আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে থাকবে ট্রাফিক পুলিশ

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

ট্রাফিক
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ ১২ আগষ্ট সোমবার থেকে চট্টগ্রাম নগরে পোশাক গায়ে দিয়েই সড়কে দায়িত্ব পালন করবেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। ধীরে ধীরে নগরীর সব সড়কে কাজ শুরু করবেন তারা। আর তাদের সাথে থেকে সমন্বয় করবেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। গতকাল রবিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইনসের কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভায় এ কথা জানান নগর পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম। পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, সোমবার থেকে নগরের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি পয়েন্টে তাদের সাথে একজন করে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও থাকবেন। প্রাথমিকভাবে আগ্রাবাদ, টাইগারপাস, ওয়াসা, লালখানবাজার এবং আগ্রাবাদ এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করবে। প্রয়োজনে নিউমার্কেট এলাকায়ও সমন্বয় করা হবে।
তিনি আরও বলেন, তিনি নিজেও দেখেছেন কিভাবে শিক্ষার্থীরা কঠোর পরিশ্রম করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে। তাদের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তবে তাদের এই কষ্ট আর দেখতে চান না তিনি। পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যাতে কোনো কুচক্রীমহল এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে। পুলিশের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আগামীকাল থেকে পুলিশ সদস্যরা পোশাক পরিহিত অবস্থায় দায়িত্ব পালন করবেন। তখন যদি শিক্ষার্থীরা তাদের ধাওয়া করে, তাহলে তারা চলে যাবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি একজন পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয়েছে, তবে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এটি শিক্ষার্থীদের কাজ নয়। তিনি সবাইকে এসব বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম, জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আ স ম মাহতাব উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) আবদুল মান্নান মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ আহাম্মদ, এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। বিভাগীয় কমিশনার শিক্ষার্থীদের তারুণ্য ও মেধার প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেছেন, এখন দাবি করার সময় নয়, বরং ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রকে গঠন করার সময়। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং বিনিময়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

চট্টগ্রামে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের আত্মহত্যা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের আত্মহনন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাসাত্মক গল্প ভাইরাল হয়েছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে, স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারার হতাশা থেকে ওই যুবক গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তার স্বজন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা জানা গেছে ভিন্ন কথা।

শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ১টার দিকে কামাল উদ্দিন (৪০) নামের এক যুবক নিউমার্কেটের সামনে আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে নিজে গলায় চালিয়ে দেয়।রক্তাক্ত অবস্থায় আমাদের টহলটিম স্থানীদের সহযোগিতা চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচারে রক্ত প্রয়োজন হলে আমাদের সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম মাহমুদ স্যার রক্ত প্রদান করেন। কিন্তু রাতেই কামাল মারা যান।নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহে, তিনি চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

তিনি বলেন, ওই যুবকের স্ত্রী ইপিজেডে চাকরি করেন। ঘটনার সময় স্ত্রী কামালের সঙ্গেই ছিলেন না। এস এম রিদুয়ান নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে আনারসের দোকান থেকে কামাল যখন ছুরি নিয়ে নিজের গলায় চালান তখন তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশকে জানানো থেকে শুরু করে কামালের চিকিৎসা পর্যন্ত তিনি সঙ্গে ছিলেন।কামালের সঙ্গে কোনো নারী ছিল না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া গল্পটি মিথ্যা।

কামালের স্ত্রী তসলিমা আক্তার জানান, রাত ৮টার দিকে কামাল তার ভাগিনার কাছ থেকে হাত খরচের কিছু টাকা চায়। ভাগিনা তার মামাকে টাকা দিলে টাকা নিয়ে কামাল উধাও হয়ে যান। তাকে পতেঙ্গা এলাকায় আর দেখা যায়নি।ভোরে ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে কামালকে মৃত দেখতে পান।
কামালের ভাগিনা সামাদ বলেন, আমার মামা পেশায় রাজমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মামা যখন আমার থেকে টাকা নিয়ে আসেন তখন মামি কারখানায় চাকরিতে ছিলেন। ঘটনার সঙ্গে মামির কোনো সম্পর্ক নেই। মামার চিকিৎসার জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিছুদিন ভালো থাকেন, তারপর আবার সমস্যা শুরু হয়।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ