আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে জলবায়ু ধর্মঘট প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় জেগে উঠতে হবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে পৃথিবীর প্রাণ ও প্রকৃতি। প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় জেগে উঠতে হবে। সচেতনতা ও সক্রিয়তার মাধ্যমে ধ্বংসের কবল থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে হবে। তরুণরা আমাদের শক্তি। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুনরা দূত হিসেবে অর্থবহ ভূমিকা পালন করবে। জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধের দাবিতে ফ্রাইডে’স ফর ফিউচার কর্তৃক ক্লাইমেট স্ট্রাইকে বনবিদ ড. মোল্লা রেজাউল করিম উপরের কথাগুলো বলেন। ‘জলবায়ুর সুবিচার, এখানেই এখনই’ স্লোগানে বৈশ্বিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম নগরীর কাজির দেউরি মুক্ত মঞ্চে জলবায়ু ধর্মঘট কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন’র প্রতিষ্ঠাতা ও চট্টগ্রাম সার্কেল’র বন সংরক্ষক বনবিদ ড. মোল্লা রেজাউল করিম, পরিবেশ কর্মী লায়ন সাজ্জাদ উদ্দিন, এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম’র সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহার, ইকো নেটওয়ার্ক গ্লোবাল’র ঈসমাইল হোসেন মেহেরাজ, লাল সবুজ সোসাইটি’র ফয়েজ সাদ, সমাজকর্মী শেখ শোয়েব ইকবাল, ব্রাইটার্স’র ইয়াসিন আরাফাত, ক্লাইমেট ফ্রন্টিয়ার’র মুহিবুল হাসান রাফি, ওয়াইএএসডি’র অমিত দাস, নিউ পোর্ট সিটি’র সিয়াম, ইয়ুথ ওয়েলফেয়ার কমিউনিটি’র আরাফাত, জাগ্রত যুব সামাজিক সংগঠন’র মো: হাসান, ইকো ফ্রেন্ডস’র কায়ুমুর রশিদ বাবু, ইউনিটি স্পার্ক’র রাকিবুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। জলবায়ু ধর্মঘটের শোভাযাত্রাটি নগরীর টাইগার পার্স থেকে যাত্রা শুরু করে রেডিসন ব্লু হয়ে কাজির দেউরি হয়ে মুক্ত মঞ্চে এসে শেষ হয়। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যথাক্রমে ইকো নেটওয়ার্ক, লাল সবুজ সোসাইটি, ক্লাইমেট ফ্রন্টিয়ার, ব্রাইটার্স, আইওয়াইসিএম, এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম, ওয়াইএএসডি, ইয়ুথ ওয়েলফেয়ার কমিউনিটি, ১ টাকার বৃক্ষরোপণ, ইউনিটি স্পার্ক, জাগ্রত যুব সামাজিক সংঘ, এমআরটি ক্লাব প্রভৃতি অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বক্তারা বলেন, এখনি টেকসই ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা না হলে আমাদের দেশকে মারাত্মক ও দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় পড়তে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। স্ট্রাইকটি সমাপ্ত হয় জীবাশ্ম জ্বালানি পরিহারের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে আরও শক্তিশালী পদক্ষেপের জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়ে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ