আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

জামালপুর:

জামালপুরে বন্যার পানি বিপদ সীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

কামরুজ্জামান কানু জামালপুর:

জামালপুর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা ভারীবর্ষণ ও উজান থেকে ঢলে আসায় জামালপুরের যমুনা-ব্রহ্মপুত্রসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলা নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। জেলাব্যাপী বিরাজ করছে বন্যা আতঙ্ক।ইতোমধ্যে তিনটি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও বাড়িতে পানি উঠেছে।

ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যার পানির চাপে রাস্তাঘাট ভেঙে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বন্যার কারণে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ।গত ২৪ ঘণ্টায় বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে ৬৩ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভরী বৃষ্টিপাত ও বন্যার পানিতে চাপে জেলার ইসলামপুরের ইসলামপুর-পচাবহলা-পাঁচবাড়িয়া সড়কের দুটি স্থানে ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।অন্যদিকে পানির স্রোতে দেওয়ানগঞ্জ থেকে খোলাবাড়ি ও যাওয়ার প্রধান সড়কের সেতুর পাশের মাটি সরে গেছে। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এ ছাড়া কাঠারবিল এলাকায় আঞ্চলিক সড়ক ভেঙে গেছে। আর পানি বাড়ায় বিভিন্ন জায়গায় এসএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়েছে বিপাকে।

জামালপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক আবদুল মান্নান বলেন, বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। ফলে বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। আগামী দুই দিন পানি বাড়তে পারে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী, নোয়ারপাড়া, কুলকান্দি, পাথর্শী, সাপধরী, বেলগাছা; দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানী, চুকাইবাড়ী ও বাহাদুরাবাদ; মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া, আদ্রা, মাহমুদপুর, নাংলা ও কুলিয়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।পানি বেড়ে যাওয়ায় ইসলামপুর-গুঠাইল সড়কের দেলিরপাড় এলাকার ড্রাইভেশন ডুবে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া পানির তোড়ে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দেওয়ানগঞ্জ-খোলাবাড়ি সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।জামালপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, যমুনা নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে পানি প্রবেশ করছে। পানিবৃদ্ধি নিয়ে নদী তীরবর্তী অঞ্চলের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। জামালপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট ৬৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।জেলার সব নদ নদীর আগামী আরো ৭২ ঘণ্টা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ।জামালপুরের জেলা প্রশাসক মাঃ শফিউর রহমান নয়া দিগন্তকে বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের সকল প্রকার প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে সকল বিভাগের সাথে জেলা প্রশাসনের জরুরি বৈঠক হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতিটি সেক্টর যার যার অবস্থান থেকে যথাযথভাবে কাজ করছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কলমাকান্দা নির্বাচনী মঞ্চে ‘খুদে খালেদা জিয়া’: ভোট চাইলো ‘ধানের শিষে’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদলে সেজে এক ছোট্ট শিশুকে একটি নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে। শিশুটি বেগম জিয়ার সিগনেচার লুকে- সাদা ও বেগুনি শাড়ি, বড় কালো চশমা এবং তার কথা বলার ঢং হুবহু নকল করে উপস্থিত জনতাকে মাতিয়েছেন।

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের একটি নির্বাচনী সভায় এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

শিশুটি মাইক হাতে নিয়ে বলছে, “আমি বেগম খালেদা জিয়া। ধানের শীষে ভোট দিবেন। আমি আমার ছেলে কায়সার কামালকে আপনাদের হাতে দিয়ে গেলাম।”

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে দুর্গাপুরের বড়বাট্টা এলাকায় মহিলা সমাবেশে শিশুটির সাবলীল অভিনয় এবং উপস্থিত নেতাদের সাথে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নেটিজেনদের বেশ আকৃষ্ট করেছে।

কেউ কেউ শিশুটির অভিনয় দক্ষতার প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শিশুদের এভাবে ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন। তবে সাধারণ দর্শকদের অনেকেই শিশুটির দৃঢ় কণ্ঠের বক্তব্যকে বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।

শিশুটির সাজসজ্জায় বেগম খালেদা জিয়ার চশমা এবং শাড়ি পরার স্টাইলটি বেশ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কথা বলার স্টাইল এবং ধীর স্থির ভঙ্গি শিশুটির মাঝে প্রতিফলিত

তাপমাত্রা কোথাও কোথাও নামতে পারে ৫-৭ ডিগ্রিতে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিনে আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ পূর্বাভাস দিয়েছেন।

আবারও তাপমাত্রা কমে ১২ জেলার উপর শৈত্যপ্রবাহ নিজের ফেসবুক পোস্টে আবহাওয়াবিদ পলাশ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। সকাল ৬টার দিকে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও লেখেন, আগামী শনিবার ১০ জানুয়ারি ও রোববার ১১ জানুয়ারি শৈত্যপ্রবাহ আরও তীব্র হতে পারে। এ সময় রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

পোস্টে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টায় রাজশাহী জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও গোপালগঞ্জে ৭ ডিগ্রি, যশোরে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি, পঞ্চগড়ে ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি এবং ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আবহাওয়াবিদ পলাশ জানান, বুধবার সকাল ৬টার মধ্যে দেশের ৮ বিভাগের মধ্যে ৫টি বিভাগের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ