আজঃ শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

রাঙ্গুনিয়ায় চন্দ্রঘোনা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের জশনে জুলুসের স্বাগত র‍্যালী

প্রেস রিলিজ

Oplus_131072
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ব্যাবস্থাপনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে স্বাগত র‍্যালী ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অধ্যক্ষ মাওলানা জরিফ আলীর আরমানের সভাপতিত্বে ও মাওলানা মীর মুহাম্মদ শহিদুল্লাহর সঞ্চালনায় হযরত হাফেজ হাজী ছমিউদ্দিন শাহ র: মাজার প্রাঙ্গণ হতে শুরু হয়ে কাপ্তাই রোডের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে হযরত ইমাম হোসাইন স্মৃতি পাঠাগারে এসে স্বাগত র‍্যালী মিলাদ কিয়াম দোয়া মুনাজাতের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি কামনা করে সমাপ্ত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জুলুশ পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মাস্টার ফজল আহমদ, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার আবদুল কাদের, ইউনিয়ন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সহ সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম হেলালী, উপজেলা গাউসিয়া কমিটির সহ সভাপতি মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক আহমদ শাহ আলমগীর, ইউনিয়ন সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবদুস সাত্তার, অর্থ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মোবারক আলী, উপজেলা সদস্য ও ইউনিয়ন দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বেলাল হোসাইন, মাওলানা হাফেজ আলী আহমদ, চন্দ্রঘোনা তৈয়বিয়া মাদ্রাসার মুদাররিস মাওলানা মো: হারুনুর রশিদ, হাফেজ মাওলানা সোবহান,মাওলানা লোকমান, মাওলানা ইব্রাহীম, আবু তৈয়ব, শায়ের মাওলানা মোজাম্মেল রেজা কাদেরী, মাওলানা আরাফাত, ওবায়দুল হক সহ বিভিন্ন ওলামায়ে কেরাম, গাউসিয়া কমিটি, ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা, ছাত্রসেনা, এলাকার সর্বস্তরের সুন্নি ব্যাক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ১২০তম উরস শরিফ উপলক্ষে তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দ.) মাহফিল ১৭ জানুয়ারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলার জমিনে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা, বিশ্ব সমাদৃত ‘ত্বরিকা-ই-মাইজভাণ্ডারীয়া’র প্রবর্তক ইমামুল আউলিয়া, খাতেমুল আউলিয়া, গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ১২০তম ‘মহান ১০ মাঘ উরস শরিফ’ উপলক্ষে তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দ.) মাহফিল মাইজভাণ্ডার শরিফ শাহী ময়দানে আগামী ১৭ জানুয়ারি ২০২৬খ্রি. শনিার বা’দ আসর অনুষ্ঠিত হবে।

গাউসিয়া হক মন্জিলের ব্যবস্থাপনায় সদারত করবেন গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর পবিত্র রক্ত ও ত্বরিকতের উত্তরাধিকার সূত্রে এবং অছিয়ে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর প্রদত্ত দলিলমূলে, গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর রওজা শরিফের খেদমতের হকদার, তাঁর স্মৃতি বিজড়িত অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান ও শাহী ময়দান ব্যবস্থাপনার হকদার রাহ্বারে আলম হযরত শাহ্সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ.), সাজ্জাদানশীন, গাউসিয়া হক মন্জিল, দরবারে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী, মাইজভাণ্ডার শরিফ। উক্ত অনুষ্ঠানে সকলের উপস্থিতি কামনা করা হয়।

পটিয়ার ঐতিহাসিক কালো মসজিদ: ঈমান, অলৌকিকতা ও এক বিস্ময়কর ইতিহাস।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এক সময় এই জনপদে নেমে এসেছিল এক ভয়ংকর বিপর্যয়—বসন্ত রোগ। চারদিকে তখন কেবল আতঙ্ক, কান্না আর অসহায় মানুষের দীর্ঘশ্বাস। চিকিৎসাব্যবস্থা বলতে তেমন কিছুই ছিল না। মৃত্যু আর জীবনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলো তখন তাকিয়ে ছিল একমাত্র আল্লাহর রহমতের দিকে।কিন্তু প্রশ্ন ছিল—এই ভয়াবহ রোগ থেকে মুক্তির পথ কোথায়?

দিকনির্দেশনা খুঁজতে এলাকার ধার্মিক মানুষগুলো ছুটে যান হযরত আবুল খায়ের সুলতানপুরী (রহ.)-এর দরবারে। তিনি তখন এক অবাক করা কথা বলেন—
“তোমাদের পাশেই একজন আল্লাহর ওলি রয়েছেন। তাঁর শরণাপন্ন হও। আল্লাহর দয়ায় এই রোগ থেকে মুক্তি মিলবে।”

এই কথাই যেন বদলে দেয় পুরো জনপদের ভাগ্য। স্থানীয় মানুষজন ছুটে যান হযরত মাসুম আউলিয়া (রহ.)-এর দরবারে। আর আশ্চর্যের বিষয়—আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সেই ভয়াবহ বসন্ত রোগ পুরোপুরি মিলিয়ে যায়।
এরপর থেকেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে হযরত মাসুম আউলিয়া (রহ.)-এর অলৌকিক খ্যাতি। জনশ্রুতি আছে, তিনি আরব দেশ থেকে এই অঞ্চলে আগমন করেন পবিত্র ইসলাম ধর্ম প্রচারের মহৎ উদ্দেশ্যে। আজও তাঁর মাজার ঘিরে মানুষের অগাধ ভক্তি, বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা অটুট।

🛕 যে মসজিদ জন্ম নিয়েছিল প্রয়োজন থেকে, টিকে আছে বিশ্বাসে

পটিয়া মূল শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে, চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের কচুয়াই গ্রামে অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি স্থানীয়ভাবে পরিচিত “কালো মসজিদ” নামে। ইতিহাস ও জনশ্রুতি বলছে, প্রায় ২৫০ বছর আগে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর ইবাদতের সুবিধার্থে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন।

সে সময় শ্রীমাই ব্রিজ এলাকা থেকে অলিরহাট পর্যন্ত আর কোনো মসজিদ ছিল না। দূরত্ব, কষ্ট আর প্রয়োজন—সবকিছুকে জয় করেই ঈমানদার মানুষের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগে গড়ে ওঠে এই পবিত্র উপাসনালয়।

শুরুর দিকে মসজিদটি ছিল মাটি দিয়ে তৈরি, আর এর ওপর দেওয়া হতো আলকাতরার প্রলেপ। সেই প্রলেপের কারণেই মসজিদটি কালো রঙ ধারণ করে—আর তখন থেকেই এর নাম হয়ে যায় কালো মসজিদ।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই মাটির কাঠামো হারিয়ে যায়। ১৯৮০ সালের দিকে মসজিদের মাটির দেয়াল ভেঙে ইটের গাঁথুনিতে রূপান্তর করা হয়। আজ ঐতিহ্যের স্মৃতি ধরে রাখতে মসজিদের দেয়ালে লাগানো হয়েছে কালো রঙের আধুনিক টাইলস—যেন অতীত আর বর্তমান এক সুতোয় বাঁধা।

🌙 মসজিদ, মাজার ও দ্বীন শিক্ষার এক পবিত্র কেন্দ্র

বর্তমানে মসজিদ, কবরস্থান ও ঈদগাহসহ মোট প্রায় ৮০ শতক জমির উপর এই ধর্মীয় কমপ্লেক্স বিস্তৃত। এর মধ্যে মূল মসজিদটি রয়েছে প্রায় ৪০ শতক জমির ওপর।
মসজিদের পাশেই অবস্থিত হযরত শাহ মাসুম আউলিয়া (রহ.)-এর মাজার শরীফ—যেখানে প্রতিদিন ভক্তরা এসে দোয়া, জিয়ারত ও আল্লাহর নিকট প্রার্থনায় নিমগ্ন হন। এছাড়া মসজিদের দক্ষিণ পাশে বর্তমানে এতিমখানা ও হিফজখানা নির্মাণাধীন, যা ভবিষ্যতে দ্বীন শিক্ষার নতুন আলো ছড়াবে, ইনশাআল্লাহ।

🤲 আজও কেন মানুষ ছুটে আসে কালো মসজিদে?

আজও এই ঐতিহাসিক কালো মসজিদ ইসলামী শরীয়তের বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি জুমার দিন ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মুসল্লি এখানে এসে ইবাদতে শরিক হন। পাশাপাশি হযরত মাসুম আউলিয়া (রহ.)-এর মাজারে জিয়ারত করে অনেকেই খুঁজে নেন হৃদয়ের প্রশান্তি, দোয়ার কবুলিয়াত ও আত্মিক সান্ত্বনা।

মাটির দেয়াল থেকে ইটের দালানে রূপান্তরিত হলেও, এই কালো মসজিদ আজও বহন করে চলেছে তার ঈমানি ইতিহাস, অলীদের স্মৃতি ও শতাব্দীপ্রাচীন বিশ্বাসের গল্প।

মনে হয়—এটি যেন একটি পুরোনো, অমূল্য গ্রন্থ; যার মলাট আধুনিক হলেও ভেতরের বাণী, বিশ্বাস আর ইতিহাস আজও অমলিন।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ