আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

উখিয়ার টিএনটি গুচ্ছ গ্রামে মসজিদ- মাদ্রাসার দখল কৃত জমি উদ্ধারে অবস্থান কর্মসূচি

আবু বক্কর সিদ্দিক উখিয়াঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টিএনটি গুচ্ছ গ্রাম জামে মসজিদ ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসার জমি, কবরস্থানের জায়গায় রাস্তা এবং উখিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতাল কতৃক জোরপূর্বক জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ কৃত জায়গা উদ্ধারের লক্ষ্যে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় জনসাধারণ স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রবেশপথে  অবস্থান  কর্মসূচি পালন করেছে।

স্থানীয় গ্রামবাসীর অভিযোগ তাদের মসজিদের জায়গা দখল,বৃটিশ আমলের জনপথ দূমোয়ার পথ ( রাস্তা) দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে।  পরে কবরস্থানের উপর দিয়ে আরেকটি রাস্তা করে দেওয়ায় হয়, যেটি সবচাইতে মর্মান্তিক বলে দাবি করে তারা। তারা আরো জানায় ঐ গ্রামের মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের একমাত্র খেলার একটি মাঠ ছিল । ২০১৭ সালের আগস্টে মানবতার খাতিরে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দে সরকার। তখন রোহিঙ্গাদের সেবায় দেশি-বিদেশি অনেক এনজিও কাজ করতে আসে উখিয়াতে। সেখান থেকে কিছু এনজিও ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী মহল যুগ সাজসে তাদের একমাত্র খেলার মাঠটি দখল করে অবৈধ সুবিধা নিয়ে এনজিওদের কে সহযোগিতা করে স্থাপনা নির্মাণ করে পরে সেটি উখিয়া স্পেশালাইজ হাসপাতাল হয়। তখনকার সময়ে তারা মানববন্ধন বিক্ষোভ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও তারা ন্যায় বিচার পায়নি বলে দাবি করে।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে বক্তারা বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উখিয়া বরাবরে তারা লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই ন্যায্য দাবি আদায়ে গত একমাস ধরে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় জনগণ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা যাচ্ছেন সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত ১৮ সেপ্টেম্বরে স্পেশালাইজড হাসপাতালের সামনে গত ২৬ সেপ্টেম্বর উখিয়া সদর স্টেশনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত সমাধান করার জন্য কোন উদ্যোগ না নেয়ায় খুব ও হতাশা প্রকাশ করেন তারা। তাদের দাবি দখলকৃত সমস্ত জায়গা তাদেরকে ফেরত দিতে হবে ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও করতে হবে। যদি তাদের দাবি মেনে না নেওয়া হয় তাহলে তারা পরবর্তীতে অনশন, বিক্ষোভ সহ বড় ধরনের কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। তাই রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, এনজিওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার উখিয়া ও সহকারী কমিশনার ভুমির প্রতি জোর দাবি জানিয়ে তাদের দখলকৃত জায়গা উদ্ধারে সহযোগিতা কামনা করেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম সিকদার,উখিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল মালেক মানিক,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সাইফুল রহমান সিকদার, কেন্দ্রীয় ওলামা দলের নেতা মাওলানা নুরুল হাসান আযাদ যুক্তিবাদী, রাজাপালং ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন সিকদার, উখিয়া উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন,রাজাপালং সাংগঠনিক ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, রাজাপালং দক্ষিণ ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিকদার, যুবনেতা নেতা রফিক উদ্দিন,এনামুল কবির,মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুরুল আলম সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক তুফা সওদাগর,সহ মসজিদ পরিচালনা কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনসাধারণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, পেশাজীবি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। তারা এতদিন পর্যন্ত এটির সমাধান না হওয়ায় খুব প্রকাশ করেন এবং এনজিও কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান দ্রুত সময়ের মধ্যে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাথে বসে যেন সমাধান করে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ