আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

মানিকগঞ্জ:

মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ইন্সপেক্টর ডিবির আবুল কালাম

বাবুল আহমেদ মানিকগঞ্জ :

চাকরির খবর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অপরাধ দমনে বিশেষ অবদান রাখায় গোয়েন্দা মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম জেলার শ্রেষ্ঠ ইন্সপেক্টর নির্বাচিত হয়েছেন।
সোমবার (৮ জুলাই) সকালে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ সভায় এই সম্মাননা তুলে দেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খান বিপিএম পিপিএম বার।

পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খানের সভাপতিত্বে মে ও জুন মাসের অপরাধ পর্যালোচনা ও অপরাধ দমনে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট ও বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এসময় মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সুজন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) ইমতিয়াজ মাহবুব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসবি নুরজাহান লাবনী এবং জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল ইউনিট ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাতছাড়া হচ্ছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের ৪১ একর ভূমি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ রেলওেয়ে পূর্বঞ্চলের ৪১ একর ভূমি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগরের ফৌজদার হাট স্টীল মিল রেল লাইনের উপর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় বিশাল এই ভূমি রেল কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এদিকে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখতে রেল লাইনের পাশ্ববর্তী জায়গার ১০ জন মালিক গতকাল বাংলাদেশ রেলওয়ে(পূর্বঞ্চল) জেনারেল ম্যানেজার বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেছেন।


ওই আবেদনে জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের এ লাইন চালুর জন্য ওইসব মালিকদের ভূমি হুকুম দখল করে। পরবর্তী পর্যায়ে রেল লাইন নির্মিত হলে বেশ কয়েক বছর রেল চলাচল করে। হঠাৎ স্টীল মিল বন্ধ হলে লাইনটির উপর দিয়ে রেল চলাচল না করায় বিভিন্ন পর্যায়ে রেল লাইনের অংশ বিশেষ তুলে নেয়ায় রেল লাইন বিলুপ্ত হয়ে যায়।

তবে ফৌজদার হাট স্টীল মিল রেল লাইনের জায়গাগুলো যাদের থেকে হুকুম দখল করেছে সরকার সংঙ্গত কারণে পাশ্ববর্তী লাগোয়া জায়গা হওয়ায় উক্ত জায়গাগুলোতে এরা চাষাবাদ করে আসছে। বর্তমানে ওই রেললাইনের উপর দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণ করে চলেছে। এ ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষের আর.এম.ডি এর অনেক কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানালেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মাণ করলে ৪১ একর ভূমি রেল কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া হয়ে যাবে বলে আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

জায়গার মালিকরা জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে রাস্তা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে উক্ত রেল লাইনের একপাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হোক। কাজেই রেল লাইনের এ রাস্তার ৪১ একর ভূমি রক্ষা করার স্বার্থে সিটি কর্পোরেশনকে অনুমতি না দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) সুবক্তগীন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হালিশহর এলাকায় নির্মিত হচ্ছে রাস্তাটি। পরিত্যক্ত এই রেল লাইনের উপর কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণ করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কারো মতে স্থানীয়দের জমি একোয়ার করা হয়েছে রেল লাইনের জন্য, রেল লাইন হয়েছিল কিন্তু স্টীল মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই রেল লাইনটির গুরুত্বও কমে যায়। আবার কারো মতে এই রেল লাইন যেহেতু নেই এখানে রাস্তা নির্মিত হলে জনগনের যাতায়তে সুবিধা অনেকটাই ভালো হবে।

সরকার একসময় স্টীল মিল থেকে ফৌজদার হাট পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ করে। এই রেললাইন দিয়ে স্টীল মিলের উৎপাদিত পণ্য পরিবহন করতো। স্টীল মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এ রেল লাইনটি কার্যত অচল হয়ে যায়। তবে ওই রেল লাইনের পাশে রেল স্থাপনার কিছু নিদর্শন রয়ে গেছে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্টীল মিল সাইডিং এ প্রকল্পে ৪১ একরের বেশী জায়গা রয়েছে। তবে ভুমি সংস্থাটির হাতে নেই। রেল লাইন না থাকায় বেদখল হয়ে গেছে অধিকাংশ ভুমি। এরই মধ্যে এ রেল লাইনের পশের কিছু জায়গা লীজ দিয়েছিল রেলওয়ে ভূ সম্পত্তি বিভাগ।

সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর এ রেল লাইনের একাংশের ১ একর ৮১ শতক জায়গা লীজ প্রদান করার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। পরবর্তীতে লীজ গ্রহীতা দরপত্রের টাকা জমা দিতে না পারায় রেল কর্তৃপক্ষ কোন সিদ্ধান্ত নিতে এখনো পারেনি। রেল কর্তৃপক্ষ পূর্বাঞ্চলের ভূমি অনেক স্থানে বেদখল রয়েছে এমন অভিযোগ নতুন কিছু না। আবার কখনো অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করার পর আবার বেদখলের ঘটনাটিও চলমান রয়েছে।

রেল সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করেন, রেল কর্তৃপক্ষ কোন জায়গায় লীজ প্রদান করেন, তা যেন লাইনের একপাশ থেকে দেয়া হয়। যদি লাইনের মাঝখানের জায়গা লীজ দেয়া হয় কিংবা কোন সংস্থাকে দেয়া হয়, তাহলের পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ পুনরায় রেল লাইন স্থাপন করতে চাইলেও আর সুযোগ থাকবেনা। কাজেই লীজ কিংবা কোন সংস্থাকে রেল লাইনের কোন জায়গা প্রদান করা হয়, তাহলে ওই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বে-টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহন করেছে। অদূর ভবিষ্যতে এ রেল লাইনটি পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে, এমনটি আশংকা করছেন রেল ও বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে পূর্বাঞ্চল স্টীল মিল সাইডিং প্রকল্পের রেল লাইনের উপর এরই মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হালিশহর কলসীর দীঘির পাড় থেকে আনন্দ বাজার পর্যন্ত রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। অথচ রেল কর্তপক্ষ জনেইনা তাদের পরিত্যক্ত রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মানের জন্য কোন আন্তঃবিভাগীয় সভা বা সিদ্ধান্তক্রমে রেলভূমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তরের কোন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তাদের মনে হয়না।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান সোহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা: দ্বিবার্ষিক সভায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা এর দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় সকলের সিদ্ধান্তে ও মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের নেতৃত্বের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব, যাত্রী আন্দোলনের প্রবক্তা ও যাত্রী সাধারণের একমাত্র সাহসী কণ্ঠস্বর, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

এটি শুধু একটি পদ নয়, বরং দক্ষিণ চট্টগ্রাম তথা বোয়ালখালীর মানুষের জন্য একটি গৌরবময় অর্জন। যাত্রী কল্যাণ আন্দোলনে তার সাহসিকতা, ন্যায্যতার প্রতিফলন ও মানবিক মূল্যবোধ সব সময়ই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন । তার এই অর্জন বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকার সদস্যদের মধ্যে নতুন আশা ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।

মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী সামাজিক সংগঠন, যাত্রী কল্যাণ ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তার দৃঢ় নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস, অটল সংকল্প এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাকে সবার কাছে এক বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। তিনি যাত্রীদের অধিকার আদায়ে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা শুধু একটি সংগঠনের নয়, সমগ্র সমাজের জন্য দৃষ্টান্ত।

এই নির্বাচনে তার নাম উঠেছে সদস্যদের উচ্চাভিলাষ ও আস্থা থেকেই। সদস্যদের বিশ্বাস, ভক্তি ও ভালোবাসার প্রতিফলন এই পদ অর্জনের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকার দ্বিবার্ষিক সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও শক্তিশালীভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নির্বাচিত হওয়ায় বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা আরও নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে এটাই সবাই আশা করছেন। তার নেতৃত্বে সংগঠনটি আরও বেশি জনসেবামূলক কাজ, সামাজিক সহায়তা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

এই গৌরবময় মুহূর্তে আমরা সবাই তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আলহামদুলিল্লাহ একজন নিষ্ঠাবান সমাজসেবী, নির্ভীক কণ্ঠস্বর ও উদ্যমী নেতাকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নির্বাচিত হতে দেখে আমরা গর্বিত।আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা আরও উজ্জ্বল ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ