আওয়ামীলীগ দেশের মানুষকে ক্রীতদাসে পরিণত করেছিল- আবু সুফিয়ান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামীলীগ কে পচতে সময় দিয়ে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরতে বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন এই সরকার জনবিক্ষোভে ‘করুণভাবে’ বিদায় নেবে। সবাই যখন এদের বিরুদ্ধে ঘর থেকে বেরিয়ে আসবে, তখন তারা জনগণের কাছে এসে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে।” আজকে দলের নেতাকর্মীদের রেখে তিনি নিজের বোনকে নিয়ে ঠিকই পালিয়েছেন। বর্তমানে আওয়ামীলীগ পচে এমন গন্ধ ছড়াচ্ছে দেশবাসী আর এদের গ্রহণ করতে রাজি নয়। গত ১৬ বছরে জনগণের ভাগ্যন্নোয়নের নামে তারা শুধু নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে। দেশের মানুষের প্রতি শেখ হাসিনার কোনো দরদ ছিলনা, দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে তিনি শুধু ভারতের স্বার্থ-সিদ্ধিই হাসিল করেছেন। ভোটাধিকার সহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে আওয়ামীলীগ দেশের মানুষকে ক্রীতদাসে পরিণত করেছিল।

তিনি আরোও বলেন, আমরা জীবণ বাজি রেখে জনগণের ভোটাধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছি। নেতাকর্মীদের অনেকে কয়েক শত মিথ্যা গায়েবী মামলার আসামী হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম ও খুন হয়েছে। কর্তৃত্ববাদী আওয়ামীলীগ টিকে থাকার জন্য লাঠিয়াল ও হেলমেট বাহিনী তৈরি করেছে। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পরিণত করেছে দলীয় ক্যাডারে । আমরা লড়াই করেছি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যেখানে সব দলের অংশগ্রহণ থাকবে এবং ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনগণেন প্রতিনিধিত্ব করবে। কিন্ত তারা সারাদেশে পরপর তিনটি ভোটারবিহীন অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে কতিপয় দুর্নীতিবাজদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিয়েছেল। যারা বিগত ১৬ বছর বিরোধী দল সহ দেশের মানুষের উপর দমন পিড়ন চালিয়ে এদেশে রাম রাজত্ব কায়েম করেছে। ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে হঠিয়েছি এবং এ বিজয় যাতে কেউ নস্যাৎ করতে না পারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

আজ ১৬ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা ও সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডস্থ খালাসীপুকুর ইউনিট বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু, সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ বকতেয়ার, চান্দগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া, ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী ইলিয়াছ শেকু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মুহাম্মদ হাসান লিটন, হাজী আইয়ুব। ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুল হক মাসুদ এর সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবদলের সহ-সভাপতি ম. হামিদ, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গোলজার হোসন, মো. আলম, মো. আলমগীর, সাইদুল ইসলাম, মোরশেদ কামাল, মো. শহীদুজ্জামান, ইসকান্দর হোসেন, জামাল উদ্দিন, জালাল উদ্দিন, মো. আজমল, মো. ফারুক, জহিরুল ইসলাম জহির, আব্দুর রশিদ, মো. মুরাদ, মো সাইফু, মো. মিজান, মো. সরোয়ার, মো. রাশেদ, রাসেল, রুবেল, শওকত, সাফায়াত হোসেন সোহান প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি ছাড়লেন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই নিজের ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইব্রাহিম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুলাউড়া উপজেলা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ