আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলে অতিথিবৃন্দ

প্রতিটি আশুরা ও সোহাদায়ে কারবালা দিবস আমাদের ত্যাগের শিক্ষা দেয়

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আহলে বায়েতে রছুল (সা:) স্মরণে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম এর আয়োজনে শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল। প্রধান অতিথি বড়পীড় আব্দুল কাদের জিলানী (রহ:) বংশধর ও সাজ্জাদানশীন শেখ সৈয়দ আফিফ উদ্দিন (ম:জি:আ:)
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম আয়োজিত শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলে অতিথিবৃন্দ বলেছেন, কারবালার কঠিন বিপদের সময় হযরত হোসাইন (রহ:) এ আল্লাহর উপর ভরসা রেখে নামাজ আদায় করছিলেন। তারা বলেন, আল্লাহ তা’য়লা বলেন,“বলো-তোমরা যদি আল্লাহর ভালবাসা পেতে চাও, তবে আমাকে অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালবাসবেন, তোমাদের পাপ সমূহ ক্ষমা করে দেবেন” (সুরা-৩ আলে ইমরান-আয়াত: ৩১)। নবীজী (সা:) ভালবাসার পূর্ণতা হলো আহ্লে বাইতে ভালবাসা, যা আল্লাহ তা’য়লা কোরআনুল করিমে উল্লেখ করেছেন, “বলো-আমি তোমাদের কাছে কোনো বিনিময় চাইনা, চাই শুধু আমার স্বজনদের প্রতি ভালবাসা” (সুরা-৪২ শুরা, আয়াত: ২৩)। তারা বলেন, আহ্লে বাইয়েতের প্রতি ভালোবাসা, ধর্মনিষ্টা, আতœত্যাগ, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পালন, মানুষের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করা। ভোগে নয়, ত্যাগেই সুখের সন্ধান করা। জুলুম ও অন্যায় এর কাছে মাথানত না করা, সবসময় আল্লাহ’র ওপর সম্পূর্ন ভরসা রাখাই প্রতিটি মহররম, প্রতিটি আশুরা ও সোহাদায়ে কারবালা দিবস আমাদের ত্যাগের শিক্ষা দেয়, আতœ-মর্যাদাবোধ জাগ্রত করে। ভয়কে জয় করে নিজের জীবন উৎসর্গ করে মুক্তির পথ তৈরী করাই কারবালার মূল শিক্ষা। আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে ৯ মহররম, ১৬ জুলাই ২০২৪ খ্রি:, মঙ্গলবার, রাতে উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজস্থ দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলে অতিথিবৃন্দ এসব কথা উত্থাপন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ সুফী মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন বড়পীড় আব্দুল কাদের জিলানী (রহ:) এর বংশধর ও সাজ্জাদানসিন শেখ সৈয়দ আল্লামা আফিফ উদ্দিন আব্দুল কাদের মনছুর আলী জিলানী আল বাগদাদী (ম:জি:আ:)। বিশেষ অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। প্রধান বক্তা ছিলেন, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া ফাজিল কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন শেখ সৈয়দ আল্লামা আফিফ উদ্দিনের শাহজাহা শাহসূফী আবদুর রহমান আল জিলানী। অন্যদের মধ্যে মোস্তফা হাকিম পরিবারের আলহাজ্ব এম.এ তাহের, আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহীন আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, উপাধ্যক্ষ মাহফুজুল হক চৌধুরী, সাবেক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বাদশা আলম, সমাজসেবক নেছার আহম্মদ, খতিব আলহাজ¦ ছৈয়দ ইউনুচ রজভীসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন। শুরুতে খতমে কোরআনেপাক ও মাজমুয়ায়ে সালাতে রাসুল (সা:) পরিবেশন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক মনজিলে হুজুর গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র মহান চাহরম শরীফ অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ১০ মাঘ ওরশ মোবারকের বদৌলতে এই বিশ্ববাসীর উপর, বাংলাদেশের উপর,মুসলিম উম্মাহর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষণের প্রার্থনা করেছেন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ)

মহান ১০ মাঘ, ইমামুল আউলিয়া হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র পবিত্র উরস্ ওরশ মোবারকের বদৌলতে এই বিশ্ববাসীর উপর , এই বাংলাদেশের উপর, মুসলিম উম্মাহর উপর রহমত বর্ষণ করার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেছেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল-এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)।

মহান ১০ মাঘ ইমামুল আউলিয়া হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র পবিত্র ১২০তম বার্ষিক উরস্ শরীফের চাহরম শরীফ উপলক্ষে বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র মাজার শরীফে কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম শেষে অনুষ্ঠিত মোনাজাতে তিনি এই ফরিয়াদ জানান।

তিনি পবিত্র চাহরম শরীফকে মাইজভাণ্ডার শরীফ দরবারের ঐতিহ্যবাহী উর্ফ বা প্রথা উল্লেখ করে এই চাহরম শরীফের ফলার ফাতেহার তবাররুকাতে সকলের রুহানি-জিসমানী বিমারীর শেফা দান করার জন্য তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান।

তিনি হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র মহান আদর্শকে,মানবাত্মার উন্নয়নের আদর্শ ও সমাজ উন্নয়নের আদর্শ উল্লেখ করে এই আদর্শ যাতে দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারে, উপযুক্তভাবে উপস্থাপন করতে পারে,সেই তৌফিক কামনা করে তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান। এই উপস্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বঅলি শাহান শাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র আশেকগণ যাতে সমাজের কল্যাণ সাধন করতে পারে,দেশ দশের কল্যাণ সাধন করতে পারে তিনি আল্লাহর কাছে সেই তৌফিক কামনা করেন।

তিনি এ মহান ত্বরীকা-র অনুসরণ করে আল্লাহর বান্দারা যে অগণিত দ্বীনি-সামাজিক-মানবিক কর্মসূচিগুলো,অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠান গুলো আয়োজন করে চলেছে,গড়ে তুলেছে, পরিচালনা করে চলেছে, সেই সমস্ত খেদমতকে কবুল করার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।

তিনি মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ-এর সমস্ত খেদমতকে কবুল করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার কাছে ফরিয়াদ জানান।পরিশেষে আগত অগণিত আশেক-ভক্ত-জায়েরীণদের তবাররুকাত পরিবেশন করা হয়।

সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রকাশ চেয়ারম্যান বাবাজানের পবিত্র চল্লিশা শরীফের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওলাদে রাসুল (দ.),আওলাদে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী, মাইজভান্ডার দরবার শরীফের মহান আধ্যাত্মিক সাধক মজ্জুবে রহমান, ছানিয়ে ওয়াইজ আল করনী, হযরত শাহসুফি সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রকাশ চেয়ারম্যান বাবাজানের পবিত্র চল্লিশা শরীফ আগামী ৫ই ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হবে।

এই উপলক্ষে ফটিকছড়ি আজিমনগরে আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মন্জিলে বড় শাহজাদী সৈয়দা কিশোয়ারা রহমান এবং ছোট শাহজাদী সৈয়দা মাহবুবা রহমানের উপস্থিতিতে ১ম প্রস্তুুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় খেদমত পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ আাশেক ভক্তবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ