আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি)ইশরাত ফারজানা’র সভা বর্জন

বিজয় রায়, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি)ইশরাত ফারজানা’র সভা বর্জন করেছে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় রাণীশংকৈল উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে ঠাকুরগাঁও জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা মতবিনিময় করবেন বলে সাংবাদিকদের ফোন করে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান।সোমবার বিকালে উপজেলা হলরুমে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হতে থাকেন সাংবাদিকেরা কিন্তু দীর্ঘ এক ঘন্টা সাংবাদিকদের অপেক্ষায় রেখে জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পুজা মন্ডপের সভাপতি সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।পরে ব্যানার পরিবর্তন করে সাংবাদিকদের সভা শুরু হওয়ার আগেই দেখা যায় ব্যানারে লেখা রয়েছে, উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা তবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় এ রকম কোন লেখা না থাকায় এবং সাংবাদিকদের ফোন করে বলা হয় সিনিয়রা যেন মেনটেন্ট করে বসে আর জুনিয়ররা যেন পিছনে বসে ইউএনও`র এমন নির্দেশনায় সাংবাদিক নেতারা হলরুম থেকে সভা বর্জন করে বেরিয়ে চলে আসে।রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফারুক আহম্মদ সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এমন আচরণ একজন উপজেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তার কাছে আশা করিনি।এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি আশরাফুল আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সাংবাদিকদের দাওয়াত দিয়ে এমন আচরণ করা ঠিক হয়নি এবং ইউএনও অফিসের ওয়েশ আতিক বলেছেন শুধু মাত্র নাকি সভাপতি সম্পাদকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে এমন কথা বলা সাংবাদিকদের সাথে দুঃখ জনক।প্রেসক্লাব পুরাতনের যুগ্ম আহব্বায়ক মাহাবুব আলম বলেন, আমাকে গতকাল ইউএনও রকিবুল হাসান ফোন করে জানিয়েছেন আপনাদের সকল সাংবাদিকদের দাওয়াত থাকলো নবাগত জেলা প্রশাসক আপনাদের সাথে বিকাল ৪ টায় মতবিনিময় করবেন। সে হিসেবেই প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের জানানো হয়।এখানে এসে দেখি ব্যানারে আমাদের কোন জায়গায় নেই।তাই আমরা সভা বর্জন করে চলে এসেছি এবং যতদিন পর্যন্ত এর কোন ব্যবস্থা না হবে ততদিন উপজেলা প্রশাসনের সকল সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখবে সাংবাদিকরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস এর দ্রুত চিকিৎসা না হলে বাঁচানো সম্ভব নয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস উদ্দীন সে দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 
জুলহাস উদ্দীন ৫০ সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঢাঙ্গীপুকুর গুচ্ছগ্রামের মৃত ছামাদ আলীর ছেলে। 

তিনি পেশায় একজন দিন মজুর, গেল এক বছর থেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন তিনি। নিজস্ব কোন জমি না থাকায় সরকারের আশ্রয়ের প্রকল্পের ঘরে বসবাস করছেন। অসচ্ছলতার কারণে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। টাকার অভাবে ঘরের মধ্যে অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পরিবারের অন্য কেউ হাল ধরার মতো নেই আশপাশের মানুষের সহযোগিতায় চলতে হয় তাকে।

গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা জানান দীর্ঘদিন থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে বিছানায় আছেন দিনমজুরের কাজ করতেন জুলহাস, কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আর কাজে যেতে পারছেন না। মানুষটিকে বাঁচাতে হলে অর্থের প্রয়োজন তাই সমাজের বৃত্তবান মানুষ ও সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।এদিকে জুলহাস জানান ডাক্তারের কথা অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লক্ষ টাকার উপরে প্রয়োজন। যেটা হলে দ্রুত অপারেশন করা সম্ভব হবে। তার কোন কিছুই নেই যেটা বিক্রি করে চিকিৎসা নিবেন। টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তাই তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।সকলের সহযোগিতায় একটি প্রাণ বেঁচে যেতে পারে। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে 01760918282 যোগাযোগ করতে পারেন।

চট্টগ্রামে ইস্টার্ণ রিফাইনারীর শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যহত, দাবি ৪ দফা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে টানা আন্দোলন অব্যহত রেখেছে শ্রমিক-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ণ রিফাইনারীর প্রধান ফটকের সামনে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিক-কর্মচারীরা অংশ নেন। বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ অনুযায়ী দ্বিবার্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদন, পার্সোনাল পে বাস্তবায়ন, আবাসন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পদোন্নতি নীতিমালা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের ৮ম দিনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন তারা।সমাবেশ থেকে সিবিএ নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এই শিল্পবিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা না হলে শ্রম আইন অনুযায়ী আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে এবং নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


সিবিএ নেতারা বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ অনুযায়ী পূর্বের নিয়মে ২০২৩-২৪ সালের দ্বিবার্ষিক চুক্তিনামা অবিলম্বে সম্পাদন করতে হবে। পাশাপাশি ২০০৩ সালের চুক্তি অনুযায়ী পার্সোনাল পে বাস্তবায়ন, শ্রমিক-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পদোন্নতি নীতিমালা সংস্কারের দাবি জানান তারা।বিক্ষোভ সমাবেশে ইস্টার্ণ রিফাইনারী এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি দেওয়ান মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।

সমাবেশে মো. আব্দুর রহমান বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইস্টার্ণ রিফাইনারী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু শ্রমিক-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবিদাওয়া নিয়ে কর্তৃপক্ষ বারবার নানা জটিলতা সৃষ্টি করছে। তিনি দাবি করেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের একটি স্মারকের কারণে ২০২৩-২৪ সালের দাবিনামার ভিত্তিতে সম্পাদনযোগ্য চুক্তিনামা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬-এর ২১০ ধারা অনুযায়ী যৌথ দরকষাকষির মাধ্যমেই নির্ধারণ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ