাসহ বেশ কিছু এলাকায় প্রায় হাঁটু সমান পানি জমেছে।

বন্যার শিকার বেশ কয়েকটি পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছেন। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা ও রাঙ্গামাটির লংগদু-বাঘাইছড়ির যোগাযোগ বন্ধ, সাজেকে আটকা পড়েছেন অন্তত ৬০০ পর্যটক।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার সাপমারা এলাকায় পাহাড় ধসের কারণে ৪ ঘণ্টা ধরে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম-ঢাকা সড়কে যোগাযোগ বন্ধ ছিল। সকাল ৮টায় খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহায়তায় সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

এর আগে সোমবার (১ জুলাই) স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারী বর্ষণ, ও এ কারণে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে জানিয়ে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে জনগণকে নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক শহিদুজ্জামান বলেন, জেলা-উপজেলায় একশ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রয়েছে। সেখানে আশ্রিতদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের সরে যেতে আমরা অনুরোধ করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেশের ১১ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আবহাওয়া অফিস দেশের ১১ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে । এজন্য নদীবন্দরগুলোকে সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রবিবার (৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে – ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ হতে পারে।এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আগামী ৩ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস সোমবার ৪ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের বিস্তৃতি কিছুটা পরিবর্তন হয়ে রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসময় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

মঙ্গলবার ৫ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। তাপমাত্রা পুনরায় সামান্য বাড়তে পারে।বুধবার ৬ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
ছবি -সংগৃহীত
www.banglajgaborpatrika.com

বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজের সংঘর্ষে আটকা প্রায় ২ হাজার ৮০০ কনটেইনার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুটি জাহাজের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উভয় জাহাজই। এতে আটকা পড়া প্রায় ২ হাজার ৮০০ একক কনটেইনার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আমদানিকারক ও বন্দর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ দুটির চলাচল স্থগিত থাকবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি পণ্য নিয়ে বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল জাহাজ দুটি। এর মধ্যে একটি বিশ্বের শীর্ষ শিপিং কোম্পানি ‘মায়ারস্ক’-এর এবং অন্যটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ‘এইচ আর তুরাগ’। শুক্রবার সকালে বহির্নোঙর থেকে জাহাজ দুটি বন্দরের জেটিতে আনার প্রস্তুতিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর জাহাজ দুটির মূল কাঠামোতে দৃশ্যমান ক্ষতি দেখা গেছে। তবে পানির নিচের অংশে কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজ দুটি জেটিতে নিয়ে আসতে গেলে প্রবেশমুখে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে আপাতত সেগুলো বহির্নোঙরেই রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বন্দরের পাইলট ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শামসুদ্দীন জানান, জাহাজের কাছে পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে জাহাজে উঠে ক্ষতির চিত্র দেখে নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় জেটিতে না এনে ফিরে আসেন তারা। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ