আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি পানিবন্দি ২ লাখের বেশি মানুষ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এক টানা বর্ষণে বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রায় দুই লাখেরও বেশী মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। হালদা ও মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যার ফলে চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশঃ অবনতি হচ্ছে। বিশেষ করে ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের বৃষ্টিতে গত বুধবার থেকে চট্টগ্রামের কয়েকটি উপজেলা প্লাবিত হতে শুরু করে। বুধবার রাতভর এবং বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টানা অতি ভারী বর্ষণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, তিন উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন দেড় লাখের বেশি মানুষ। এর

বাইরে আরও বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে আরও ৫০ হাজার থেকে অন্তঃত এক লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৯০টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ইলিয়াছ চৌধুরী।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, মীরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলায় এক লাখ ষাট হাজার মানুষ এ মুহুর্তে পানিবন্দি আছেন। এর মধ্যে ফটিকছড়ি ও মীরসরাইয়ে আক্রান্ত গ্রামের সংখ্যা বেশি। তিন উপজেলায় ১১২টি গ্রাম সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়েছে।এছাড়া রাউজান, হাটহাজারী ও বোয়ালখালী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফটিকছড়ি উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের প্রায় সব গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে আছে। ফসলের ক্ষেত, পুকুর, মাছের খামার তলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফটিকছড়ি থেকে হেঁয়াকো রামগড় সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় খাগড়াছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
এছাড়া মিরসরাই উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে পানি উঠে গেছে। উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, হিঙ্গুলী, বারইয়ারহাট পৌরসভা, মিরসরাই পৌরসভা, জোরারগঞ্জ, ধুম, ওচমানপুর, ইছাখালী, কাটাছরা, দুর্গাপুর, মিঠানালা, খৈয়াছড়া, ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বারইয়ারহাট-রামগড় সড়ক ও জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্ট সড়ক প্লাবিত হয়ে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত সীতাকুণ্ড উপজেলার উত্তরের ছয়টি ইউনিয়ন। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। পানি স্রোতে ভেঙে গেছে উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের সিকদার খালের স্লুইসগেট। এতে লোকালয়ে পানি ঢুকে দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
জানা গেছে, রাউজান উপজেলার পশ্চিম নোয়াপাড়া, মোকামীপাড়া, সাম মাহালদারপাড়া, ছামিদর কোয়াং, কচুখাইন, দক্ষিণ নোয়াপাড়া, উরকিরচর ইউনিয়নের মইশকরম, সওদাগরপাড়া, সুজারপাড়া, পূর্ব উরকিরচর, খলিফার ঘোনা ও বৈইজ্জাখালি, বাগোয়ান, পশ্চিম গুজরা, গহিরা, নোয়াজিশপুর, চিকদাইর, ডাবুয়াসহ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে অর্ধলাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া হাটহাজারী উপজেলার বন্যায় প্লাবিত এলাকার মধ্যে রয়েছে বুড়িশ্চর, শিকারপুর, গড়দোয়ারা, দক্ষিণ মাদার্শা, উত্তর মাদার্শা, মেখল, পৌরসভার একাধিক ওয়ার্ড, নাঙ্গলমোড়া, ছিপাতলী।

বোয়ালখালী উপজেলার কর্ণফুলী নদী তীরবর্তী কয়েকটি গ্রাম, উপজেলা সদর, সারোয়াতলী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় গ্রামীণ সড়ক মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পুকুর, মাছের খামারও তলিয়ে যাবার আশঙ্কা করছেন চাষীরা।
এদিকে জোয়ারের পানি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় ও কর্ণফুলী নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় কালুরঘাটে ফেরি চলাচল দুইদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে সাধারণ লোকজনের গন্তব্যে যাতায়াতে ব্যাপক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ফটিকছড়ি উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে ৩১৭৫ পরিবার, মিরসরাই উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে ১২ হাজার পরিবার এবং সীতাকুণ্ড উপজেলায় ৬টি উপদ্রুত ইউনিয়নে ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে।
সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম জেলার ২০০ ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে একটি করে মোট ২০০টি, ১৫ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রত্যেকটিতে পাঁচটি করে মোট ৭৫টি, ৯টি আরবান ডিসপেন্সারির প্রত্যেকটিতে ১টি করে মোট ৯টি, ১টি স্কুল হেলথ ক্লিনিকে ১টি ও জেলা সদর হাসপাতালে (চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল) পাঁচটি মেডিকেল টিমসহ সর্বমোট ২৯০টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য ওষুধ, স্যালাইন, খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুদ আছে। ইতোমধ্যে মেডিকেল টিমগুলো ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমুন নবী বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য, তাতে চট্টগ্রামে তিনটি উপজেলা মূলত সরাসরি বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এগুলো হচ্ছে, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই ও ফটিকছড়ি। তিনটি উপজেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পঞ্চাশ মেট্রিকটন ত্রাণ পাঠানো হয়েছে। ১৩৭টি মেডিকেল টিম সেখানে কাজ করছে। এছাড়া ২৩৯টি স্বেচ্ছাসেবক টিম দুর্গতদের সহায়তায় কাজ করছে। শহরে এবং উপজেলায় পাহাড়ি এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরতদের সরে যাবার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ