আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সেবামূলক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পাহাড়তলীস্থ হাসপাতাল চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১২টায় আয়োজিত মানববন্ধনে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলা ও উক্ত প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ট্রাস্টি, আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়। মানববন্ধনে বলা হয়, মো.এম. এ. মালেক এর পুত্র মো. ওয়াহিদ মালেকের নেতৃত্বে ৩৫/৪০ জনের হামলাকারী হাসপাতাল ক্যাম্পাসে অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের বাসায় প্রবেশ করে হুইল চেয়ার থেকে টেনে তোলে ও শারীরিকভাবে হেনস্থা করে। তারা উনার স্ত্রীর বেড রুমে প্রবেশ করে তাঁর অসুস্থ’ স্ত্রীর গায়ে হাত তোলার পাশাপাশি ২টি মোবাইল সেট, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়াও (বাংলাদেশ অন্ধ কল্যাণ সমিতি বিএনএসবি)’র কার্যকরী কমিটির সদস্য রিয়াজ হোসেনের বাসায় হামলা করে তার স্ত্রী ও তার বাসায় মেহমানদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, মারধর এবং ছোট শিশুদের গায়েও হাত তোলে। এ সময় তারা রিয়াজ হোসেনকে হত্যার চেষ্টাকালে সে আত্মরক্ষার্থে একটি কক্ষে আত্নগোপন করে। পরবর্তীতে সন্ত্রাসীরা এ পরিবারের ৪টি মোবাইল সেট, ল্যাপটপ, তার স্ত্রীর স্বর্নালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সর্বস্তরের শত শত কর্মজীবিদের আয়োজিত এই মানববন্ধন থেকে হামলার তীব্র নিন্দার পাশাপাশি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
এর আগে গত ৭ আগষ্ট বুধবার রাত আটটায় এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সংবাদ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সন্মেলনে ম্যানেজিং ট্রাস্টি, আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন, হাসপাতালের মেডিকেল ডিপরেক্টর ডা. রাজীব হোসেন, বিএনএসবি এর কার্যকরী কমিটির সদস্য রিয়াজ হোসেনেসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থেকে হামলার বিবরণ ও হামলাকারীদের ক্যামরার ফুটেজ প্রদর্শন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল দুই পেট্টোল পাম্প, ওজন কম ও হালনাগাদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে দুইটি পেট্টোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়। বুধবার বিএসটিআইয়ের পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জরিমানা করা হয়। দুটি পেট্টোল পাম্পকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরীক্ষক প্রিময় মজকুরী জয়। অভিযানে নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদের বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স পেট্টোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করে দেখা যায়, ডিজেল সরবরাহে প্রতি ৫ লিটারে ১২০ মিলিলিটার কম দেওয়া হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মন্ডল অপু।

একইদিন, কাতালগঞ্জ এলাকার হাজি ইউনুস অ্যান্ড কোং নামের পেট্টোল পাম্পের ভেরিফিকেশন সনদ হালনাগাদ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে তাদের ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপের যথার্থতা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এছাড়া একই এলাকায় খান ব্রাদার্স সিএনজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিমাপ সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সব সনদ হালনাগাদ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ