৩ কোটি টাকার যন্ত্র ক্রয় চট্টগ্রামে চোখে পড়ছে না মশা নিধনের কর্মসূচি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে মশক নিধন কোন কর্মসূচী চোখে পড়ছেনা। যার ফলে একের পর এক বাড়ছে চট্টগ্রমে ডেঙ্গু রোগী। চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার আগস্টের শেষ দিকে ও সেপ্টেম্বরে বৃষ্টিপাত বেশি হয়েছে। আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই জুলাই-আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বর ও আগামী কয়েক মাস ডেঙ্গুর বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। গত বছর জুলাইয়ে আগাম বৃষ্টি হওয়ায় সেবার আগস্ট-সেপ্টেম্বরেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি ছিল। তাই মশক নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কারণ এডিস মশা ইতোমধ্যে প্রজননের ক্ষেত্র তৈরি করে ফেলেছে।
এদিকে তেমন কর্মসূচি না থাকলেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মশা নিধন কার্যক্রমের জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে মশক নিধন বিভাগ। সেখান থেকে ৩ কোটি টাকা খরচও করে ফেলেছে কর্মকর্তারা। কিনেছে মশা নিধন যন্ত্রপাতি ও কীটনাশক।
চট্টগ্রাম জেলা কীটতত্ত্ববিদ মোছাম্মৎ এনতেজার ফেরদাওছ বলেন, এডিস মশার প্রজননের মূল মৌসুম শুরু হচ্ছে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত। এমনকি সেটি নভেম্বরও ছাড়িয়ে যায় অনেক সময়। চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে আগস্টের শেষে ও সেপ্টেম্বরে বৃষ্টিপাত বেশি হচ্ছে। তাই ডেঙ্গুর প্রজনন বাড়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই মশক নিধন কার্যক্রম জোর দেওয়া উচিত।
জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে মশা নিধনের কোনো কর্মসূচিই চোখে পড়ছে না নগরবাসীর। শুরু হয়নি ক্রাশ প্রোগ্রামও। চট্টগ্রামে যখন ডেঙ্গু চোখ রাঙাচ্ছে তখন সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন বিভাগ আক্রান্ত ও মৃত্যুর হারকে নগণ্য বলছে। মশক নিধন বিভাগের মতে, গত বছরের তুলনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কম। আর এটিই তাদের মশা নিধন কার্যক্রমের সফলতা।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মশক নিধন কার্যক্রমের জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ মিলেছে। এর মধ্যে ৩ কোটি টাকা খরচও করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ফগার মেশিন কেনা হয়েছে ১০টি, একটির দাম পড়েছে ৬৫ হাজার টাকা করে। স্প্রে মেশিন কেনা হয়েছে ১০০টি, প্রতিটি ১২০০ টাকা দামের। ২০ হাজার লিটার এডাল্টিসাইড, ৪০০ লিটার মুসকোভান কেনা হয়েছে। মুসকোভানের সঙ্গে দেওয়ার জন্য ৭০০ লিটার কালো তেল কেনা হয়েছে। এর আগে মুসকোভানের সঙ্গে ডিজেল কিংবা কেরোসিন কেনা হতো। খরচে সাশ্রয়ী বলে কালো তেল কেনা হয়েছে। এছাড়া লারবিসাইড ৩ হাজার লিটার কেনা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের ওষুধ মজুদ আছে। এসব ওষুধ স্প্রে করার জন্য ৩৫০ জন লোকবল নিয়োজিত আছে।
অন্যদিকে মশক নিধনে সফল হয়েছে বলে দাবি করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন বিভাগ। তাদের দাবি, গত বছর ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করার সুফল এ বছর পাওয়া যাচ্ছে। এ বছরের আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গতবারের চেয়ে কম।
মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি আরো বলেন, আমরা মশা নিধনে অবশ্যই সফল হয়েছি। তা নাহলে গত বছর জুলাইয়ে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ ও মৃত্যুর হার যেমন ছিল, তার ছিঁটেফোটাও এ বছর নেই।
তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে চারটি ব্লকে ভাগ করে প্রতিদিন মশার প্রজননক্ষেত্রে ওষুধ স্প্রে করা হয়। এটি রুটিন ওয়ার্ক, সারা বছরই করা হয়। আমরা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা পদ্ধতি সুপারভিশনে রাখি। বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে যেসব ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বাসা-বাড়ির ৪০০ গজের মধ্যে মশা মারা ওষুধ স্প্রে করে থাকি।
এদিকে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান মতে, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত আক্রান্ত হাজারের ওপরে ছিল। এর মধ্যে জুলাই মাসে ২৩১১ জন, আগস্টে ৩০১১ জন, সেপ্টেম্বরে ৩৮৯২ জন, অক্টোবরে ২৭৭৯ জন, নভেম্বরে ১২৫৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ১৯৮ জন, আগস্ট ২০২ জন এবং সেপ্টেম্বরের ১৪ দিনে আক্রান্ত হয়েছে ২০৪ জন।২০২৩ সালের জুলাইয়ে ১৬ জন, আগস্টে ২১ জন ও সেপ্টেম্বরে ২১ জন ও অক্টোবরে মৃত্যু হয়েছিল ১২ জনের। সেই হিসেবে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ২ জন এবং সেপ্টেম্বরে এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ বছর আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে বৃষ্টি বেশি হওয়ায় আগামীতে ডেঙ্গু বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আগামী মাসে যুক্ত হচ্ছে আরও ১টি আন্তঃনগর ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই রুটে আগামী মাসে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন রুটে ট্রেনটি চলাচল শুরু করতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি মাত্র রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে প্রায়ই সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস বলেন, কক্সবাজার রুটে বিপুল যাত্রীর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীরা আরও স্বস্তি ও নিরাপদে পর্যটন শহরে যাতায়াত করতে পারবেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয়ও বাড়বে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারে। ফিরতি ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট বাড়ানো হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তবে রুট সম্প্রসারণের আগে কক্সবাজারে ট্রেনটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন রুটে চলাচলের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে।

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ