আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

সবুজ হোসেন (Sabuj Hossain): তরুণ ডিজিটাল উদ্যোক্তার সফলতার গল্প

নিইজ ডেস্কঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সবুজ হোসেন (Sabuj Hossain) একজন উদীয়মান বাংলাদেশী উদ্যোক্তা, যিনি তার অসাধারণ প্রতিভা, নিষ্ঠা, এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে ডিজিটাল বিশ্বের শীর্ষে অবস্থান করছেন। ২০০৬ সালের ২৭ মার্চ ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী সবুজ, প্রযুক্তির প্রতি গভীর আগ্রহ নিয়ে বেড়ে উঠেছেন। তার শৈশবকাল থেকেই কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রতি মুগ্ধতা ছিল, যা তাকে নানা প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

সবুজ একজন মাল্টি-ট্যালেন্টেড পেশাজীবী হিসেবে পরিচিত। তিনি একজন ইউটিউবার, ফ্রিল্যান্সার, ডিজিটাল মার্কেটার, গ্রাফিক ডিজাইনার, সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট, ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব ডেভেলপার, এবং লেখক। তাঁর বৈচিত্র্যময় দক্ষতা সেট এবং কাজের প্রতি নিবেদন তাকে বাংলাদেশের তরুণ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের মধ্যে একটি উজ্জ্বল নাম করে তুলেছে।

তিনি ইউটিউবে তাঁর জীবনধারা ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, যা দর্শকদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তাঁর চ্যানেলে প্রযুক্তি, ভ্রমণ এবং জীবনযাত্রা নিয়ে নানা বিষয়বস্তু রয়েছে, যা দর্শকদের আকৃষ্ট করে। সবুজের বিষয়বস্তু তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিককে তুলে ধরে, দর্শকদের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেয় এবং তাদেরকে প্রযুক্তির জগতে উদ্বুদ্ধ করে।

সবুজের ডিজিটাল মার্কেটিং এবং গ্রাফিক ডিজাইনিংয়ের দক্ষতা তাকে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। তিনি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কৌশল তৈরি করে ক্লায়েন্টদের অনলাইন উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করেন। তাঁর কাজের মাধ্যমে তিনি গ্রাহকদের লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, যা তাকে পেশাগত জীবনে আরও প্রভাবশালী করেছে।

সবুজ হোসেনের যাত্রা এক অসাধারণ উদাহরণ, যা দেখায় কিভাবে কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং প্রযুক্তির প্রতি ভালোবাসা দিয়ে একজন তরুণ উদ্যোক্তা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে পারেন। তিনি ইতিমধ্যে ডিজিটাল জগতে একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছেন এবং তাঁর অর্জনগুলি অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা সরবরাহ করছে। ভবিষ্যতে, সবুজের লক্ষ্য হল তাঁর উদ্যোগগুলিকে সম্প্রসারিত করা এবং ডিজিটাল বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও অবদান রাখা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ