আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

নগরকান্দায় ভ্যান গাড়ী চোর চক্রের দুই সদস্য আটক

মিজানুর রহমান নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ভবুকদিয়া বাস স্টেশন থেকে যাত্রী ভেসে নগরকান্দা বাজারে গিয়ে ভ্যান চুরি করে নিয়ে যাওয়া চোর অবশেষে জনতার হাতে ধরা পড়েন।২৩ সেপ্টেম্বর ভ্যান গাড়ি চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় সিসি ক্যামেরায় ধারন কৃত ফুটেজ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার প্রকাশ হয়।৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে সেই চোর স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ভবুকদিয়া বাস স্ট্যান্ড দিয়ে ভ্যানগাড়ী

চালিয়ে যাওয়া সময় চুরি করে নিয়ে যাওয়া ভ্যান গাড়ীর মালিক সামিউল মুন্সি চোর চক্রদের চিনে ফেলে এবং ভ্যান চোর ভ্যান চোর বলে তাদের পিছু নেয় অবশেষে স্হানীয় লোকজন মোটরসাইকেল চালিয়ে ভ্যান চোর চক্রদের ধরতে সক্ষম হয়।স্হানীয় জনতা পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের হাতে সোপর্দ করে।চোরের বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের মৃধা কান্দা গ্রামর মিজানুরের ছেলে শাহীন ও সালথা উপজেলার জয় ঝাপ গ্রামের অজিত মোল্লার মেয়ে আকলিমা তারা দুই জন স্বামী – স্ত্রী বলে জানান। চোর শাহীন মোল্লা বলেন আমার সন্তানের চিকিৎসা করানোর টাকার প্রয়োজন হওয়ায় ভ্যান চুরি করে বিক্রি করে দিয়েছি।

নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সফর আলী বলেন, স্হানীয় লোকজন যে দুই জনকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে তাদের সব বিষয় ক্ষতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

নাড়ির টানে বন্দর নগরী ছাড়ছে মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নাড়ির টানে গন্তব্যে ছুড়ছে মানুষ। পথে পথে ভোগান্তি এড়াতে মানুষ আগ থেকে বন্দর নগরী ছাড়তে শুরু করেছে। শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম রেল ষ্টেশন, বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে। এর আগে শুক্রবার থেকে তাদের এই ঈদ যাত্রা শুরু হয়।

চট্টগ্রাম মহানগরের এ কে খান মোড়, অলংকার ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস ও ট্রেনে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন অনেকে। কেউ যাচ্ছেন কুমিল্লা, কেউ ঢাকা, কেউ সিলেট বা রাজশাহীর দিকে। যাত্রীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি না হলেও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরা হচ্ছে আগামী ২১ মার্চ। ফলে এখনো কয়েক দিন সময় থাকলেও অনেকেই বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন।মূলত ঈদের আগমুহূর্তে বাড়তি যাত্রী চাপের ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আগেভাগে শহর ছাড়ছেন।

পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, দিন দিন ঈদযাত্রা আরও জমে উঠবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ছুটি শুরু হলে নগর ছাড়ার মানুষের ঢল নামতে পারে। তখন এ কে খান, অলংকার, কদমতলী বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় যাত্রীদের বড় ভিড় দেখা যাবে।

এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের পূর্বাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে নানামুখী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ বছর চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ার্কশপে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়তি যাত্রী পরিবহনে এসব কোচ বিভিন্ন ট্রেনে সংযোজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিশেষ ট্রেন, বাড়তি ইঞ্জিন যুক্ত করাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, যাত্রীর চাপ বাড়ায় পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হচ্ছে। চলমান ৭৫টি ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে আরও ১০টি ইঞ্জিন। এ ছাড়া চালানো হবে আটটি বিশেষ ট্রেন। এরমধ্যে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ও ২ চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর আসা-যাওয়া করবে। এর যাত্রী ধারণক্ষমতা ৬৬৮ জন। এছাড়া ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে স্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে এ কে খান এলাকায় ঢাকাগামী যাত্রী আবুল কালামের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বলেন, তিনি নগরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এবার একটু আগেভাগেই বাড়ি যাচ্ছেন। কারণ, বাড়িতে একজন অসুস্থ আত্মীয় রয়েছেন।

ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে থাকতে চান বলেই আগে বেরিয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে নোয়াখালীগামী একটি বাসে উঠেছিলেন সায়েরা আক্তার। দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি গ্রামে ফিরছেন। সায়মা বলেন, পরে গেলে খুব ভিড় থাকে। বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত কষ্ট হয়। তাই আগেই চলে যাচ্ছি। তবে তাঁর স্বামী হায়দার আলী এখনই যেতে পারছেন না। তিনি জানান, তাঁর স্বামীর এখনো ছুটি হয়নি। ঈদের আগের দিন তিনি বাড়ি যাবেন।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এবারের ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের মাঝে প্রতিদিন পূর্বাঞ্চলের ১৬টি ট্রেনের ৮ হাজারের বেশি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ট্রেনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছিল। ৯ মার্চ শেষ হয়েছে। অগ্রিম টিকিটের যাত্রীরা যেতে শুরু করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ