আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বর্ষায় চট্টগ্রাম মহানগরে ২১ হাজার ৮১৪ বর্গমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত, চলাচলে ভোগান্তি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর কয়েটি সড়ক ক্ষত-বিক্ষতে সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। একটানা বৃষ্টি, জোয়ার ও জলাবদ্ধতার পানি জমে সড়কে ‘ক্ষত’ সৃষ্টি হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের জন্য একটি তালিকাও প্রস্তুত করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু টানা বৃষ্টি ও পরবর্তীতে বিটুমিন সংকটে সড়কের এ ক্ষত আর সারাতে পারেনি। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার দুই দিন সরেজমিনে সড়কগুলোর দুরবস্থা চোখে পড়েছে। তবে বিটুমিন সংকট কেটে যাওয়ায় শনিবার থেকে কার্পেটিং এর কাজ শুরু হয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন চসিকের প্রধান প্রকৌশলী।
সরেজমিনে জিইসি, এ.কে.খান, নিমতলা সড়কে গিয়ে দুরবস্থা দেখা মিলে। সড়কের প্রস্তের দুই-তৃতীয়াংশজুড়ে গভীর গর্ত। হা করে থাকা গর্তের চারপাশে নেই কোনো নিরাপত্তাবেস্টনি। সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে সড়কটি। ব্যস্ত সড়কের দুই পাশ থেকে আসা যানবাহনের চাপে লেগে যাচ্ছে দীর্ঘ যানজট। ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা। নগরীর পোর্ট কলোনির মসজিদ সংলগ্ন এলাকার পর থেকে নিমতলা মোড়ের চিত্র এটি। ফ্লাইওভারের র‌্যাম্পের কাজ চলমান থাকায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও সড়কে রয়েছে একাধিক গর্ত। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফ্লাইওভারের র‌্যাম্প নির্মাণ কাজের জন্য এখানে নিয়মিত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের।
সরেজমিন দেখা যায়, নিমতলা মোড় থেকে পোর্ট কানেক্টিং রোড় ধরে এগোলেই রাস্তার মধ্যভাগ পুরোটাজুড়ে গর্ত। ফলে সংকীর্ণ হয়ে গেছে রাস্তার দু’পাশ। সড়কটি বেশি ব্যবহার হয় বন্দরের ট্রাক যাতায়াতের জন্য। এই রোড়ের প্রায় অর্ধকিলোমিটারজুড়ে ট্রাকের সারি। দীর্ঘ সময় ধরে লেগে আছে জ্যাম।
নগরীর এ কে খান মোড় থেকে জিইসির দিকে যেতে জাকির হোসেন সড়ক ধরে কিছু দূর এগোলেই প্রায় রাস্তার এক তৃতীয়াংশজুড়ে গর্ত। সেখানে নেই নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থাও। এছাড়াও নয়াবাজার মোড়, আনন্দীপুর, পোর্ট কানেক্টিং রোড হালিশহর কে ব্লক, ছোটপুল এলাকায় ছোট-বড় একাধিক গর্ত দেখা গেছে।
পোর্ট কলোনির মসজিদ সংলগ্ন এলাকার ব্যবসায়ী এরফান আলম জানান, ওয়াসার সোয়ারেজ প্রকল্পের কাজ চলার কারণে রাস্তার এক পাশ বন্ধ। একাধিক গর্তের কারণে নিয়মিত ছোট ছোট দুর্ঘটনাও ঘটছে। এতে সংকীর্ণ হয়ে পড়া সড়কটি দিয়ে একমুখী যানবাহন চলাচল করছে। মুখোমুখি দুটি যানবাহন এলেই লেগে যাচ্ছে যানজট। ফলে এক পাশ থেকে আসা যানবাহনগুলো দাঁড়িয়ে আরেক পাশ থেকে আসা যানবাহনগুলোকে যেতে দিতে হচ্ছে।
এদিকে হাটহাজারী সড়ক, বায়েজিদ বোস্তামি সড়ক ও কুয়াইশ-অক্সিজেন সড়ক সাম্প্রতিক জলাবদ্ধতায় নগরীর নতুনপাড়া থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত হাটহাজারী সড়ক, অক্সিজেন থেকে দুই নম্বর গেট হয়ে প্রবর্তক মোড় পর্যন্ত বায়েজিদ বোস্তামি সড়ক ও অক্সিজেন মোড় থেকে ওয়াজেদিয়া পর্যন্ত কুয়াইশ-অক্সিজেন সড়কের বিভিন্নস্থানে পিচঢালাই উঠে ছোট-বড় বেশ কিছু গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এসব সড়ক ঘুরে দেখা যায়, বায়েজিদ বোস্তামি সড়কের দুই নম্বর গেট থেকে প্রবর্তক মোড় অংশ ও কুয়াইশ-অক্সিজেন সড়কের পিচঢালাই উঠে খোয়া বের হয়ে গেছে বিভিন্নস্থানে। এতে এসব সড়ক দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সময় লাগছে নগরবাসীর। চলন্ত যান অসাবধানতাবশত গর্তে পড়ে ছোটবড় নানা দুর্ঘটনাও ঘটছে হরহামেশা। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহনও। নগরীর অক্সিজেন এলাকার ম্যাক্সিমা চালক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমি অক্সিজেন থেকে চকবাজার পর্যন্ত গাড়ি চালাই, গর্তের কারণে গাড়ি সবসময় দুলে, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মাঝেমধ্যে সড়কেই গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। তবে এসব সড়কের বাকি অংশে ছোট-বড় অধিকাংশ গর্ত ভরাট করা হয়েছে কংক্রিটের মিশ্রণ দিয়ে। তাতেও কমেনি ভোগান্তি, কংক্রিটের মিশ্রণ সড়কের সঙ্গে মসৃণভাবে না মেলানোয় উঁচু-নিচু খন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া নগরীর দুই নম্বর গেট সংলগ্ন পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সড়কের উভয় পাশে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত দেখা যায়। কিছু কিছু গর্ত ভরাটে কংক্রিট দিয়েছে চসিক। তবে এরমধ্যে অনেক গর্ত থেকে ইতোমধ্যে কংক্রিট উঠে সড়কগুলো বড় ক্ষততে পরিণত হয়েছে। ছোট-বড় গর্ত, উঁচু-নিচু সড়ক, বিটুমিন ও পাথর উঠে নগরীর বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক হচ্ছে সিডিএ এভিনিউ’র মুরাদপুর থেকে শুলকবহর পর্যন্ত। এরমধ্যে শুলকবহরের এশিয়ান হাউজিং এর আগে প্রায় ১০০ মিটার সড়কে রয়েছে অর্ধশত গর্ত। সেখানে সড়কের কার্পেটিং ছাড়া গর্ত ভরাটে চসিকের দেয়া কংক্রিটগুলোর কারণে সড়কটি আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়া ওয়াসা, বারিক বিল্ডিং থেকে ফকির হাট, মাইলের মাথা থেকে ফ্রি-পোর্ট সংলগ্ন ব্যারিস্টার সুলতান আহমেদ কলেজ রোড এলাকায় ছোট বড় অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।
কথা হলে ওয়াসা থেকে শাহ আমানত সেতু (নতুন ব্রিজ) রুটের মাহিদ্রা চালক মো. জুয়েল বলেন, এই রুটের ওয়াসা থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় ভাঙা ও গর্ত রয়েছে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে মুরাদপুর থেকে শুলকবহর পর্যন্ত। এ সড়ক পার হওয়ার সময় মনে হয়, এই বুঝি গাড়ি উল্টে যাবে। কয়েকবার গাড়ি নষ্ট ও একবার চাকা খুলে যায়। তবে যাত্রীরা কিছুটা আহত হলেও বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি।
চসিক সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসের প্রথম দিকে টানা এক সপ্তাহের বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় মিলে এক লাখ ২০ হাজারের বেশি বর্গমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সে সময় থেকে টানা বৃষ্টি, জোয়ার ও জলাবদ্ধতার পানি জমে সড়কে ‘ক্ষত’ সৃষ্টি হয়েছে। যা এখনো সারাতে পারেনি চসিক। সে সময় এসব ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের জন্য একটি তালিকাও প্রস্তুত করে চসিক। তালিকা মতে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রায় এক লাখ ২১ হাজার ৮১৪ বর্গমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত এসব সড়কের মাত্র ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কাজ করতে পেরেছে চসিক। তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে সাধারণ ছুটি, কারফিউ, বৃষ্টি এবং সর্বশেষ বিটুমিনের কারণে কার্পেটিং এর কাজ আটকে যায়।
চসিকের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহীন উল ইসলাম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টির কারণে আমরা কার্পেটিং করতে পারিনি। এরপর আবার বিটুমিনের সংকট দেখা দেয়। আমরা সড়ক ঢালাইয়ের জন্য যে মানের বিটুমিন ব্যবহার করি সেটা পাওযা যাচ্ছিল না। এ কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের বিটুমিন কার্পেটিং করতে পারিনি। তবে ইতোমধ্যে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত বিটুমিন চলে এসেছে। কার্পেটিং শুরু হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ