আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

শহীদ জিয়ার সততা ও দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহবান

প্রেস রিলিজ

চট্টগ্রাম মহানগর যুবললের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন পূর্ব আলোচনা সভায় দীপ্তি- সাহেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেছেন, শহীদ জিয়ার সততা ও দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী নেতা, সাহসী মুক্তিযোদ্ধা ও সফল রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। জাতির ক্রান্তিকালে তিনি ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন; সঠিক পথ নির্দেশ করেছেন। তিনি অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছিলেন, একটি সদ্য স্বাধীন দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে যেমন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন সমন্বিত প্রচেষ্টা। তাই তিনি ১৯ দফা-সংবলিত রাজনৈতিক দর্শন উপস্থাপন করেছিলেন। সেই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে রাজনীতিতে মেধাবী ও পেশাজীবী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করেছিলেন। তিনি অনুধাবন করেছিলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারীদের অবহেলিত রেখে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই তাঁদের কর্মক্ষম করে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

আজ ১ সেপ্টেম্বর (রবিবার) দুপুরে বিএনপির ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়াস্থ শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন পূর্ব আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সাহেদ বলেন, জিয়াউর রহমান উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি সামনে রেখেই বিএনপি গঠন করেন। তিনি শহীদ হওয়ার পর অনেকেই মনে করেছিল, বিএনপি ধসে যাবে। কিন্তু ধসে যায়নি। তাঁর অনুপস্থিতিতে দেশনেত্রী বেগম জিয়া দায়িত্ব নিয়েছেন। আপসহীনভাবে স্বৈরাচার সরকারকে হটানোর জন্য দীর্ঘ ৯ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এ রকম নেত্রী বাংলাদেশে আর কেউ নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে দেশ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। কিন্তু এতেও কোনো লাভ হবে না। তিনি দূর থেকেই সঠিকভাবে বিএনপি পরিচালনা করছেন। আমরা তাঁর নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ আছি। দীর্ঘদিনের বৈষম্যের শিকল ভেঙ্গে আমরা আজকের এই স্বাধীনতা পেয়েছি। ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও থেমে নেই। তাই আমাদের বসে থাকলে চলবে না, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে প্রাপ্ত এই স্বাধীনতা আমাদেরকেই রক্ষা করতে হবে।
মহানগর যুবদলের সি. সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, নুর আহমেদ গুড্ডু, ফজলুল হক সুমন, আব্দুল করিম, মিয়া মো. হারুন, মুজিবুর রহমান, অরূপ বড়–য়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, হেলাল উদ্দিন, সি. যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবির, মো. এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম, দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, গুলজার হোসেন, এস এম ফারুক, রাজন খাঁন, সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুল রহমান টিপু, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, আহাদ আলী সায়েম, জাফর আলম খোকন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নুর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, এডভোকেট নাজমুল হাসান, জসিম উদ্দিন সাগর, আজিজুর রহমান মাসুম, মহিউদ্দিন মুকুল, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, কমল জৌতি বড়–য়া, মোহাম্মদ হাসান, মাহবুবুর রহমান, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, আবুল কালাম, ফারুক হোসেন স্বপন, হাফেজ কামাল উদ্দীন, মোঃ সিরাজুল ইসলাম শিকদার, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, আশরাফ উজ্জামান, সদস্য শাবাব ইয়াজদানী, মো. কলিম উল্লাহ, সাইদুল হক সিকদার, থানা যুবদলের আহবায়ক বজল আহমদ, সদস্য সচিব শওকত খান রাজু, মোঃ সরোয়ার, সি. যুগ্ম আহ্বায়ক মোরশেদ কামাল ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ হাসান, মোহাম্মদ আক্তার, আবু বক্কর বাবু, সাইফুল আলম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ