আজঃ শুক্রবার ২৬ জুন, ২০২৬

স্বাভাবিক বন্দরনগরী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবশেষে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম স্বাভাবিক হতে চলেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে নগরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র। তবে সড়কে অফিসগামী মানুষের আধিক্য বাড়লেও গণপরিবহন ছিল অন্যান্য দিনের তুলনায় কম। ফলে ভোগান্তি সঙ্গে করে গন্তব্যে ছুটতে হয়েছে কর্মজীবি মানুষকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে চিলেন অফিসগামী যাত্রীদের। গণপরিবহন কম থাকায় অতিরিক্ত ভাড়ায় গন্তব্যে যাত্রা করেন অনেকে। নগরের ষোলশহর এলাকার বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন বলেন, অফিস যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়েছি। রাস্তায় গণপরিবহনের পরিমাণ কম। যা পাওয়া যাচ্ছে তাও ভাড়া বেশি দাবি করছে। তবে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।এদিকে, অফিস আদালত খুললেও উপস্থিতি কম দেখা গেছে। এছাড়া, স্কুল কলেজেও ছিল না শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ মাটিকাটার অভিযোগে যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে এক যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ২৫ জুন গভীর রাত দুই(২) টার দিকে উপজেলাধীন পাড়-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাথরঘাটা বিশাপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে হিমু আহমেদ(২৫) পিতা- আব্দুস সামাদ, সাং- সাভার, ফরিদপুর,পাবনা। কে বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০,০০০/= (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং পৌরসভা প্রশাসক মিজানুর রহমান।
এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সহ পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটিকাটার কার্যক্রম চলছিল,
যা কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এই অভিযান পরিচালনা করেন।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, অবৈধভাবে মাটিকাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভাঙ্গুড়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা তে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন সকাল ১১টায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভাঙ্গুড়ার বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানম-এর সভাপতিত্বে এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ নুরুল হক-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মিজানুর রহমান।সভায় বক্তারা শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের গুরুত্ব তুলে ধরে ক্যাম্পেইন সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সাব্বির হোসেন, এছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির বক্তব্যে ডা. হালিমা খানম জানান, চলতি বছরের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় একটি স্থায়ী কেন্দ্র এবং ১২০টি অস্থায়ী কেন্দ্র সহ মোট ১২১টি কেন্দ্রে একযোগে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২ হাজার ১৮৫ জন শিশুকে লাল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৪ হাজার ৩২৭ জন শিশু কে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উপজেলায় মোট ১৬ হাজার ৫১২ জন শিশু কে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে এবং শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ