আজঃ বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রামে পতেঙ্গায় জাহাজে আগুন, ডেক ক্যাডেটসহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিপিসির ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গায় তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সৌরভ কুমার সাহা ও মো. হারুন নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের পুড়ে যাওয়া মরদেহ জাহাজে ঝুলছিল; সেখান থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করেন। এছাড়া এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত রয়েছেন। সোমবার সকালে ইস্টার্ন রিফাইনারির ডলফিন জেটিতে ‘বাংলার জ্যোতিতে’ এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বন্দর কর্তৃপক্ষের একাধিক টিম অগ্নিনির্বাপণে কাজ করে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সৌরভ কুমার সাহা নামে একজন ডেক ক্যাডেট মৃত্যুবরণ করেছেন। তার বাড়ি ঝিনাইদহ। এছাড়া হতাহত রয়েছেন বেশ কয়েকজন।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। দুপুরে বিপিসির সচিব এটিএম সেলিম সাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরিফ হাসনাতকে আহ্বায়ক ও সংস্থাটির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং ও শিপিং) মো. মোস্তাফিজার রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। তাদের অগ্নিদুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে বিপিসির চেয়ারম্যানকে জমা দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্যরা হলেন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক (কার্গো সুপারভিশন অ্যান্ড অপারেশন) ক্যাপ্টেন জামাল হোসেন তালুকদার, বিপিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপারেশন) মো. জাহিদ হোসাইন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন), পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) আসিফ মালিক, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন)।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে ৬ টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান। এরপর সকাল ৬টা ৫৬ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদদের স্মরণ করেন।

কুতুবদিয়ায় ছোটন চেয়ারম্যানের ১০০ কর্মদিবস উদযাপন ! উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণে (১৫ ডিসেম্বর) ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ায় কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে পরিষদ কার্যালয় বর্ণিল সাজে সাজানো হয় এবং সন্ধ্যায় আনন্দঘন পরিবেশে কেক কেটে ১০০কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য যথাক্রমে মাহাবুব আলম, মোঃ জামাল হোসেন, মো: সালাহ উদ্দিন, মো: আজিজুল হক, রেজাউল করিম ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ কর্মদিবস উপলক্ষে ইউনিয়নজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তার গৃহীত নানা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই চেয়ারম্যান ছোটন ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছেন। বিশেষ করে রাস্তা সংস্কার, অসহায় ও দুস্থদের সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত সমাধানে তার আন্তরিকতা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন বলেন, “এই ১০০ দিনে আমি চেষ্টা করেছি জনগণের পাশে থাকতে এবং ইউনিয়নকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী এলাকায় রূপ দিতে। আগামীতেও বড়ঘোপ ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই।”

এলাকাবাসী জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রতি নতুন আশার সঞ্চার করেছে। চেয়ারম্যান ছোটনের এই কার্যক্রম বড়ঘোপ ইউনিয়নের উন্নয়ন যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ