আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবছার মিয়া ও তার পরিবার আওয়ামি সন্ত্রসীদের হাতে হামলার শিকার হয় বলে অভিযোগ রয়েছে

চন্দনাইশ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ১০ নং ধোপাছড়ী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবছার মিয়া ও তার পরিবার আওয়ামি সন্ত্রসীদের হাতে হামলার শিকার হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘঠনার বিবরনের যানা যায় গত ৭ সেপ্টম্বর ২৪ দুপুরে আনুমানিক ১/৩০ টার সময় আবছার মিয়ার মা সালমা খাতুন ৫০ ও তার স্ত্রী রাশেদা বেগম বাড়ীর উঠানে কর্ম রাত আবস্থায় আওয়ামি সন্ত্রসীরা অতির্কিত হামলা চালাই। চিৎকারের আওয়াজে আবছার মিয়া দৌড়ে বাহির থেকে প্রবেশ করলে আওয়ামি যুবলীগের সন্ত্রাসী রেজাউল করিম অস্ত্র ঠেখিয়ে অপহরন করার চেষ্টা করলে এলাকাবাশীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার সুত্রপাত ২ কাটা (৪কানি) জমী নিয়ে।
জামীর প্রকৃত মালিক চন্দনাইশ উপজিলা বিএনপির আহবায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধূরী । জমী দখাশুনার দায়িত্বে আবছার মিয়া।
দীর্ঘদিন আওয়ামি সন্ত্রাসীরা জমীগুলি দখল করে রেখেছিল।
এই ব্যাপারে থানায় বাদী হয়ে এজাহার দাখিল করে আবছার মিয়া।
এজাহার ভুক্ত বিবাদীরা হলেন ১/ আবদুল জব্বার ৪৬ পাতা মৃত আবদু রহমান, ২/ আবদুল কাদের ৩৬ পিতা ছিদ্দিক আহমদ, উভয় সাং পশ্চিম ধোপাছড়ী, ৫ নং ওয়ার্ড, ৩/ রেজাউল করিম ৩১ পিতা মৃত আবুল কালাম, ৪/বোরহান উদ্দিন ২৩ পিতা আবদুল গফুর, উভয় সাং পূর্ব ধোপাছড়ী ১নং ওয়ার্ড। ৫/ আবদুল মালেক ৩৩ পিতা মৃত ছিদ্দিক আহমদ, ৬/ আবছার উদ্দিন ৩২ পিতা বয়ারা নুরু। ৭/ নাছিমা আক্তার ৩৫ স্বামী আবুল বছর, ৮/ মমতাজ বেগম ৪২ স্বামী মাহামদি ৯/ মোঃ মিজান ১৯ পিতা আলী আহমদ সর্ব সাং পশ্চিম ধোপাছড়ী ৫ নং ওয়ার্ড। ধোপাছড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তা ঘঠনার স্থানে তদন্ত করেছেন বলে জানান।
উল্লেখ্য আবছার মিয়া ও এলাকা বাসি অভিযোগ করে বলেন আওয়ামি সরকারের সময় ১ নং বিবাদী আওয়ামিলীগের সন্ত্রাসী দিয়ে নিরহ জনগণের জমি দখল, চাঁদাবাজি পরিচালনা করত।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জনগণের জন্য উন্নয়নের পরিকল্পনা- মির্জা ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচনী গণসংযোগকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনী প্রতিপক্ষের উদ্দেশে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অনেক অত্যাচার করেছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, পেট্রোল পাম্প-ট্যাংক সবই নিয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তানি সেনাদের কারা সহযোগিতা করেছিল, আমরা তা জানি।

আগে একাত্তর সালের জন্য মাফ চান, তারপর ভোট চান।মির্জা ফখরুল আরও বলেন, হাসিনার আমলে আমরা কাজ করতে পারিনি। পরে আমরা উন্নয়নের কাজ শুরু করেছি। আগে ১০০ টাকা আয় হতো, এখন ২০০ টাকা আয় করাকে উন্নয়ন বলা হচ্ছে। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন মানুষের কর্মসংস্থান ও কৃষির উন্নতি হবে।তিনি আগামী নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়ে বলেন, ভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আমরা ভুল করব।

বিএনপি আগামী নির্বাচনে সরকার গঠন করবে, আর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। তারেক জিয়াকে দেশে আসতে দেয়নি ১৮ বছর। দেশে ফিরেই তিনি জনগণের জন্য উন্নয়নের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সার-বীজ এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগে আতর্কিত হামলা ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মহানগরের খুলশী থানাধীন আমবাগান রেলগেট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গণসংযোগ চলাকালে হঠাৎ করে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এতে জামায়াতের অন্তত ৮ জন নেতাকর্মী আহত হন।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, অতর্কিতভাবে স্থানীয় বিএনপির লোকজন আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে।

এতে আমাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন।এদিকে হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা বা আটকের তথ্য পাওয়া যায়নি।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ