আজঃ বৃহস্পতিবার ২ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক চাকরি বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে প্রয়োজন দক্ষ জনবল

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্তমান বিশ্বে পর্যটন ও হসপিটালিটি শিল্প হচ্ছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ।প্রযুক্তি ও বিশ্বায়নের এই যুগে মানুষের ভ্রমণ, অবকাশযাপন এবং মানসম্পন্ন সেবার চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাত বিশ্বব্যাপী দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং নতুন নতুন পর্যটন কেন্দ্র, হোটেল, রিসোর্ট ও সেবাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণের ফলে দক্ষ জনবলের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে বিশ্ব পর্যটন বাজারে হোটেল, রিসোর্ট, এয়ারলাইনস, ট্রাভেল এজেন্সি, ক্রুজ লাইন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেবাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালদ্বীপ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই খাতে প্রশিক্ষিত জনশক্তির চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে উচ্চশিক্ষা অর্জন বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।

ইউসিটিসি’র টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম যা বাস্তব শিক্ষার অসাধারন আয়জন
ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগাং – এর টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পের প্রয়োজনীয় তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এই প্রোগ্রামে হোটেল ও রিসোর্ট ম্যানেজমেন্ট, ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেশন, ইভেন্ট ও কনভেনশন ম্যানেজমেন্ট, কাস্টমার সার্ভিস ও গেস্ট রিলেশনস, পর্যটন পরিকল্পনা ও গন্তব্য ব্যবস্থাপনা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং নেতৃত্ব বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।শিল্প-চাহিদাভিত্তিক এই শিক্ষা শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাকরি বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে ভূমিকা রাখে।

কর্মক্ষেত্র ও ক্যারিয়ার সম্ভাবনা : টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে স্নাতক সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের জন্য দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় হোটেল চেইন, রিসোর্ট, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, এয়ারলাইনস, এভিয়েশন সেক্টর, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি পর্যটন সংস্থা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থায় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও এই বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইউসিটিসি কেন সেরা : চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগাং (টঈঞঈ) আধুনিক, যুগোপযোগী ও কর্মমুখী বিএসএস ইন টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করেছে। এতে অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, আধুনিক পাঠক্রম, ইন্ডাস্ট্রি-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা সফর, ইন্টার্নশিপ সুবিধা এবং কার্যকর ক্যারিয়ার গাইডলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী শিক্ষা প্রদান করা হয়।এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক টিউশন ফি, শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বয়ে টঈঞঈ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও বৈশ্বিক চাকরি বাজারে সফল ক্যারিয়ার গঠনের জন্য প্রস্তুত করে।

এখনই সময় ভবিষ্যৎ গড়ার : পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্প আগামী দিনের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত। সঠিক শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে এই খাতে গড়ে তোলা যেতে পারে একটি সফল ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যারিয়ার। বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের ক্রমবর্ধমান সুযোগ এবং শিল্পটির ধারাবাহিক বিকাশের ফলে টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বর্তমানে উচ্চশিক্ষার একটি অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয়। আর এই সম্ভাবনাময় যাত্রার অংশীদার হতে টঈঞঈ হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য উপযুক্ত গন্তব্য।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীর ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল কোন ভাবে কাম্য নয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, জনগণের ওপর কোনোভাবেই ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল চাপিয়ে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের বিল যাতে গ্রাহকদের পরিশোধ করতে না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন সরকারি সহায়তা ও উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এরশাদ উল্লাহ বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। তাই জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করা এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়াই সরকারের প্রধান দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং এবারের বাজেটে ৬১টি পণ্যের ওপর থেকে কর প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে অ্যান্টির‌্যাবিস ভ্যাকসিন, ক্রীড়া সামগ্রী, স্যানিটারি ন্যাপকিন, ঢেউটিন, সেলাই মেশিন এবং পৌরসভার জিআর (চাল) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।এছাড়া মৎস্যচাষ প্রদর্শনী খামারের উপকরণ বিতরণ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আমন ধানের বীজ ও সার, সবজির বীজ এবং ফলদ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুমন তালুকদার, কৃষি কর্মকর্তা শাহনুর ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হাসান, বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম এবং বিএনপি নেতা ইছহাক চৌধুরী, নুরুন্নবী চৌধুরী, হামিদুল হক মন্নান, শহীদুল্লাহ্ চৌধুরী ও মেহেদী হাসান সুজন।

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় জহির রায়হান (৩২) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে অর্থদণ্ডও করা হয়। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ (শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল)-এর বিচারক এএইচ এম শফিকুল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত জহির রায়হান সদর উপজেলার হররা ডাক্তার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা নুর নবীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া শহরের একটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে স্কুলে যাতায়াতের পথে যুবক রায়হান নানাভাবে কুপ্রস্তাবসহ উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি ওই ছাত্রী পরিবারকে জানালে পরিবারের উদ্যোগে ওই যুবকের পরিবারের লোকজন এবং এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ শাসান।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই যুবক প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠেন। এর জের ধরে ২০১৮ সালের ৩ মার্চ রাত ৯টার দিকে ওই ছাত্রীকে বাসায় একা রেখে পিতা-মাতা পাশের বাড়িতে ওয়াজ মাহফিলে যান। এই সুযোগে ওই ছাত্রীর কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন রায়হান। কিন্তু ওই ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে আটক করেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে যুবক জহির রায়হানের নাম উল্লেখসহ এজাহার দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে কুষ্টিয়া মডেল থানার উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম যুবক জহির রায়হানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন আদালতে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাড. আব্দুল মজিদ জানান, ‘কুষ্টিয়া সদর থানার স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে আসামি জহির রায়হানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সাক্ষ্য শুনানি শেষে সন্দেহাতীত প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সাজা খাটার আদেশ দেন আদালত।

আসামি রায়হানকে ২০১৮ সালের মার্চে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। পরবর্তীতে আসামি রায়হান জামিনে কারামুক্ত হওয়ার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ