ক্যাম্পাস:

রংপুরে কোটা আন্দোলনে সমর্থন: স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের বাধা, আহত একাধিক

রংপুর প্রতিনিধি:

রংপুর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে রংপুরে রাজপথে নেমে আসা স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের হামলায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

সোমবার (১৬ জুলাই) বেলা পৌনে একটার দিকে রংপুর ডিসি মোড় থেকে জিলা স্কুল, পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি কলেজ, পলিটেকনিক ইন্সটিউটের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ নিয়ে জাহাজ কোম্পানি মোড়ের দিকে যাওয়ার সময় ক্যাপ্টেন ব্যাকোলোজি মোড়ে তাদের বাধা দেয় পুলিশ।

এ সময় পুলিশের সাথে ব্যাপক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে পুলিশের বাধা ডিঙিয়ে তারা সামনের দিকে অগ্রসর হয়। এ সময় পুলিশ তাদের ওপর হামলা করে। কয়েকজন পুলিশকে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের গলা চেপে ধরতে। তারপরও মিছিলকারীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সামনের দিকে রওনা হয়।

এরপর তারা পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, জীবন বীমা মোড়, শাপলা চত্বর, চারতলা মোড়, মেয়রের মোড় হয়ে লালবাগে যান। তারা রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দেখা গেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা অবস্থান করছে। পুলিশও সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানিয়েছেন, তারা সতর্ক অবস্থায় আছেন। নিরাপত্তার কারণে তাদের বাধা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা বাধা ডিঙিয়ে এগিয়ে গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিভাসুতে প্রাণিসেবায় নতুন সংযোজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাণীর রোগ নিরূপণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের পাশাপাশি আধুনিক ও মানসম্মত ওষুধ ও যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সুসৎগঠিত করতে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) চালু করা হয়েছে ‘ভেটেরিনারি ফার্মেসি’। এখন থেকে খামারি ও সাধারণ জনগণ তাদের প্রাণীর যাবতীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সিভাসু’র এই ‘ভেটেরিনারি ফার্মেসি’ থেকে সুলভ মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস. এ. কাদেরী টিচিং ভেটেরিনারি হাসপাতাল এবং মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই ফার্মেসি চালু করা হয়েছে। ভেটেরিনারি হাসপাতালের নিচ তলায় এই ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফার্মেসির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘সিভাসু’র মূল উদ্দেশ্য কেবল শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা প্রদান নয়, বরং মানসম্মত প্রাণী চিকিৎসাসেবা ও গবেষণার প্রসার ঘটানো। এই ফার্মেসির মাধ্যম হাসপাতালে আসা প্রাণীদের জন্য সঠিক ও মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবামূলক পদক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দিন, ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: আহসানুল হক এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. ফরহাদ হোসেন। সম্মানিত অতিথি ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসিআই এনিম্যাল হেলথ-এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডা. মো: আমজাদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র ভেটেরিনারি ক্লিনিক্সের পরিচালক প্রফেসর ড. আজিজুন্নেছা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মনোয়ার সাঈদ পল্লব।

সভাপতির বক্তব্যে ভেটেরিনারি ক্লিনিক্সের পরিচালক প্রফেসর ড. আজিজুন্নেছা বলেন,‘এই ফার্মেসি কেবল ওষুধ বিক্রির কেন্দ্র নয়। এটি আমাদের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ও ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ভেটেরিনারি চিকিৎসকেরা আরও দক্ষ ও পেশাদার হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে।’

চবি ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় উল্টো হেনস্থা, কারাগারে যাত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বাসে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় তাকে হেনস্থা ও মারধর করেছেন এক ব্যক্তি। নিজের স্ত্রী-সন্তানের সামনেই এমন ঘটনা ঘটায় মোহাম্মদ জসিম (৩৫) নামে ওই যাত্রী। পরে বাসের অন্যান্য যাত্রীরা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। শনিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার এ ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি রুটের একটি লোকাল বাসে।

পুলিশ জানায়, বাসে ছাত্রীর পেছনের সিটে বসে ভেতর ধূমপান করছিলেন জসিম। সিগারেটের ছাই ফেলার নামে বারবার ছাত্রীর শরীর স্পর্শ করতে থাকেন। প্রতিবাদ করলে ওই ছাত্রীর সঙ্গে তিনি উল্টো দুর্ব্যবহার করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার মধ্যে অন্য যাত্রীরা তাকে ফটিকছড়ির আগে হাটহাজারী বাস স্টেশনে নেমে যেতে বাধ্য করেন।
গ্রেফতার মোহাম্মদ জসিম চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার শিকার ছাত্রীর বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলায়। বাড়ি যাবার জন্য শুক্রবার দুপুরে ওই ছাত্রী লোকাল বাসটিতে উঠেছিলেন। চট্টগ্রাম নগরী থেকে বাসটিতে করে স্ত্রী-সন্তানসহ জসিম ফটিকছড়িতে যাচ্ছিলেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ