পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের উচ্ছেদে বড় অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ রোববার থেকে পাহাড়ের পাদদেশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রেলওয়ের মালিকানাধীন নগরীর পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে বসবাসরত লোকজনকে সরানো হচ্ছে। চলমান বর্ষায় ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদে এ অভিযানে নামছে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ। সপ্তাহব্যাপী এই উচ্ছেদ অভিযানে পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে বসবাসরত লোকজনকে সরানোর পাশাপাশি রেলওয়ের ভূমিতে অবৈধভাবে তৈরি করা স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করা ব্যক্তি কিংবা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীর কোন তালিকা রেলওয়ের কাছে নেই। পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমেই এই তালিকা হওয়া উচিত বলে মনে করেন রেলওয়ের কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা বলেন, এই কাজে আমাদের কোন বাজেট নেই। পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির আছে। তারা চাইলে এই তালিকা করতে পারে। এতে কাজ করা সহজ হবে।
সূত্র জানায়, গত ২৪ জুন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় রেলওয়ের মালিকানাধীন পাহাড় বা ভূমিতে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে বসবাসরত লোকজনকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সম্মিলিতভাবে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয় ওই সভায়।এরই ধারাবাহিকতায় নিজেদের মালিকানাধীন পাহাড় থেকে ঝুঁকিপূর্ণদের সরাতে বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ। আজ রোববার সকাল ১০টায় নগরীর পাঁচলাইশ থানার ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন কলোনি সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। এ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলবে ওইদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরদিন সোমবার সকাল ১০টা থেকে নগরীর চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এলাকার পাহাড় ও পরিবেশ অধিদপ্তর সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ। এসব এলাকায় উচ্ছেদ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপর মঙ্গলবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে টাইগারপাস এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে। চলবে ওইদিন বিকেল পর্যন্ত।
এদিকে পবিত্র আশুরার বন্ধের কারণে বুধবার অভিযানে বিরতি দিয়ে পরদিন বৃহস্পতিবার ফের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ। ওইদিন সকাল ১০টায় উচ্ছেদ অভিযান চলবে নগরীর মতিঝর্ণা বাটালি পাহাড়ের পাদদেশে। সবমিলিয়ে সপ্তাহব্যাপী এই উচ্ছেদ অভিযানে নগরীর ৬টি পাহাড়ের পাদদেশ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সরিয়ে দেয়া হবে।
তবে শুধু উচ্ছেদ করেই পাহাড়ে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের সরানো কঠিন বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলছেন, উচ্ছেদের সঙ্গে যারা এসব স্থাপনা তৈরি করছে, ভাড়া দিচ্ছে, সেখানে গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ দিচ্ছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। নাহয় বছর বছর এই ‘উচ্ছেদ উচ্ছেদ খেলা’ চলতে থাকবে। স্থায়ী কোন সুফল আসবে না।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা সুজন চৌধুরী বলেন, পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হচ্ছে। পাহাড়ের পাদদেশে একজন মানুষও যেন ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করতে না পারে- অভিযানে সেটি নিশ্চিত করা হবে। রেলওয়ের পাহাড়ে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনতে চাই আমরা।
অবৈধ স্থাপনা তৈরিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া কেবল উচ্ছেদ অভিযানের সমালোচনা করেছেন সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও টিআইবি চট্টগ্রামের সভাপতি এডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, রেলওয়ের পাহাড়ে অবৈধ স্থাপনা তৈরিতে সংস্থাটির কিছু কর্মীই জড়িত। উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।তিনি বলেন, বর্ষা এলেই প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এরপর সারাবছর ঘুমিয়ে থাকে। অবৈধ স্থাপনা তৈরি থামাতে না পারলে উচ্ছেদ করে লাভ হবে না। কেবল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কষ্টই বাড়বে। তাই পাহাড়ে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনতে যারা সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা করছে, তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তালিকা ধরে ব্যবস্থা নিলে সুফল আসবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এদেশের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার মধ্যে দিনাতি পাত করছে। ঐ সমস্ত মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আইনগত সহায়তা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। দ্রুত সময়ে প্রান্তিক বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ হরতে হবে। সরকারি আইনি সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমের প্রচার বৃদ্ধি করতে হবে যাতে করে দেশের কোন অসহায় বিচারপ্রার্থী আইনের আশ্রয় বঞ্চিত না হয়”।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বুধবার বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় জেলা জজ আদালত চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব কাজী আবদুল হান্নান। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) জনাব সুব্রত দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এজিএম মনিরুল হাসান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সোহাগ তালুকদার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জনাব মোঃ আরফাতুল রাকিব, যুগ্ম জেলা জজ জনাব মুমিনুন্নেছা খানম,

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সিভিল জজ জনাব লাবণী শর্মা ও জনাব মোঃ জোবায়ের রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব রাসেল পিপিএম (বার), ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মৌনম বড়ুয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এড. মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, বিজ্ঞ সরকারি কৌসুলী (জিপি) জনাব মোহাম্মদ কাসেম চৌধুরী, বিজ্ঞ জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এড. আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, বিজ্ঞ মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর জনাব এড. মফিজুল হক ভূঞা, বিজ্ঞ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, লিগ্যাল এইড প্যানেল আইনজীবীবৃন্দ, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের সদস্যবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ প্রমূখ। সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার জানান বিগত ০৮ মাসে ১৪৩৬টি আবেদনে (মামলায়) আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তৎমধ্যে ২৭৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। উক্ত সময়ে ৮০৬টি প্রি-কেইস এডিআর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং এডিআরের মাধ্যমে ৮৮৪ বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আদালত হতে পোস্ট কেইস বিরোধ মিমাংসার জন্য ৬৩টি মামলা রিসিভ হয়েছে এবং ৭৫টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে (বিগত বছরের জেরসহ)। বিরোধ মিমাংসার মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রন্থ পক্ষকে প্রদান করা হয়েছে।

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ