আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

রূপগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৬ অপহরণকারী আটক ॥ অপহরণ হওয়া ভিকটিম উদ্বার

মাহাবুবুর রহমান রনি,রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অপহরণ হওয়া ভিকটিম রাজিব নামক এক যুবককে উদ্বার করেছে পুলিশ। গত ১২ জুলাই গভীর রাতে ভিকটিমের স্বজনদের দেওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে রূপগঞ্জ থানার ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জাহিদুল ও তার সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে উপজেলার গোলাকান্দাইল ৫নং ক্যানেল  থেকে তাদের গ্রেফতার করে অপহরণ হওয়া ভিকটিম পিকআপ ড্রাইভার রাজিব মিয়াকে উদ্বার করে। 

অপহরণ হওয়া ভিকটিম রাজিব শরিয়তপুর জেলার সখিপুর থানার চরকুমারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর মোল্লা বাড়ির সোরাফ মোল্লার ছেলে। 

গ্রেফতারকৃত অপহরণকারীরা হলো উপজেলার কলাতলী এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ শান্ত (২২), অলিউল্লাহ ঢ়ারির ছেলে জুয়েল ওরফে রাকিব (২৪), উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ৫নং ক্যানেলের দুলাল জমাদ্দারের ছেলে বিল্লাল হোসেন (২৪), আনোয়ার হোসেনের ছেলে আল-আমিন (২০), আনোয়ার হোেেসনের ছেলে  আসাদ (২৫) ও ৫নং ক্যানেল কাজলের বাড়ির ভাড়াটিয়া শামীম (৪৬)। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। 

পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই বিকেলে অপহরণকারীরা পিকআপ ড্রাইভার রাজিব মিয়াকে ভুলতা গাউছিয়া থেকে অপহরণ করে । পরে তার মুক্তিপণের জন্য তার পরিবারের কাছে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা যদি না পায় তাহলে ভিকটিমকে মেরে ফেলবে বলে মুটোফোনে হুমকি প্রদান করে।  তার পরিবার স্বজনরা শরিয়তপুর থেকে গত ১২ জুলাই রাতে  রূপগঞ্জ থানায় হাজির হয়ে থানা পুলিশকে অবগত করে। পর রূপগঞ্জ থানার ভুলতা ফাঁড়ির পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে গোলাকান্দাইল ৫নং ক্যানেল এলাকা থেকে অপহরণকারীদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে ভিকটিম পিকআপ ড্রাইভার রাজিবকে উদ্বার করে। 

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, রূপগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে অপহরনকৃত ভিকটিম পিকআপ ড্রাইভার রাজিবকে উদ্বার করে। অপহরণকারীদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তায় এসআইসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার-১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে নগরের খুলশী থানায় মামলাটি দায়ের করেন ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ভাই সাব্বির হাসান।মামলার পর একজনকে গ্রেপ্তার করেছে খুলশী থানা পুলিশ।মামলার আসামিরা হলেন- এসআই শফিকুল, কনস্টেবল রাসেল ও সোর্স সোহেল। এদিকে নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় শনিবার সকালে এসআই শফিকুল, কনস্টেবল রাসেল এবং আরেকজন কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।

তিনি জানান, অভিযানের বিষয়ে এসআই শফিকুল ইসলাম আমাকে আগে থেকে কিছুই জানায়নি। থানায় আনার পরই তিনি ক্রিকেটার নাঈমের পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারেন।বিষয়টি জানার পর দুঃখ প্রকাশ করে সম্মানের সঙ্গে নাঈমকে থানা থেকে চলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। তিনি আরও বলেন, নাঈমের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জড়িতদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা থানা ত্যাগ করবেন না।পরে এ ঘটনায় নাঈমের ভাই সাব্বির বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামি সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়।

রূপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্যসহ ৬ মাদক কারবারি গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল, বরপা বাসস্ট্যান্ড, চনপাড়া পুনর্বাসনকেন্দ্র ও কায়েতপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৬মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল ১০জুন বুধবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৮৫ বোতল বিদেশী মদ, পাঁচশত গ্রাম গাঁজা, ৫৫ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ ফায়ারড্রিল, ৪১ পিস ইয়াবাসহ পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে গোলাকান্দাইল এলাকার মকবুল হোসেন (২৯), বাবু লাল (২০), বরপা এলাকার আকাশ মিয়া(২৪), চনপাড়া পূর্নবাসন কেন্দ্রের ফরহাদ হোসেন (২২), রনি মিয়া (২৬) ও কায়েতপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকার দিল মোহাস্মদ দিলু (৩০)।
রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রূপগঞ্জ থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ