আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ময়মনসিংহ:

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হাডু-ডু খেলা দেখতে দর্শকের ঢল

তৌহিদুল ইসলাম সরকার স্টাফ রিপোর্টার :

নান্দাইল:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ময়মনসিংহের-নান্দাইল উপজেলার চর- বেতাগৈর ইউপিতে চরশ্রীরামপুর আনন্দবাজার ব্যবসায়ী ও যুব সমাজের উদ্যোগে শেখ রাসেল স্মৃতি স্বরণে চর-কোমরভাঙ্গা একাদশ বনাম চৈতনখালী একাদশ এর মধ্যকার গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হাডু-ডু ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহান।

আরো উপস্হিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল আলম রাসেল,নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আব্দুল মজিদ, ইউপি চন্ডীপাশা ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়া, চর বেতাগৈর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সরকার,
১৩ নম্বর চর-বেতাগৈর ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন সহ বিভিন্নস্তরের দলীয় নেতাকর্মী ও খেলা প্রেমী সর্বস্তরের হাজারো সাধারণ মানুষ।

শনিবার বিকেল ৩ টার দিকে চরশ্রীরামপুর আনন্দ বাজার সংলগ্ন অস্থায়ী খেলার মাঠে খেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। খেলা শুরুর আগেই খেলার মাঠে হাডুডু প্রেমী দর্শক কানায় কানায় ভরে যায়।

দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসছে হাডুডু খেলা উপভোগ করতে। উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল মাঠজুড়ে। ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে বয়স্করাও উপভোগ করলেন গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী এই খেলা।

দু’দফায় ৬০ মিনিট খেলা শেষে চৈতনখালী একাদশ ১৪ পয়েন্ট ও চর-কোমরভাঙ্গা ৪ পয়েন্ট অর্জন করে। পয়েন্টের ভিত্তিতে চৈতনখালী একাদশকে বিজয়ী ঘোষণা করেন বিচারক প্যানেল।

খেলা শেষে বিজয়ী দলকে পুরস্কার হিসেবে একটি বিশাল বড় ষাড় গরু প্রদান করেন অতিথিরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে আসর বয়কটের হুশিয়ারী দেয়ার একদিন পার হতে না হতেই সবাইকে অবাক করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসরের জন্য দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিব)। বিসিবিকে সমর্থন জানিয়ে আসর বর্জন করলে পিসিবিকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। আইসিসির এমন হুশিয়ারীর পরপরই বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান।

আধুনিক ক্রিকেটের রূপকার আরাফাত রহমান কোকো : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম এমনটি মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নির্মাণে কোকো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং রাজনীতির বাইরে থেকে খেলাকে কেবল খেলা হিসেবে দেখেই তিনি কাজ করে গেছেন।

শুক্রবার রাতে সন্ধ্যায় নগরীর লালদীঘি চসিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে মহানগর কোকো স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন এসব কথা বলেন।মেয়র আরও বলেন, আজকের ক্রিকেটের যে ভিত্তি এবং সাফল্য আমরা দেখতে পাই, তার পথপ্রদর্শক ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, কোকো ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, নিরহংকারী এবং প্রচারবিমুখ একজন মানুষ। তিনি একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও তার মৃত্যুতে মানুষের যে ঢল নেমেছিল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল।

চট্টগ্রাম মহানগর কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি হাসান রুবেলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এন মোহাম্মদ রিমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, ইসমাইল বালি এবং সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া। এছাড়া মহানগর বিএনপি, অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং কোকো স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দোয়া শেষে স্থানীয় দুঃস্থ, অসহায় ও এতিমদের মাঝে খাবার এবং কম্বল বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ