আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের উচ্ছেদে বড় অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ রোববার থেকে পাহাড়ের পাদদেশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রেলওয়ের মালিকানাধীন নগরীর পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে বসবাসরত লোকজনকে সরানো হচ্ছে। চলমান বর্ষায় ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদে এ অভিযানে নামছে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ। সপ্তাহব্যাপী এই উচ্ছেদ অভিযানে পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে বসবাসরত লোকজনকে সরানোর পাশাপাশি রেলওয়ের ভূমিতে অবৈধভাবে তৈরি করা স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করা ব্যক্তি কিংবা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীর কোন তালিকা রেলওয়ের কাছে নেই। পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমেই এই তালিকা হওয়া উচিত বলে মনে করেন রেলওয়ের কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা বলেন, এই কাজে আমাদের কোন বাজেট নেই। পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির আছে। তারা চাইলে এই তালিকা করতে পারে। এতে কাজ করা সহজ হবে।
সূত্র জানায়, গত ২৪ জুন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় রেলওয়ের মালিকানাধীন পাহাড় বা ভূমিতে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে বসবাসরত লোকজনকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সম্মিলিতভাবে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয় ওই সভায়।এরই ধারাবাহিকতায় নিজেদের মালিকানাধীন পাহাড় থেকে ঝুঁকিপূর্ণদের সরাতে বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ। আজ রোববার সকাল ১০টায় নগরীর পাঁচলাইশ থানার ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন কলোনি সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। এ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলবে ওইদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরদিন সোমবার সকাল ১০টা থেকে নগরীর চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এলাকার পাহাড় ও পরিবেশ অধিদপ্তর সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ। এসব এলাকায় উচ্ছেদ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপর মঙ্গলবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে টাইগারপাস এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে। চলবে ওইদিন বিকেল পর্যন্ত।
এদিকে পবিত্র আশুরার বন্ধের কারণে বুধবার অভিযানে বিরতি দিয়ে পরদিন বৃহস্পতিবার ফের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ। ওইদিন সকাল ১০টায় উচ্ছেদ অভিযান চলবে নগরীর মতিঝর্ণা বাটালি পাহাড়ের পাদদেশে। সবমিলিয়ে সপ্তাহব্যাপী এই উচ্ছেদ অভিযানে নগরীর ৬টি পাহাড়ের পাদদেশ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সরিয়ে দেয়া হবে।
তবে শুধু উচ্ছেদ করেই পাহাড়ে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের সরানো কঠিন বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলছেন, উচ্ছেদের সঙ্গে যারা এসব স্থাপনা তৈরি করছে, ভাড়া দিচ্ছে, সেখানে গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ দিচ্ছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। নাহয় বছর বছর এই ‘উচ্ছেদ উচ্ছেদ খেলা’ চলতে থাকবে। স্থায়ী কোন সুফল আসবে না।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা সুজন চৌধুরী বলেন, পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হচ্ছে। পাহাড়ের পাদদেশে একজন মানুষও যেন ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করতে না পারে- অভিযানে সেটি নিশ্চিত করা হবে। রেলওয়ের পাহাড়ে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনতে চাই আমরা।
অবৈধ স্থাপনা তৈরিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া কেবল উচ্ছেদ অভিযানের সমালোচনা করেছেন সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও টিআইবি চট্টগ্রামের সভাপতি এডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, রেলওয়ের পাহাড়ে অবৈধ স্থাপনা তৈরিতে সংস্থাটির কিছু কর্মীই জড়িত। উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।তিনি বলেন, বর্ষা এলেই প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এরপর সারাবছর ঘুমিয়ে থাকে। অবৈধ স্থাপনা তৈরি থামাতে না পারলে উচ্ছেদ করে লাভ হবে না। কেবল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কষ্টই বাড়বে। তাই পাহাড়ে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনতে যারা সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা করছে, তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তালিকা ধরে ব্যবস্থা নিলে সুফল আসবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ