দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে – আবু সুফিয়ান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, গত ৫ আগষ্ট একটি ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে একটি রক্তক্ষয়ী য্দ্ধু শেষ না হতেই দেশবাসীর সম্মুুখে আরেকটি যুদ্ধ অবতীর্ণ হয়েছে। তবে এ য্দ্ধুটা হলো- প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে প্রকৃতির সাথে টিকে থাকার যুদ্ধ। এ যুদ্ধেও ছাত্র সমাজ কে সামনের কাতারে এগিয়ে আসতে হবে। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বন্যা কবলিত জেলাগুলোতে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষদের রক্ষার্থে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাইকে এ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের প্রথম কাজ হবে পানিবন্ধি মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা এবং তাদের পর্যাপ্ত খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা। সর্বশেষ বন্যা পরবর্তীতে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।

তিনি আরোও বলেন, বিএনপির রাজনীতিই হলো জনগণের জন্য। সুখে-দু:খে ও সংকট-দুর্যোগ দেশের মানুষের পাশে থাকা। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বন্যাকবলিত এলাকায় আমাদের নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে আছে। চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে অসহায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর এই মহৎ কার্যক্রমকে আমি সাধুবাদ জানাই। স্বৈরাচার খুনী হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশী-বিদেশী গোষ্ঠী ছাত্র-জনতার বিজয় কে নস্যাৎ করার জন্য বিভিন্ন অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় হামলা, ভাংচুর, লুটপাট করে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছে। আমাদের নেতাকর্মীদের ষড়যন্ত্রকারীদের এসকল অপতৎপরতার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আমি দুর্যোগ মোকাবিলায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশের বিত্তবানশ্রেণী সহ সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

তিনি আজ ২৩ আগষ্ট (শুক্রবার) বিকেলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ত্রাণ ক্যাম্প তহবিল’ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু। চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের আহবায়ক আব্দুর রহমান আলফাজ এর সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কাউছার আলম এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চান্দগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গোলজার হোসেন, বিএনপি নেতা সালামত আলী, মনছুর আলম, মহানগর যুবদল নেতা নুরুল আমিন, মো. আলমগীর, এম. আবু বক্কর রাজু, নওশাদ আল জাসেদুর রহমান, সাইদুল ইসলাম, নুরনবী, আকতার হোসেন, সাজিদ হাসান রনি, নাছির উদ্দিন, সাইফুল, মো. হাকিম, হোসেন মো. মাসুম, কামাল হোসেন খোকন, চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রায়হান সিদ্দিকী, পারভেজ করিম, মো. আসিফ, আরিফ মহিউদ্দিন, নাজিম উদ্দিন, মো. রুবেল, দেদুল বড়–য়া, সাদ্দাম হোসেন, রনি হোসেন, মোহাম্মদ কায়েস, মো. সাইফুল, মোক্তার হোসেন, মো. পারভেজ, সাফায়াত হোসেন সোহান, মো. আরমান, মো. তারেক, মো. আরাফাত, মো. রাকিব, মো. ইয়াছিন, ফারাজ করিম নয়ন, মো. তারিকুল ইসলাম, মো. রায়হান, মহিউদ্দিন বাবু, মিরাজ, মো. হাবীব প্রমুখ।

ক্যাপশন: বন্যার্তদের সহায়তায় চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ত্রাণ তহবিল ক্যাম্প’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন আবু সুফিয়ান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত রেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেছেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আমরা মাঠে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

কার্পেটিং কাজ শেষ হলে অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার পাশাপাশি নগরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

চট্টগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, অস্বস্তিতে ক্রেতারা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্রগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে চলছে অস্থিরতা। চাল-ডাল-তেলসহ সব ধরনের শাক-সবজির বাজারে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। বাজারে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে সীমিত আয়ের মানুষের।নগরীর কর্ণফুলী মার্কেট, রিয়াজ উদ্দিন বাজার, কাজির দেউড়ি, চকবাজার ও ২ নম্বর গেইট কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বরবটির দাম গত সপ্তাহের ৮০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ১২০ টাকা হয়েছে, কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। বেগুন গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ১৪০ টাকা, অর্থাৎ ২০ টাকা বেড়েছে। শিমের কেজি ২০০ থেকে ২১০; যা কিছুদিন আগেও ১৮০ থেকে ২০০ ছিল। কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। গত সপ্তাহে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৮০ টাকা। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙে ও করলার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পটলের দামও গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের সবজি বিক্রেতা শামসুল আলম বলেন, সবজির দাম প্রতিদিন একরকম থাকে না। পাহাড়তলী আড়তে সরবরাহ ও কেনা দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা বাজারে দাম কিছুটা ওঠানামা করে।
বহদ্দারহাট বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, বাজারে সবজির দাম এখনও পুরোপুরি সহনীয় পর্যায়ে আসেনি। একসঙ্গে কয়েক ধরনের সবজি কিনতে গেলে মোট খরচ বেশ বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের মাছ বিক্রেতা জুয়েল শেখ বলেন, আড়তে মাছের দাম বেশি থাকায় আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও অন্যান্য খরচও রয়েছে। তাই খুচরা বাজারে মাছের দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে বাজারে অনেকটা চড়া দামে ফার্মের মুরগি ও ডিম বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা।

চকবাজারের ডিম বিক্রেতারা জানান, ডিমের দাম কয়েকদিন ধরে প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম খুব একটা কমছে না। গত পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমে অনেক খামারে ডিম পাড়া ও ব্রয়লার মুরগির সংখ্যা কমেছে। এতে সার্বিকভাবে সরবরাহে ঘাটতি থাকায় ডিম-মুরগির দাম কমছে না।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ