আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বৈষম্য বিরোধী ব্যবসায়ী ও সাধারন শ্রমিক জনতা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিগত ১৫ বছরে স্বৈরাচারী সরকারের অপশাসনে ক্ষতিগ্রস্থ ও বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও কারখানা দ্রুত চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রামে। আজ বিকেলে জামাল খান চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে এ মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সাধারণ ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা তাদের নয় দফা দাবি তুলে ধরেন। বলেন, বিগত ১৫ বৎসর ভিন্ন মতাদর্শের কারনে ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যায় অত্যাচার ও নির্যাতনে প্রায় বন্ধ অবস্থায় ছিল দেশের অনেক শিল্প মালিক। দরবেশ বাবা খ্যাত সালমান এফ রহমান এবং ব্যাংক খেকো এস আলম সিন্ডিকেট এর ইশারা ছাড়া কেউ কোন ধরনের লোন সুবিধা পায়নি। তাদের অত্যাচারে বন্ধ হয়ে গেছে দেশের হাজারও শিল্প কল কারখানা ও ব্যবসআ প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে এস আলম গ্রুপ ও তাদের দোসরদের কারনে চট্টগ্রামের প্রায় ৬ শতাধিক শিল্প কল কারকানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। হাজার হাজার শ্রমিক তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছে। এসব শিল্প কল কারখানার শ্রমিকেরা এখন পরিবারবর্গ নিয়ে মানবেতর দিন যাপন করতেছে। তাই আপনার মাধ্যমে সরকারের কাছে বন্ধ কারখানা দ্রুত চালু করে হাজার হাজার পরিবারের জীবন বাঁচানোর জন্য ৯ দফা দাবী তুলে ধরছি। ১। ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধকালীন সময় বৈদেশিক বানিজ্যে ডলার সংকট ও অন্যান্য অসুবিধার কারনে এক বিপর্যয় নেমে আসে। এসময় ব্যংকিং সুবিধা স্বৈরাচার সরকারের গড়া সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করে তারা সুবিধা লুটে নেয়। তাদের সিন্ডিকেটের বাহিরে থাকা ব্যবসায়ী, শিল্পপতিরা ব্যবসায় সমতা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ২। কভিড-১৯ এর সময় সময় ব্যবসায়িরা আর একটি বিপর্যয়ের মুখোমুখী হয়। এ সময় ও তথাকথিত অবৈধ সরকারের দোসররা একচেটিয়া এক তরফা ভাবে ব্যাবসা নিজেদের নিয়ন্ত্রনে রাখে এবং ব্যাংকিং লোন নেওযার সুবিধা তারাই ভোগ করে। ৩। বিগত ১৫ বছরে অবৈধ স্বৈরাচারী সরকারের বৈষম্যের শিকার হয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শল্প কল কারখানা দ্রুত চালু করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪। ফ্যাসিবাদ সরকারের সিন্ডিকেটের লুটপাটে অংশ না নেওয়ায়, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন হয়রানী মূলক মিলা দিয়ে খতিগ্রস্থ করা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল মুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি অন্যায় ভাবে করা মামলা বাতিল রতে হবে। ৫। খতিগ্রস্থ সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কারখানা পূর্নবাসনের লক্ষ্যে নতুন আর্থিক নীতি মালা গ্রহন করতে হবে। ৬। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানার সাথে জড়িত সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকুরী নিশ্চিত করে সকল সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা দিতে হবে। ৭। অবৈধ ফ্যাসিবাদী সরকার বিশেষ ব্যবসায়ী ও গোষ্ঠীকে অন্যায় ভাবে সহযোগীতা করায় প্রকৃত ব্যবসায়ীরা হারিয়ে গেছে। সুতরাং স্বৈরাচারী সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ফিরিয়ে আনতে হবে। ৮। ক্ষতিগ্রস্থ সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানা দ্রুত চালুর উদ্দেশ্যে কমিশণ গঠন করে পূর্ণবাসন নীতিমালা গ্রহন করতে হবে। ৯। সামগ্রীকভাবে দেশের আইন শৃঙ্খ পরিস্থিতি উন্নতির জন্য আর্থিক খাতের বিকল্প নাই, তাই আর্থিক খাত শক্তিশালী করার জন্য দ্রুত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। অতএব, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সচল করার স্বার্থে ও বেকার জনগোষ্টির কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আমাদের নৈতিক ও যুক্তিসংগত দাবীগুলো সুবিবেচনা করে তাহা অনুমোদন করার জন্য আপনার মাধ্যমে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উদেষ্টার নিকট সর্নিবদ্ধ অনুরোধ করছি। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, শাহা আলম হাওলাদার সভাপতি মহানগর, হিউম্যান হলার এসোসিয়েশন, খুরশেদ আলম (ঝার গ্রুপ), শারুদ নিজাম ( মুখপাত্র বিপণী বিতান) , মুস্তফা কামাল, শ্রমিক প্রতিনিধি, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু ( চেয়ারম্যান, স্বাধীন), মুহাম্মদ কবির হোসেন ( সাধারণ সম্পাদক, নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন খুলশি). রুবেল হোসেন ( সভাপতি বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন), মনি আকতার ( গার্মেন্টস শ্রমিক নেত্রী) ছবির ক্যাপশান – বৈষম্য বিরোধী ব্যবসায়ী ও সাধারন শ্রমিক জনতা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন শাহা আলম হাওলাদার

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি, প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে ৮টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর চেরাগি পাহাড় চত্বর এলাকায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন এই ধর্মঘটের আয়োজন করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী সঞ্চালনায় অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেয় বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, সৃষ্টি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদ, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, রেজাউল করিম শিকদার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন।
অবস্থান র্ধমঘট চলাকালে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় তিন দফা দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যম কর্ণফুলীতে সাম্পান ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনটি দাবি হচ্ছে- মহামান্য হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষ নিয়ে জনস্বার্থ মামলার বিরোধিতাকারীদের প্রত্যাহার করতে হবে। হাইকোর্ট নির্দেশিত নদী জীবত্ব সত্ত্বা আদেশ অনুযায়ী কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করতে হবে এবং সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী নদীর তীরে টিকে থাকা সাড়ে তিন শতাধিক দেশিয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।পাশাপাশি নদী তীরে ব্যাপকহারে গাছ লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদলে গ্রাম সরকার বা ওয়ার্ড সরকার করে তাদের সমন্বয়ে দেশ পরিচালনা না করলে এই অব্যবস্থাপনা যাবে না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কর্ণফুলীর কারণে। দুখের কথা হচ্ছে- দেশের সঞ্চালক এই নদী রক্ষার জন্য সরকার ও প্রশাসন বরাবর উদাসীন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি- আপনারা কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করুন, না হয় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, নতুন সরকারের নদী ও খাল রক্ষার ঘোষণায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ার আশায় ছিলাম। এখন অনেকে দখলদারদের পক্ষ নিয়ে কর্ণফুলীকে চিরতরে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে, যা চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রতিহত করবে।

এসময় বক্তব্য দেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি জানে আলম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি কামাল পারভেজ, বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল করিম বাপ্পি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আলম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক লোকমান দয়াল, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পরিচালক আমির হোসেন, হস্তচালিত বড় সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান সমিতির সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী, মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন রায়, সমাজসেবক আরমান হোসেন প্রমুখ।

বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে। সেতু চালু হলে দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত প্রত্যাশা পূরণে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। একটি কুচক্রী মহল এতদিন সেতু নির্মাণ কাজ বাঁধাগ্রস্থ করে রাখে। আজ ১৮জুন বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা সেতু ও কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু পরিদর্শন শেষে নগরপাড়ায় আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম ফারুক খোকন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক হাজী বাছির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকার পূর্ব মাদারটেক, সবুজবাগ হয়ে বালু নদের সেতু পার হয়ে সিলেট ও চট্টগ্রামসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় সহজেই আসা-যাওয়া করা যাবে। সেই দিক থেকে বালু নদের সেতুটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। বালু নদের সেতু নির্মাণ কাজ আগামী এক বছরের মধ্যে সমাপ্ত করা হবে। সেতু দু’টি চালু হলে লাখো মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। কৃষি ও ব্যবসা বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সিলেটসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় জেলায় যানবাহন চলাচল আরো সহজ ও দ্রুত হবে। উল্লেখ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু নির্মাণ ২৩ বছরেও শেষ হয়নি।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ