আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

কোটা সংস্কার আন্দোলন

সংঘর্ষ এড়াতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষ এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম শহর থেকে কোনো শাটল ট্রেন ক্যাম্পাসে আসেনি।
চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) সাইফুল ইসলাম বলেন, চবি প্রশাসন থেকে আমাদেরকে শাটল ট্রেন বন্ধ রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাই স্টেশন থেকে কোনো শাটল ট্রেন ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি। প্রশাসন আমাদের বললেই আমরা আবার শাটল ট্রেন চালু করে দেব। আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
এর আগে গত ১৫ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শিক্ষার্থীরা হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে। পরে ছাত্রলীগের নেতারা ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যাওয়া শাটল ট্রেন আটকে আন্দোলনের এক সমন্বয়কারীকে ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন। এছাড়া রোববার রাতেও ক্যাম্পাসে বিক্ষোভের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর একদফা হামলার ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা এ হামলার জন্যও ছাত্রলীগকে দায়ী করেছিলেন।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অহিদুল আলম বলেন, কোটা আন্দোলনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা তথ্য পেয়েছি শাটল ট্রেন চলাচল করলে আরও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা আপাতত শাটল ট্রেন বন্ধ রাখার জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেন আবার চালু হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে শেক্সপিয়ার স্মরণে নানা আয়োজন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইংরেজি সাহিত্যের কালজয়ী নাট্যকার, সাহিত্যিক ও কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়ার এর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রুমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য(ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান।

বিভাগীয় প্রধান আরমান হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেজিস্ট্রার এএফএম মোদাচ্ছের আলী, কলা, সমাজবিজ্ঞান ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক চৌধুরী মোহাম্মদ আলী ।ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, নাট্যাংশ, সংগীত এবং শেক্সপিয়ারের সাহিত্যকর্মভিত্তিক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়াও তাঁর সাহিত্যকর্ম, নাট্যচর্চা এবং বিশ্বসাহিত্যে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য(ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান বলেন, শেক্সপিয়ারের সাহিত্য আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর সাহিত্যচর্চা মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।অন্যান্য বক্তারা বলেন, শেক্সপিয়ারের সাহিত্য শুধু ইংরেজি সাহিত্যের সম্পদ নয়, বিশ্ব সভ্যতারও এক অমূল্য ঐতিহ্য।

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই: সিভাসু উপাচার্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেছেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোন বিকল্প নেই। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে চট্টগ্রাম সমুদ্রসম্পদ নিয়ে গবেষণার একটি আদর্শ স্থান। সমুদ্রসম্পদ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম ব্লু-ইকোনমিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত একটি গবেষণা উপপ্রকল্পের ইনসেপশন সেমিনারে উপাচার্য প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। হিট (হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন) প্রকল্পের আওতায় সিভাসু’তে গবেষণা উপপ্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গবেষণা উপপ্রকল্পের এসপিএম (সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার) প্রফেসর ড. মো: আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) প্রফেসর ড. আবদুল আহাদ, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর মো: আ: হালিম এবং সামুদ্রিক মৎস্য অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের পরিচালক মো: নজরুল ইসলাম।সেমিনারে উপপ্রকল্পের সামগ্রিক চিত্র তুলেন এসপিএম প্রফেসর ড. মো: আসাদুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য এবং প্রকল্পের বর্তমান কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রেজেন্টেশন দেন এএসপিএম (অ্যাসিসটেন্ট সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান খাঁন। সেমিনারে উপপ্রকল্পের ওপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। গবেষণা উপপ্রকল্পটির মেয়াদ তিন বছর।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ