আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

কলকাতা:

জগদ্ধাত্রী সিরিয়ালের দিব্যা কেনো পাহাড়ে বিয়ে করতে চান

বিনোদন ডেস্ক:

সিনেমা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মনের মতো পাত্র পেলেই বিয়ে করবেন কলকাতার অভিনেত্রী প্রিয়া পাল। তাও আবার পাহাড়ে গিয়ে বিয়ে করতে চান। আর এই লক্ষ্যে বেনারসি শাড়ি আর গহনা রেডি আছে তার। মনের মতো পাত্র খুঁজে পাচ্ছেন না বলে পত্রিকান্তরে পাত্র খুঁজে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন এই অভিনেত্রী। কলকাতার একটি গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, কলকাতার টিভি ধারাবাহিক ‘জগদ্ধাত্রী’র খলনায়িকা ‘দিব্যা সেন’ ওরফে প্রিয়া পাল কিছুতেই মনের মতো পাত্র খুঁজে পাচ্ছেন না! এবার তাই পাত্র খোঁজার দায়িত্ব দিয়েছেন গণমাধ্যমকে।

পাত্ররা তো প্রিয়াকে জগদ্ধাত্রীর খলনায়িকা হিসেবে চেনেন। মেজাজের ধরন শেয়ারবাজারের ওঠাপড়ার মতোই তার। এই চড়ে গেল তো পরক্ষণেই ঠান্ডা! এটুকু মানিয়ে নিতেই হবে পাত্রকে। তার জন্য বিয়ে বানচাল হচ্ছে না তো ? এমন প্রশ্নে আবারও হাসতে হাসতে জবাব দিলেন, ওটা তো অভিনয়। বাস্তবে আমি ও রকম নাকি।

অভিনয়ের বাইরে এবার নিজের বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রিয়া পাল। মনের কষ্টের কথাও অকপটে ফাঁস করলেন তিনি। যেটুকু বলতে পারেননি সেসব ভাগ করে নিয়েছেন ওই গণমাধ্যমের সঙ্গে। সেখানে তিনি পাত্র হিসেবে কাদের দেখতে চান – এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রিয়া পাল জানান, বিরাট কোহলি, রণবীর সিং, জন আব্রাহাম, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে।

কিন্তু উল্লিখিত পাত্ররা তো সবাই যে বিবাহিত। পাত্র পাচ্ছেন না বলে অভিনেত্রী কি শেষে ঘর ভাঙতেও রাজি – এমন প্রশ্ন শুনে হেসে প্রিয়া পাল বলেন, একেবারেই কারও ঘর ভাঙতে চাই না। যে পাঁচজনের নাম বলেছি, তারা উদাহরণ মাত্র। তাদের মতো আমার পুরুষ পছন্দ।তিনি বলেন, তার কপালই খারাপ। বাকি অন্য যারা অবিবাহিত পুরুষ আছেন, তাদের প্রতি আমার কোনো আকর্ষণ নেই! তাদের সুপাত্র হিসেবে মানতে নারাজ প্রিয়া।

অভিনেত্রীদের বিয়ে নিয়ে বেশ কৌতূহল সাধারণ মানুষের। কেমন পাত্র চাই ? কেমন পাত্র হলে তিনি পছন্দ করবেন। কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত – এমন প্রশ্ন করতেই এই অভিনেত্রী ওই গণমাধ্যমের ওপরে পাত্র নির্বাচনের ভার দেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, বেনারসি শাড়ি আর গহনাও রেডি করে রেখেছেন। কেবল পাত্র চাই। পাত্র খুঁজে দিলেই তিনি দেরি করবেন না, বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন।

প্রশ্ন ওঠে – কেমন বিয়ে পছন্দ তার ? ডেস্টিনেশন বিয়ে, বাঙালি বিয়ে না কি সোনাক্ষীর মতো ছিমছাম বিয়ে – এমন প্রশ্নে প্রিয়া পাল বলেন, খুব ইচ্ছে পাহাড়ে গিয়ে বিয়ে করবো। হাড়কাঁপানো ঠান্ডা থাকবে। লোকে এমনিতেই কম যাবে। এভাবেই বিয়ের খরচ কমিয়ে ফেলবো। আর এখানেই শেষ নয়। যে টাকাটা বাঁচবে, সেই টাকা দিয়ে তিনি বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন! তাই পাত্রকে অবশ্যই তার মতো ভ্রমণবিলাসী হতে হবে বলেও জানান এই আলোচিত অভিনেত্রী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার বাদে জুমা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্স উন্নয়ন ও মুসল্লি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে সাবেক মন্ত্রী মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক অবিচল যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তার সাহসী ভূমিকা অবিস্মরণীয়। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয়। চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসনীয়।তিনি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, ইস্ট ডেল্টা ইউনির্ভাসিটি, স্বৈরাচার বিরোধী ৯০ গণ আন্দোলনে শহীদের স্মৃতি রক্ষায় প্রতিষ্ঠা করেন এন এম জে মহাবিদ্যালয়। জনগণের কল্যাণে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ আজও চট্টগ্রামের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

দোয়া মাহফিলে মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। এছাড়া শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। মুসল্লি পরিষদের সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে মরহুম আব্দুল্লাহ আল নোমানের অবদান চট্টগ্রামবাসী আজীবন মনে রাখবে। তিনি এ অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বিশেষ করে বিভিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগ আজও স্মরণীয়।চট্টগ্রামসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থাপনায় তাঁর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান অনস্বীকার্য। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই মসজিদটিকে ঘিরে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান সেই স্বপ্নের সার্থক রূপ দিয়েছেন।

বিশেষ অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অনন্য এক নেতা। তিনি কেবল চট্টগ্রাম নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে এক কিংবদন্তি পুরুষ। তিনি শুধু নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি ছিলেন নেতাদের নেতা, আমাদের সবার অভিভাবক। চট্টগ্রামে ৮০’র দশকে যখন শহীদ জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পরে বিএনপি অনেকটা দূর্বল হয়ে গিয়েছিল। তখন বিএনপিকে পুনর্জাগরণ করেছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। নোমান ভাই শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা। তাঁর সাহস, সততা এবং দেশপ্রেম আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মো. মহসিন, মো. কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মুসল্লি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুর রহমান, বিএনপি নেতা মন্জুর রহমান চৌধুরী, জাকির হোসেন, নুর হোসাইন প্রমুখ।

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের একুশের বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল রফিকের বিয়ের দিন। বিয়ে বাড়িতে কনে সেজে অপেক্ষায় ছিল তার প্রিয় মানুষ। কিন্তু রফিক গিয়েছিলেন মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে। ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিলে নামেন তিনি। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন রফিক। তার বুকের রক্তে রঞ্জিত হলো বাংলার রাজপথ। অন্যদিকে, বিয়ে বাড়িতে ফুলে ফুলে সাজানো আসরে কনে তখনও পথ চেয়ে বসে। সে জানে না—তার বর আর ফিরবে না। ফিরবে শুধু রক্তে ভেজা এক শহীদের নিথর দেহ। জীবন দিয়ে রফিক প্রমাণ করে গেলেন— মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়াই সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।

অমর একুশে উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’। নাটকে ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মদানের ইতিহাস আবেগঘনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নাটকটি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রচার করা হবে ২১ ফেব্রুয়ারি।

টানা তিনদিন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া এলাকার মনোরম লোকেশনে নাটকের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। মো. ইমাম হোসাইনের কাহিনী ইকবাল খন্দকারের চিত্রনাট্যে নির্মিত রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা নাটকটি প্রযোজনা করেছেন উম্মে হাবিবা দিনা। মহসিন চৌধুরীর পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সরোজ আহমেদ, সোহেলী, দেবাশীষ চৌধুরী, মীর জুবেদ, রমিতা ভৌমিক, মো. সেলিম, আফরোজা ইমা, সীমান্ত বড়ুয়া, ধীমান, অসিত নন্দী, সৌভিক দাশ প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ